
রীদা কাজ করেন বেঁচে থাকার প্রয়োজনীয় দুটি বিষয়—খাদ্য ও পোশাক নিয়ে। এর শুরুর গল্পটা জানতে চাইলে বললেন, ‘পেশায় পুষ্টিবিদ হিসেবে কাজ করছি ২০১২ সাল থেকে। স্বাস্থ্য নিয়ে আমি একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে এক বছর কাজ করেছি। আমার কাজ ছিল খাদ্যের বিষয়ে কাউন্সেলিং করা, সময় দিয়ে সবাইকে খাবারের

নিশাতের ব্যবসার শুরুতে ছিল না বিশাল কোনো পুঁজি। নিজের সামান্য সঞ্চয় মাত্র ১৫০০ টাকা দিয়ে শুরু করেন কাজ। একটা শাড়ি বানিয়ে সেটা বিক্রি করেন। আবার সেই টাকা দিয়ে শুরু করেন আরেকটা নতুন কাজ। এখন সেই ব্যবসার পরিসর বেড়েছে। দিয়েছেন কারখানা, যেখানে কাজ করছেন ১৬ জন কর্মী।

করোনা অনেকের জীবনের মতো তাহমিনার জীবনেও সংকট হিসেবেই এসেছিল। কিন্তু তাহমিনা হচ্ছেন সেই প্রাণময় ব্যক্তিদের একজন, যিনি সংকটকেই সম্ভাবনায় রূপান্তরিত করেছেন। জন্ম দিয়েছেন মিনার ক্ষেতখামারের। নামটি শুনলেই সবার হয়তো মিনা কার্টুনের কথা মনে পড়বে। কিন্তু তা নয়।

আইন বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী শারমিন নাহার নীতি। মাসে ছাতু বিক্রি করে ২৫ থেকে ৩০ হাজা টাকা আয় করেন তিনি। দেড় বছর আগে ২ হাজার টাকার খরচ করে ছাতু বানিয়ে তাঁর এ উদ্যোগের শুরু।