জাহাঙ্গীর আলম, জামালপুর

জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এই দালাল চক্র দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে বাড়তি টাকা। আবার দালাল না ধরলে হতে হচ্ছে হয়রানির শিকার। অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে দালালের এমন দৌরাত্ম্য চলছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। তবে অফিস কতৃপক্ষ বলছে, এখানে কোনো কর্মকর্তা–কর্মচারী টাকা নিয়ে পাসপোর্ট করেন না।
অন্যদিকে, পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ। একাধিক আবেদনকারী জানান, নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরাও পাসপোর্টের আবেদন নিচ্ছেন। এমনকি দ্রুত সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে সহকারী পরিচালকের নামে নেওয়া হচ্ছে টাকা। সহজে পাসপোর্ট পেতে দালাল ধরতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। দালালের মাধ্যমে আবেদন জমা দিলে বিশেষ চিহ্ন পড়ে। এতে দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এ জন্য দালালেরা চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন।
আবার দালাল ছাড়া আবেদনকারীদের পড়তে হচ্ছে নানা ধরনের হয়রানিতে। দিনের পর দিন ঘুরেও পাসপোর্ট মেলে না। হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন উপজেলার মানুষ দালালদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন।
মুজাহিদুর রহমান বলেন, পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং গ্রাহক হয়রানি করা হচ্ছে। এখানে ডিউটি করা আনসার সদস্যদের আচরণ সিনেমার ভিলেনদের মতো। সিটিজেন চার্টার প্রদর্শনসহ গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা উচিত।
জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, বর্তমান সহকারী পরিচালক আসার পর থেকে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। দুর্নীতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। তথ্যের জন্য ফোন করলে ধরে না এবং মেসেজ পাঠালে উত্তর দেয় না।
মেহেদী হাসান বলেন, পাসপোর্ট অফিসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে চারটি দালাল চক্র। এই চক্রের সাহায্য ছাড়া পাসপোর্ট মেলে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভুলেও এদিকে আসে না।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের এক দালাল জানান, নতুন সহকারী পরিচালক যোগদান করার পর থেকে কৌশল অবলম্বন করে আবেদন জমা নেওয়া হচ্ছে। তবে আবেদন যেভাবেই জমা হোক না কেন তার জন্য দিতে হয় হাজার টাকা। আবার বাড়তি টাকা নিয়ে আনসার ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবেদন জমা নেন। অতিরিক্ত টাকায় জমা পড়া আবেদনে অফিস সহায়কেরা বিশেষ একটি চিহ্ন ব্যবহার করেন। সেই চিহ্ন ব্যতীত কার্যক্রম শুরু হয় না।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে জামালপুর পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দেব বলেন, ‘বিশেষ চিহ্ন বা দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করানো হয় না এই অফিসে। এখানে কোনো টাকা নেওয়া হয় না। অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী আমার নামে টাকা নিয়ে থাকলে তাঁকে সামনে নিয়ে আসেন। কার্যালয়ের ভেতরে কোনো দালাল প্রবেশ করতে পারে না। অফিসের বাইরে কে কী করবে সেটা দেখার দায়িত্ব সরকার আমাকে দেয়নি।’
জানা গেছে, জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে সাধারণ ও জরুরি এই দুই ধরনের পাসপোর্ট দেওয়া হয়ে থাকে। পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের জন্য ৪ হাজার ২৫ এবং জরুরি পাসপোর্টের জন্য ৬ হাজার ৩২৫ টাকা ব্যাংকে ফি জমা দিতে হয়।
আবেদনের সঙ্গে সেই ব্যাংক রসিদ যুক্ত করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর ছবি তোলা হয়। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর নির্দিষ্ট সময় পর পাসপোর্ট দেওয়া হয়।

জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এই দালাল চক্র দ্রুত পাসপোর্ট করে দেওয়ার নামে গ্রাহকের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে বাড়তি টাকা। আবার দালাল না ধরলে হতে হচ্ছে হয়রানির শিকার। অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে দালালের এমন দৌরাত্ম্য চলছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। তবে অফিস কতৃপক্ষ বলছে, এখানে কোনো কর্মকর্তা–কর্মচারী টাকা নিয়ে পাসপোর্ট করেন না।
অন্যদিকে, পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি নিয়ে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ। একাধিক আবেদনকারী জানান, নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরাও পাসপোর্টের আবেদন নিচ্ছেন। এমনকি দ্রুত সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট পেতে সহকারী পরিচালকের নামে নেওয়া হচ্ছে টাকা। সহজে পাসপোর্ট পেতে দালাল ধরতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা। দালালের মাধ্যমে আবেদন জমা দিলে বিশেষ চিহ্ন পড়ে। এতে দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এ জন্য দালালেরা চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন।
আবার দালাল ছাড়া আবেদনকারীদের পড়তে হচ্ছে নানা ধরনের হয়রানিতে। দিনের পর দিন ঘুরেও পাসপোর্ট মেলে না। হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন উপজেলার মানুষ দালালদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন।
মুজাহিদুর রহমান বলেন, পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম ভীষণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ এবং গ্রাহক হয়রানি করা হচ্ছে। এখানে ডিউটি করা আনসার সদস্যদের আচরণ সিনেমার ভিলেনদের মতো। সিটিজেন চার্টার প্রদর্শনসহ গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা উচিত।
জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, বর্তমান সহকারী পরিচালক আসার পর থেকে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। দুর্নীতি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। তথ্যের জন্য ফোন করলে ধরে না এবং মেসেজ পাঠালে উত্তর দেয় না।
মেহেদী হাসান বলেন, পাসপোর্ট অফিসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে চারটি দালাল চক্র। এই চক্রের সাহায্য ছাড়া পাসপোর্ট মেলে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভুলেও এদিকে আসে না।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের এক দালাল জানান, নতুন সহকারী পরিচালক যোগদান করার পর থেকে কৌশল অবলম্বন করে আবেদন জমা নেওয়া হচ্ছে। তবে আবেদন যেভাবেই জমা হোক না কেন তার জন্য দিতে হয় হাজার টাকা। আবার বাড়তি টাকা নিয়ে আনসার ও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবেদন জমা নেন। অতিরিক্ত টাকায় জমা পড়া আবেদনে অফিস সহায়কেরা বিশেষ একটি চিহ্ন ব্যবহার করেন। সেই চিহ্ন ব্যতীত কার্যক্রম শুরু হয় না।
তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে জামালপুর পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দেব বলেন, ‘বিশেষ চিহ্ন বা দালালদের মাধ্যমে পাসপোর্ট করানো হয় না এই অফিসে। এখানে কোনো টাকা নেওয়া হয় না। অফিসের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী আমার নামে টাকা নিয়ে থাকলে তাঁকে সামনে নিয়ে আসেন। কার্যালয়ের ভেতরে কোনো দালাল প্রবেশ করতে পারে না। অফিসের বাইরে কে কী করবে সেটা দেখার দায়িত্ব সরকার আমাকে দেয়নি।’
জানা গেছে, জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে সাধারণ ও জরুরি এই দুই ধরনের পাসপোর্ট দেওয়া হয়ে থাকে। পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের জন্য ৪ হাজার ২৫ এবং জরুরি পাসপোর্টের জন্য ৬ হাজার ৩২৫ টাকা ব্যাংকে ফি জমা দিতে হয়।
আবেদনের সঙ্গে সেই ব্যাংক রসিদ যুক্ত করতে হয়। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর ছবি তোলা হয়। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর নির্দিষ্ট সময় পর পাসপোর্ট দেওয়া হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে