সিঙ্গাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে আনিস খাঁ (৪২) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধীকে ঘরে তালাবদ্ধ করে তাঁর জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার সন্ধ্যায় আনিস খাঁকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের গাজিন্দা গ্রামের নয়ন খাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে সিঙ্গাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন আনিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আনিস খাঁ গাজিন্দা গ্রামের মৃত চাঁন খাঁর ছেলে। আনিসকে সুস্থ করে তুলবেন—এমন প্রতিশ্রুতিতে কয়েক বছর আগে ওই এলাকার মৃত আবদুল রহিমের ছেলে নয়ন খাঁ তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে আনিস খাঁকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এ ছাড়া তাঁর জমি ভোগদখল করতে থাকেন নয়ন। মানসিক প্রতিবন্ধী আনিস খাঁর পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির ১০৬ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে বিক্রি করেন তিনি।
আনিস খাঁর ভাগনি সালেহা বেগম রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাঁর মামাকে ঘরের তালা ভেঙে উদ্ধার করে। সালেহা বেগম বলেন, ‘মামা আমার বাড়িতে ছিলেন। জমি দখল করার উদ্দেশ্যে তাঁকে নিয়ে এসে নয়ন খাঁ ঘরে আটকে রাখেন। এ সময় তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।’
আনিসের মামা শামসের খাঁ বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমার ভাগনেকে নয়ন খাঁ শুধু জমি ভোগদখল করার জন্যই আটকে রেখেছেন।’
অভিযোগের বিষয়ে নয়ন খাঁ বলেন, ‘আনিস আমার চাচাতো ভাই। তাঁকে দেখাশোনা করার জন্য আমি আমার বাড়িতে রেখেছি। তিনি আমাকে স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছেন। তাঁর ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিঙ্গাইর থানার ধল্লা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আনিস খাঁকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছেন এমন খবর দেন তাঁর ভাগনি সালেহা বেগম। খবর পেয়ে নয়ন খাঁর তালাবদ্ধ ঘর থেকে আনিসকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাঁর ভাগনি সালেহা বেগমের জিম্মায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে আনিস খাঁ (৪২) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধীকে ঘরে তালাবদ্ধ করে তাঁর জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার সন্ধ্যায় আনিস খাঁকে উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের গাজিন্দা গ্রামের নয়ন খাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে সিঙ্গাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন আনিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আনিস খাঁ গাজিন্দা গ্রামের মৃত চাঁন খাঁর ছেলে। আনিসকে সুস্থ করে তুলবেন—এমন প্রতিশ্রুতিতে কয়েক বছর আগে ওই এলাকার মৃত আবদুল রহিমের ছেলে নয়ন খাঁ তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যান। পরে আনিস খাঁকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এ ছাড়া তাঁর জমি ভোগদখল করতে থাকেন নয়ন। মানসিক প্রতিবন্ধী আনিস খাঁর পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তির ১০৬ শতাংশ জমি লিখে নিয়ে বিক্রি করেন তিনি।
আনিস খাঁর ভাগনি সালেহা বেগম রোববার সন্ধ্যায় বিষয়টি থানা-পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাঁর মামাকে ঘরের তালা ভেঙে উদ্ধার করে। সালেহা বেগম বলেন, ‘মামা আমার বাড়িতে ছিলেন। জমি দখল করার উদ্দেশ্যে তাঁকে নিয়ে এসে নয়ন খাঁ ঘরে আটকে রাখেন। এ সময় তাঁর ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়।’
আনিসের মামা শামসের খাঁ বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমার ভাগনেকে নয়ন খাঁ শুধু জমি ভোগদখল করার জন্যই আটকে রেখেছেন।’
অভিযোগের বিষয়ে নয়ন খাঁ বলেন, ‘আনিস আমার চাচাতো ভাই। তাঁকে দেখাশোনা করার জন্য আমি আমার বাড়িতে রেখেছি। তিনি আমাকে স্বেচ্ছায় জমি দিয়েছেন। তাঁর ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন করা হয়নি।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিঙ্গাইর থানার ধল্লা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আনিস খাঁকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছেন এমন খবর দেন তাঁর ভাগনি সালেহা বেগম। খবর পেয়ে নয়ন খাঁর তালাবদ্ধ ঘর থেকে আনিসকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাঁর ভাগনি সালেহা বেগমের জিম্মায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে