আজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনগুলোর আয়ের বড় উৎসে পরিণত হয়েছে লাগেজ ফি। গত বছর দেশটির বিমান সংস্থাগুলো ব্যাগ ফি বাবদ আয় করেছে ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এর মধ্যে আমেরিকান এয়ারলাইনস একাই আয় করেছে প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতিষ্ঠানটির মোট বার্ষিক আয়ের দুই শতাংশেরও বেশি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব ট্রান্সপোর্টেশন স্ট্যাটিসটিকস।
এক সময় বিমানযাত্রায় অধিকাংশ ব্যাগ বিনা মূল্যে বহন করা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই খাতে ফি বাড়ানো হয়েছে ধারাবাহিকভাবে, যা এখন বিমান সংস্থাগুলোর লাভজনক খাতগুলোর একটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে ডেল্টা এয়ারলাইনসের ব্যাগেজ অপারেশনের জেনারেল ম্যানেজার কির্ক পিলিনার বলেন, ‘যাত্রীর ব্যাগ যেন তার সঙ্গে নির্ভুলভাবে গন্তব্যে পৌঁছায়, সে জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। আর তা নিশ্চিতে যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় তা বেশ জটিল একটি প্রক্রিয়া।’
বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর আটলান্টার হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ ব্যাগ আসে। এ কাজে নিয়োজিত আছেন প্রায় দুই হাজার কর্মী। প্রায় ৩০ মাইল দীর্ঘ কনভেয়ার বেল্টের মাধ্যমে টার্মিনাল থেকে বিমানে এবং সেখান থেকে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয় যাত্রীদের লাগেজ। জরিপ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনগুলো ২০২৩ সালে মোট ৪৭০ মিলিয়নের বেশি ব্যাগ পরিবহন করেছে।
ডেল্টার ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা ঘিরে সম্প্রতি একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসি। সেখানে বলা হয়, লাগেজ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা কমাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে সংস্থাটি। বিশেষভাবে লাগেজে সংযুক্ত আরএফআইডি ট্যাগ স্ক্যানার পেরোলেই কেন্দ্রীয় সিস্টেমে পৌঁছে যাচ্ছে তথ্য। পিলিনার বলেন, ‘একটি ব্যাগও যদি হারায়, সেটি যাত্রীর অভিজ্ঞতাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। তাই এ বিষয়টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি আমরা।’
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর লক্ষাধিক ব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। তাই লাগেজ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি লাগেজ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রযুক্তি, জনবল ও অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করছে এয়ারলাইনগুলো। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ খাতে আয় বাড়লেও যাত্রীদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এখন লাগেজ কেবল যাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনগুলোর আয়ের বড় উৎসে পরিণত হয়েছে লাগেজ ফি। গত বছর দেশটির বিমান সংস্থাগুলো ব্যাগ ফি বাবদ আয় করেছে ৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এর মধ্যে আমেরিকান এয়ারলাইনস একাই আয় করেছে প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতিষ্ঠানটির মোট বার্ষিক আয়ের দুই শতাংশেরও বেশি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব ট্রান্সপোর্টেশন স্ট্যাটিসটিকস।
এক সময় বিমানযাত্রায় অধিকাংশ ব্যাগ বিনা মূল্যে বহন করা যেত। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই খাতে ফি বাড়ানো হয়েছে ধারাবাহিকভাবে, যা এখন বিমান সংস্থাগুলোর লাভজনক খাতগুলোর একটি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে ডেল্টা এয়ারলাইনসের ব্যাগেজ অপারেশনের জেনারেল ম্যানেজার কির্ক পিলিনার বলেন, ‘যাত্রীর ব্যাগ যেন তার সঙ্গে নির্ভুলভাবে গন্তব্যে পৌঁছায়, সে জন্য আমরা বদ্ধপরিকর। আর তা নিশ্চিতে যে প্রক্রিয়া ব্যবহার করা হয় তা বেশ জটিল একটি প্রক্রিয়া।’
বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দর আটলান্টার হার্টসফিল্ড-জ্যাকসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ ব্যাগ আসে। এ কাজে নিয়োজিত আছেন প্রায় দুই হাজার কর্মী। প্রায় ৩০ মাইল দীর্ঘ কনভেয়ার বেল্টের মাধ্যমে টার্মিনাল থেকে বিমানে এবং সেখান থেকে নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয় যাত্রীদের লাগেজ। জরিপ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের এয়ারলাইনগুলো ২০২৩ সালে মোট ৪৭০ মিলিয়নের বেশি ব্যাগ পরিবহন করেছে।
ডেল্টার ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনা ঘিরে সম্প্রতি একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসি। সেখানে বলা হয়, লাগেজ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা কমাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে সংস্থাটি। বিশেষভাবে লাগেজে সংযুক্ত আরএফআইডি ট্যাগ স্ক্যানার পেরোলেই কেন্দ্রীয় সিস্টেমে পৌঁছে যাচ্ছে তথ্য। পিলিনার বলেন, ‘একটি ব্যাগও যদি হারায়, সেটি যাত্রীর অভিজ্ঞতাকে সরাসরি প্রভাবিত করে। তাই এ বিষয়টিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি আমরা।’
যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর লক্ষাধিক ব্যাগ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। তাই লাগেজ ফি বাড়ানোর পাশাপাশি লাগেজ ব্যবস্থাপনায় নতুন প্রযুক্তি, জনবল ও অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করছে এয়ারলাইনগুলো। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ খাতে আয় বাড়লেও যাত্রীদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এখন লাগেজ কেবল যাত্রার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বন্ড সুবিধা বহাল ও সরকারের সঙ্গে আলোচনা চান দেশের তৈরি পোশাক কারখানা মালিকেরা। ভারত থেকে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের সুপারিশ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই দাবি জানান তাঁরা।
৩৬ মিনিট আগে
গত বছর অর্থাৎ, ২০২৫ সালে চীনের অর্থনীতি ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ। এতে বেইজিংয়ের নির্ধারিত বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম দুর্বল প্রবৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
৪ ঘণ্টা আগে
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা...
১২ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
১৩ ঘণ্টা আগে