আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিরল মৃত্তিকা চুম্বকের রপ্তানি এক মাসে আগের মাসের তুলনায় ৭ গুণ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার পর এই প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ রোববার চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি জুনে মে মাসের স্তরের ৭ গুণেরও বেশি বেড়েছে। চীন-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পর বৈদ্যুতিক যান এবং এয়ার টারবাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের প্রবাহে এটি বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি।
চীন জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম বিরল মৃত্তিকা চুম্বক উৎপাদনকারী দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বহির্গামী চালান জুনে ৩৫৩ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে, যা মে মাসের তুলনায় ৬৬০ শতাংশ বেশি।
এর আগে, গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র বিরল মৃত্তিকা খনিজ এবং চুম্বকের চালান সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য চুক্তি করে। চুক্তির অংশ হিসেবে চিপ প্রস্তুতকারক এনভিডিয়া চীনে তার এইচ ২০ এআই চিপ বিক্রি পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা করেছে।
চীন বিশ্বব্যাপী বিরল মৃত্তিকা চুম্বকের ৯০ শতাংশের বেশি একা সরবরাহ করে। দেশটি এপ্রিলের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কের প্রতিশোধ হিসেবে বেশ কয়েকটি বিরল মৃত্তিকা পণ্য রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তালিকায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
ফলে, রপ্তানি লাইসেন্স পেতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে এপ্রিল ও মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা এই পণ্যের চালানে ব্যাপক পতন ঘটে, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করে এবং চীনের বাইরের কিছু গাড়ি নির্মাতাকে বিরল মৃত্তিকার অভাবে আংশিক উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
গত মাসে চীন বিশ্বব্যাপী ৩ হাজার ১৮৮ টন বিরল মৃত্তিকা স্থায়ী চুম্বক রপ্তানি করেছে, যা মে মাসের ১ হাজার ২৩৮ টনের তুলনায় থেকে ১৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। যদিও জুনের পরিমাণ এখনো ২০২৪ সালের একই মাসের তুলনায় ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ কম।
বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, জুনে আরও বেশি রপ্তানিকারক লাইসেন্স পাওয়ায় জুলাই মাসে চুম্বকের চালান আরও বাড়তে পারে। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে চীনের বিরল মৃত্তিকা চুম্বকের রপ্তানি বছরে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ২২ হাজার ৩১৯ টনে দাঁড়িয়েছে।

চীন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিরল মৃত্তিকা চুম্বকের রপ্তানি এক মাসে আগের মাসের তুলনায় ৭ গুণ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি হওয়ার পর এই প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ রোববার চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিরল মৃত্তিকা রপ্তানি জুনে মে মাসের স্তরের ৭ গুণেরও বেশি বেড়েছে। চীন-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির পর বৈদ্যুতিক যান এবং এয়ার টারবাইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের প্রবাহে এটি বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি।
চীন জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম বিরল মৃত্তিকা চুম্বক উৎপাদনকারী দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বহির্গামী চালান জুনে ৩৫৩ মেট্রিক টনে পৌঁছেছে, যা মে মাসের তুলনায় ৬৬০ শতাংশ বেশি।
এর আগে, গত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র বিরল মৃত্তিকা খনিজ এবং চুম্বকের চালান সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য চুক্তি করে। চুক্তির অংশ হিসেবে চিপ প্রস্তুতকারক এনভিডিয়া চীনে তার এইচ ২০ এআই চিপ বিক্রি পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা করেছে।
চীন বিশ্বব্যাপী বিরল মৃত্তিকা চুম্বকের ৯০ শতাংশের বেশি একা সরবরাহ করে। দেশটি এপ্রিলের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কের প্রতিশোধ হিসেবে বেশ কয়েকটি বিরল মৃত্তিকা পণ্য রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তালিকায় যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
ফলে, রপ্তানি লাইসেন্স পেতে দীর্ঘ সময় লাগার কারণে এপ্রিল ও মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা এই পণ্যের চালানে ব্যাপক পতন ঘটে, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলকে ব্যাহত করে এবং চীনের বাইরের কিছু গাড়ি নির্মাতাকে বিরল মৃত্তিকার অভাবে আংশিক উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়।
গত মাসে চীন বিশ্বব্যাপী ৩ হাজার ১৮৮ টন বিরল মৃত্তিকা স্থায়ী চুম্বক রপ্তানি করেছে, যা মে মাসের ১ হাজার ২৩৮ টনের তুলনায় থেকে ১৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। যদিও জুনের পরিমাণ এখনো ২০২৪ সালের একই মাসের তুলনায় ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ কম।
বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, জুনে আরও বেশি রপ্তানিকারক লাইসেন্স পাওয়ায় জুলাই মাসে চুম্বকের চালান আরও বাড়তে পারে। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে চীনের বিরল মৃত্তিকা চুম্বকের রপ্তানি বছরে ১৮ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ২২ হাজার ৩১৯ টনে দাঁড়িয়েছে।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৪ ঘণ্টা আগে