ফারুক মেহেদী, ঢাকা

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো গুদামে অনেক দিন ধরে পড়ে আছে গুলি, বিস্ফোরক, রাসায়নিকসহ বিপুল পরিমাণ বিপজ্জনক দ্রব্য। এই অনিরাপদ মজুতের কারণে এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। কাস্টমস ও বিমান কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু নানা জটিলতায় সেগুলো সরানো যাচ্ছে না। সরকারের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি সম্প্রতি গুদাম পরিদর্শন করে বলেছে, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকা কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাউজুর রহমান পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে বলেছেন, সংবেদনশীল পণ্য বলতে ৪ থেকে ৫ টন গুলি মজুত আছে। কাস্টমস চাইলে এটা নিলাম করতে পারবে না, আবার ধ্বংস করতে পারবে না। এগুলো আর্মড ফোর্সেস বিভাগকে দেওয়া হবে। তবে প্রক্রিয়াটা একটু জটিল। ইতিমধ্যে এগুলোর নমুনা পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানাবে। আর কিছু কিছু পণ্য খালাসের ব্যাপারে পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন লাগে। এটা পেতে দেরি হয় বলে পণ্যগুলো পড়ে আছে। তবে এরই মধ্যে অনেক এয়ারলাইনস বিপজ্জনক পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এনবিআর সূত্র জানায়, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষের একটি বিশেষজ্ঞ দল সম্প্রতি শাহজালাল বিমানবন্দরের ক্ষতিকর রাসায়নিকের মজুত ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত সার্বিক বিষয় পরিদর্শন করে। এই পরিদর্শনসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, বাণিজ্যসচিব, এনবিআরের চেয়ারম্যান ও ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শাহজালাল বিমানবন্দরের ‘ডেঞ্জারাস’ কার্গো ও কেমিক্যাল গুদামে ৬২১ কেজি বিপজ্জনক পণ্য আমদানির পর নানা কারণে মজুত আছে। এ ছাড়া ‘ডেঞ্জারাস’
কার্গো শ্রেণি-১ এর অন্তর্ভুক্ত ৩ হাজার ৯০০ কেজি পুরোনো গোলাবারুদ আছে। এত বিপুল পরিমাণ ধ্বংসযোগ্য বিপজ্জনক পণ্য বিমানবন্দরের ভেতরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকার ফলে সেগুলো যেকোনো সময় বিস্ফোরণ বা বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শাহজালাল বিমানবন্দরে ‘ডেঞ্জারাস’ কার্গো গুদাম ও কেমিক্যাল গুদাম অন্যান্য সাধারণ পণ্যের গুদামের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। বর্তমান অবস্থানে বিপজ্জনক কার্গো ও রাসায়নিক গুদামটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দৈনন্দিন কাজের জন্য গুদামগুলোতে প্রচুর লোকসমাগম হয়। কিন্তু ওই স্থানে অবস্থিত ‘ডেঞ্জারাস’ কার্গোর ঝুঁকি সম্পর্কে তারা মোটেও অবগত নয়। গুদামের প্রাচীরের বাইরে একই চত্বরে অন্যান্য পণ্যের কার্গো রাখা আছে, যার মধ্যে অনেকগুলো দাহ্য পদার্থ যা যেকোনো সময় বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গুদামগুলোতে স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ভেন্টিলেশনসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বলতে কিছুই নেই। কিছু কিছু রাসায়নিক দ্রব্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখা প্রয়োজন হলেও তার ব্যবস্থা নেই। অগ্নিনিরাপত্তাও কিছু নেই। বিমানবন্দরে রাসায়নিক পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় মূলত বিদেশ থেকে আসা সন্দেহজনক ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য খালাসের জন্য পরীক্ষা করতে বুয়েট, বিসিএসআইআরে পাঠাতে হয়। এ জন্য সময় বেশি লাগে, ততক্ষণ পর্যন্ত ওই সব পণ্য গুদামে মজুত করতে হয়। তাতেই ঝুঁকিটা বাড়ে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ক্ষতিকারক পণ্য বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি করছে বলে যে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক উইং কমান্ডার এ এইচ এম তৌহিদ-উল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি নিতান্তই কাস্টমস এবং বিমানের বিষয়। এখানে আমাদের বেশি কিছু করার নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরের কার্গো গুদামে অনেক বিস্ফোরক ও রাসায়নিক দ্রব্য পড়ে আছে। এগুলো আর্মড ফোর্সেস বিভাগকে দেওয়া হয়েছে, তারা এটা ডিসপোজাল করবে। কিছু জটিলতার কারণে তারা এখনো নেয়নি। কাস্টমসের ডিসপোজালের জন্য যেসব মালামাল রয়েছে, সেগুলোও পড়ে আছে এয়ারপোর্টে। সবাই এয়ারপোর্টকে গুদাম বানিয়ে ফেলেছে। কাস্টমস বলে তাদের জায়গা নেই। আমরা প্রতি মাসে সমন্বয় মিটিংয়ে এই বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করি। আইনি জটিলতা বেশি, যার মালামাল সে যদি না নেয়, আমাদের কী করার আছে। বিস্ফোরক ও রাসায়নিক দ্রব্য কবে ধ্বংস করা হবে, সেটা আর্মড ফোর্সেস বিভাগ বলতে পারবে।’
ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন-আইএটিএর নির্দেশনামতে, এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের টেকনিক্যাল নাম উল্লেখ করাসহ বিভিন্ন বিধান মানার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে পণ্যগুলোর সঠিকভাবে গুদামজাত হয় না। তাতে ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া এসব রাসায়নিক দ্রব্য নিয়মমতো ধ্বংস করার জন্য দেশে কোনো প্রতিষ্ঠান না থাকায় এসব দ্রব্য অপসারণ বা ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির সাবেক কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব গুলি বা বিস্ফোরক আসলে সেনাবাহিনী বা আর কারও ব্যবহারের সুযোগ কম। কারণ এসবের ‘অথেনটিকেশন’ নিয়ে প্রশ্ন আছে। একমাত্র সমাধান হলো ধ্বংস করা। আর এটা সম্ভব সেনাবাহিনীর মাধ্যমে। কারণ, এ জন্য তাদের কারিগরি দক্ষতা রয়েছে। প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দেওয়া হলে তারা হয়তো নিরাপদে এগুলো ধ্বংস করতে পারবে।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো গুদামে অনেক দিন ধরে পড়ে আছে গুলি, বিস্ফোরক, রাসায়নিকসহ বিপুল পরিমাণ বিপজ্জনক দ্রব্য। এই অনিরাপদ মজুতের কারণে এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। কাস্টমস ও বিমান কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে উদ্বিগ্ন। কিন্তু নানা জটিলতায় সেগুলো সরানো যাচ্ছে না। সরকারের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি সম্প্রতি গুদাম পরিদর্শন করে বলেছে, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
ঢাকা কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাউজুর রহমান পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে বলেছেন, সংবেদনশীল পণ্য বলতে ৪ থেকে ৫ টন গুলি মজুত আছে। কাস্টমস চাইলে এটা নিলাম করতে পারবে না, আবার ধ্বংস করতে পারবে না। এগুলো আর্মড ফোর্সেস বিভাগকে দেওয়া হবে। তবে প্রক্রিয়াটা একটু জটিল। ইতিমধ্যে এগুলোর নমুনা পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানাবে। আর কিছু কিছু পণ্য খালাসের ব্যাপারে পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন লাগে। এটা পেতে দেরি হয় বলে পণ্যগুলো পড়ে আছে। তবে এরই মধ্যে অনেক এয়ারলাইনস বিপজ্জনক পণ্য পরিবহন বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এনবিআর সূত্র জানায়, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষের একটি বিশেষজ্ঞ দল সম্প্রতি শাহজালাল বিমানবন্দরের ক্ষতিকর রাসায়নিকের মজুত ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত সার্বিক বিষয় পরিদর্শন করে। এই পরিদর্শনসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, বাণিজ্যসচিব, এনবিআরের চেয়ারম্যান ও ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শাহজালাল বিমানবন্দরের ‘ডেঞ্জারাস’ কার্গো ও কেমিক্যাল গুদামে ৬২১ কেজি বিপজ্জনক পণ্য আমদানির পর নানা কারণে মজুত আছে। এ ছাড়া ‘ডেঞ্জারাস’
কার্গো শ্রেণি-১ এর অন্তর্ভুক্ত ৩ হাজার ৯০০ কেজি পুরোনো গোলাবারুদ আছে। এত বিপুল পরিমাণ ধ্বংসযোগ্য বিপজ্জনক পণ্য বিমানবন্দরের ভেতরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকার ফলে সেগুলো যেকোনো সময় বিস্ফোরণ বা বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শাহজালাল বিমানবন্দরে ‘ডেঞ্জারাস’ কার্গো গুদাম ও কেমিক্যাল গুদাম অন্যান্য সাধারণ পণ্যের গুদামের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। বর্তমান অবস্থানে বিপজ্জনক কার্গো ও রাসায়নিক গুদামটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। দৈনন্দিন কাজের জন্য গুদামগুলোতে প্রচুর লোকসমাগম হয়। কিন্তু ওই স্থানে অবস্থিত ‘ডেঞ্জারাস’ কার্গোর ঝুঁকি সম্পর্কে তারা মোটেও অবগত নয়। গুদামের প্রাচীরের বাইরে একই চত্বরে অন্যান্য পণ্যের কার্গো রাখা আছে, যার মধ্যে অনেকগুলো দাহ্য পদার্থ যা যেকোনো সময় বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গুদামগুলোতে স্বয়ংক্রিয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ভেন্টিলেশনসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বলতে কিছুই নেই। কিছু কিছু রাসায়নিক দ্রব্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখা প্রয়োজন হলেও তার ব্যবস্থা নেই। অগ্নিনিরাপত্তাও কিছু নেই। বিমানবন্দরে রাসায়নিক পরীক্ষার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না থাকায় মূলত বিদেশ থেকে আসা সন্দেহজনক ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য খালাসের জন্য পরীক্ষা করতে বুয়েট, বিসিএসআইআরে পাঠাতে হয়। এ জন্য সময় বেশি লাগে, ততক্ষণ পর্যন্ত ওই সব পণ্য গুদামে মজুত করতে হয়। তাতেই ঝুঁকিটা বাড়ে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ক্ষতিকারক পণ্য বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় ঝুঁকি তৈরি করছে বলে যে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক উইং কমান্ডার এ এইচ এম তৌহিদ-উল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এটি নিতান্তই কাস্টমস এবং বিমানের বিষয়। এখানে আমাদের বেশি কিছু করার নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরের কার্গো গুদামে অনেক বিস্ফোরক ও রাসায়নিক দ্রব্য পড়ে আছে। এগুলো আর্মড ফোর্সেস বিভাগকে দেওয়া হয়েছে, তারা এটা ডিসপোজাল করবে। কিছু জটিলতার কারণে তারা এখনো নেয়নি। কাস্টমসের ডিসপোজালের জন্য যেসব মালামাল রয়েছে, সেগুলোও পড়ে আছে এয়ারপোর্টে। সবাই এয়ারপোর্টকে গুদাম বানিয়ে ফেলেছে। কাস্টমস বলে তাদের জায়গা নেই। আমরা প্রতি মাসে সমন্বয় মিটিংয়ে এই বিষয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করি। আইনি জটিলতা বেশি, যার মালামাল সে যদি না নেয়, আমাদের কী করার আছে। বিস্ফোরক ও রাসায়নিক দ্রব্য কবে ধ্বংস করা হবে, সেটা আর্মড ফোর্সেস বিভাগ বলতে পারবে।’
ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন-আইএটিএর নির্দেশনামতে, এ বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের টেকনিক্যাল নাম উল্লেখ করাসহ বিভিন্ন বিধান মানার কথা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। ফলে পণ্যগুলোর সঠিকভাবে গুদামজাত হয় না। তাতে ঝুঁকি বাড়ে। এ ছাড়া এসব রাসায়নিক দ্রব্য নিয়মমতো ধ্বংস করার জন্য দেশে কোনো প্রতিষ্ঠান না থাকায় এসব দ্রব্য অপসারণ বা ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরির সাবেক কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাস আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব গুলি বা বিস্ফোরক আসলে সেনাবাহিনী বা আর কারও ব্যবহারের সুযোগ কম। কারণ এসবের ‘অথেনটিকেশন’ নিয়ে প্রশ্ন আছে। একমাত্র সমাধান হলো ধ্বংস করা। আর এটা সম্ভব সেনাবাহিনীর মাধ্যমে। কারণ, এ জন্য তাদের কারিগরি দক্ষতা রয়েছে। প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দেওয়া হলে তারা হয়তো নিরাপদে এগুলো ধ্বংস করতে পারবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৫ দিন আগে