কলকাতা প্রতিনিধি

ভারত ও চীনের সম্পর্কে এতদিন ছিল উত্তেজনা, সন্দেহ আর সংঘর্ষের রেশ। সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্কের পারদ নেমে গিয়েছিল তলানিতে। রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ বাজারে ছড়িয়ে পড়েছিল চীনা পণ্যের বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ চিত্র যেন পাল্টাচ্ছে। চীনের তিয়ানজিন শহরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকের পর পরিস্থিতি বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই বৈঠকের পর ভারতীয় কোম্পানিগুলো চীনা সংস্থার সঙ্গে আবারও হাত মেলাতে আগ্রহী হয়ে উঠছে, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতের বৈদ্যুতিক সামগ্রী উৎপাদনে।
প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে ডিক্সন টেকনোলজিস। প্রতিষ্ঠানটি চীনের লংচিইরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কম্পিউটার তৈরি হবে। সরকারের তরফেও মিলেছে সবুজ সংকেত।
এর পাশাপাশি তেলেঙ্গানায় রিসল্যুট গ্রুপ চীনের সিক্সইউনাইটেড গ্রুপের সঙ্গে পিসি, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট তৈরির কারখানা গড়ার ঘোষণা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মেলাতেও এই চুক্তি প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে শুধু এক বা দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দুই দেশের শিল্প সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাচ্ছে।
তবে সমালোচনার সুরও আছে। বিরোধী নেতারা বলছেন, চীনা বিনিয়োগ ফিরলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কর্মসংস্থানে চাপ পড়তে পারে। কিন্তু শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীন ছাড়া বৈশ্বিক ইলেকট্রনিকস সরবরাহ চেইন তৈরি করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এখনো চীনে তৈরি হয়। ফলে বাস্তবতা মেনে চলাই এখন ভারতের জন্য বাধ্যতামূলক।

ভারত ও চীনের সম্পর্কে এতদিন ছিল উত্তেজনা, সন্দেহ আর সংঘর্ষের রেশ। সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর দুই দেশের সম্পর্কের পারদ নেমে গিয়েছিল তলানিতে। রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ বাজারে ছড়িয়ে পড়েছিল চীনা পণ্যের বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ চিত্র যেন পাল্টাচ্ছে। চীনের তিয়ানজিন শহরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈঠকের পর পরিস্থিতি বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই বৈঠকের পর ভারতীয় কোম্পানিগুলো চীনা সংস্থার সঙ্গে আবারও হাত মেলাতে আগ্রহী হয়ে উঠছে, বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতের বৈদ্যুতিক সামগ্রী উৎপাদনে।
প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে ডিক্সন টেকনোলজিস। প্রতিষ্ঠানটি চীনের লংচিইরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ শুরু করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কম্পিউটার তৈরি হবে। সরকারের তরফেও মিলেছে সবুজ সংকেত।
এর পাশাপাশি তেলেঙ্গানায় রিসল্যুট গ্রুপ চীনের সিক্সইউনাইটেড গ্রুপের সঙ্গে পিসি, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট তৈরির কারখানা গড়ার ঘোষণা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মেলাতেও এই চুক্তি প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে শুধু এক বা দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দুই দেশের শিল্প সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাচ্ছে।
তবে সমালোচনার সুরও আছে। বিরোধী নেতারা বলছেন, চীনা বিনিয়োগ ফিরলে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, কর্মসংস্থানে চাপ পড়তে পারে। কিন্তু শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীন ছাড়া বৈশ্বিক ইলেকট্রনিকস সরবরাহ চেইন তৈরি করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এখনো চীনে তৈরি হয়। ফলে বাস্তবতা মেনে চলাই এখন ভারতের জন্য বাধ্যতামূলক।

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
২ ঘণ্টা আগে