কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের শেয়ারবাজারে আজ বৃহস্পতিবার সকালেই পড়ল বড় ধাক্কা। যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর নতুন করে ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর পর মোট শুল্কের হার দাঁড়াল ৫০ শতাংশে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার ‘সাজা’ হিসেবে ভারতের ওপর এই শুল্ক আরোপ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রভাব সরাসরি শেয়ার বাজারে পড়েছে। দিনের শুরুতেই বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সেনসেক্স সূচক ৫০৮ পয়েন্ট নেমে আসে ৮০ হাজার ২৭৮ পয়েন্টে। অন্যদিকে, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি সূচক পড়ে যায় ১৫৭ পয়েন্ট, যা গিয়ে ঠেকে ২৪ হাজার ৫৫৪–এ।
বাজারে পতনের মধ্যে হেভিওয়েট কোম্পানিগুলোর শেয়ার সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়ে। এই তালিকায় রয়েছে—এইচসিএল টেক, এইচডিএফসি ব্যাংক, পাওয়ার গ্রিড, সান ফার্মা, এনটিপিসি ও ভারত ইলেকট্রনিকস। অন্যদিকে, এটার্নাল, এশিয়ান পেইন্টস, টাইটান, মারুতি ও লার্সেন অ্যান্ড টুবরোর শেয়ারদরে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তবে সার্বিক বাজারে আতঙ্কই ছড়িয়ে পড়ে।
শেয়ার বাজারের বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই শুল্কের কারণে ভারতের রপ্তানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে। টেক্সটাইল, গয়না, চামড়াজাত পণ্য, কৃষিজাত এবং যন্ত্রাংশ রপ্তানি সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই খাতগুলো মিলিয়ে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে চলতি অর্থবছরে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, রপ্তানির বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে চাকরির বাজারেও চাপ তৈরি হতে পারে।
যদিও ভারত সরকার বিষয়টিকে সাময়িক সমস্যা হিসেবে দেখছে। দিল্লি জানিয়েছে, শুল্ক জটিলতা অস্থায়ী এবং খুব শিগগিরই কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। পাশাপাশি সরকার রপ্তানিকারকদের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এবং বিকল্প বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও ইউরোপের সঙ্গে নতুন বাজার খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির ধাক্কা সামাল দিতে ভারতের জন্য রপ্তানি বৈচিত্র্য করাই এখন সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ।
এদিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছেন। গত মঙ্গলবার বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৬ হাজার ৫১৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। তবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সেই ঘাটতি পূরণ করতে এগিয়ে এসেছে। তাঁরা প্রায় ৭ হাজার ৬০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। এর ফলে বাজারে ভারসাম্য কিছুটা বজায় থাকলেও সামগ্রিক প্রবণতা নেতিবাচক।
বিশ্লেষকেরা আরও বলছেন, উচ্চ শুল্কের ধাক্কার চেয়েও বড় সমস্যা হচ্ছে বাজারের অতিমূল্যায়ন এবং কোম্পানিগুলোর দুর্বল আয় বৃদ্ধির হার। এই দুই সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চাপ। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহে ভারতীয় বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহই বাজারকে টিকিয়ে রাখার প্রধান শক্তি হতে পারে।

ভারতের শেয়ারবাজারে আজ বৃহস্পতিবার সকালেই পড়ল বড় ধাক্কা। যুক্তরাষ্ট্র ভারতীয় পণ্যের ওপর নতুন করে ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর পর মোট শুল্কের হার দাঁড়াল ৫০ শতাংশে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার ‘সাজা’ হিসেবে ভারতের ওপর এই শুল্ক আরোপ করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর প্রভাব সরাসরি শেয়ার বাজারে পড়েছে। দিনের শুরুতেই বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সেনসেক্স সূচক ৫০৮ পয়েন্ট নেমে আসে ৮০ হাজার ২৭৮ পয়েন্টে। অন্যদিকে, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের নিফটি সূচক পড়ে যায় ১৫৭ পয়েন্ট, যা গিয়ে ঠেকে ২৪ হাজার ৫৫৪–এ।
বাজারে পতনের মধ্যে হেভিওয়েট কোম্পানিগুলোর শেয়ার সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়ে। এই তালিকায় রয়েছে—এইচসিএল টেক, এইচডিএফসি ব্যাংক, পাওয়ার গ্রিড, সান ফার্মা, এনটিপিসি ও ভারত ইলেকট্রনিকস। অন্যদিকে, এটার্নাল, এশিয়ান পেইন্টস, টাইটান, মারুতি ও লার্সেন অ্যান্ড টুবরোর শেয়ারদরে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তবে সার্বিক বাজারে আতঙ্কই ছড়িয়ে পড়ে।
শেয়ার বাজারের বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই শুল্কের কারণে ভারতের রপ্তানি খাত বড় ধরনের ধাক্কা খেতে পারে। টেক্সটাইল, গয়না, চামড়াজাত পণ্য, কৃষিজাত এবং যন্ত্রাংশ রপ্তানি সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই খাতগুলো মিলিয়ে প্রায় ৩৭ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হতে পারে চলতি অর্থবছরে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, রপ্তানির বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আস্থা কমে যাবে এবং দীর্ঘমেয়াদে চাকরির বাজারেও চাপ তৈরি হতে পারে।
যদিও ভারত সরকার বিষয়টিকে সাময়িক সমস্যা হিসেবে দেখছে। দিল্লি জানিয়েছে, শুল্ক জটিলতা অস্থায়ী এবং খুব শিগগিরই কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। পাশাপাশি সরকার রপ্তানিকারকদের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার এবং বিকল্প বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকা ও ইউরোপের সঙ্গে নতুন বাজার খোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির ধাক্কা সামাল দিতে ভারতের জন্য রপ্তানি বৈচিত্র্য করাই এখন সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ।
এদিকে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজার থেকে বিনিয়োগ তুলে নিচ্ছেন। গত মঙ্গলবার বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৬ হাজার ৫১৬ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। তবে দেশীয় প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা সেই ঘাটতি পূরণ করতে এগিয়ে এসেছে। তাঁরা প্রায় ৭ হাজার ৬০ কোটি টাকার শেয়ার কিনেছেন। এর ফলে বাজারে ভারসাম্য কিছুটা বজায় থাকলেও সামগ্রিক প্রবণতা নেতিবাচক।
বিশ্লেষকেরা আরও বলছেন, উচ্চ শুল্কের ধাক্কার চেয়েও বড় সমস্যা হচ্ছে বাজারের অতিমূল্যায়ন এবং কোম্পানিগুলোর দুর্বল আয় বৃদ্ধির হার। এই দুই সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক চাপ। ফলে আগামী কয়েক সপ্তাহে ভারতীয় বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে দেশীয় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহই বাজারকে টিকিয়ে রাখার প্রধান শক্তি হতে পারে।

ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
১৩ মিনিট আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৪ ঘণ্টা আগে
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে