নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে ১০৭ কোটি টাকা। অবশ্য দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ঘটেছে উল্টোটা। সিএসইতে মূল্যসূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
পুঁজিবাজার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় চার পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ২০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে প্রধান মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে বেড়েছে অপর দুই সূচক। বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ২৫৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে এক হাজার ৫৯৯ কোটি ২১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৪৯১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ১০৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
সোমবার ডিএসইতে লেনদেনকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম কমেছে ১৮৬ টির, বেড়েছে ১৫৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৭ টির দাম।
টাকার অংকে ডিএসইতে শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে–বেক্সিমকো, পাওয়ার গ্রিড, বিডি ফাইন্যান্স, সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, কাট্টালী টেক্সটাইল, বেক্সিমকো ফার্মা, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স এবং কেয়া কসমেটিকস।
সোমবার দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬২ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। সোমবার লেনদেনকৃত ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৪৭ টির, বেড়েছে ১৩০ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

দেশের পুঁজিবাজারে মূল্যসূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস সোমবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক কমলেও লেনদেন বেড়েছে ১০৭ কোটি টাকা। অবশ্য দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ঘটেছে উল্টোটা। সিএসইতে মূল্যসূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
পুঁজিবাজার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় চার পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ২০৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে প্রধান মূল্যসূচক কমলেও ডিএসইতে বেড়েছে অপর দুই সূচক। বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ২৫৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসইর শরিয়াহ্ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
ডিএসইতে এক হাজার ৫৯৯ কোটি ২১ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৪৯১ কোটি ৯১ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে ১০৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
সোমবার ডিএসইতে লেনদেনকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম কমেছে ১৮৬ টির, বেড়েছে ১৫৯ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৭ টির দাম।
টাকার অংকে ডিএসইতে শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে–বেক্সিমকো, পাওয়ার গ্রিড, বিডি ফাইন্যান্স, সোনালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, কাট্টালী টেক্সটাইল, বেক্সিমকো ফার্মা, আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স এবং কেয়া কসমেটিকস।
সোমবার দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ৪০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬২ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৪ কোটি ৫ লাখ টাকা। সোমবার লেনদেনকৃত ৩০৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম কমেছে ১৪৭ টির, বেড়েছে ১৩০ টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
১ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গত বছর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা পাল্টা শুল্কের বাড়তি বোঝা শুধু মার্কিন অর্থনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যেও বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। শুল্কের চাপে যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তৈরি পোশাকের ব্র্যান্ড ক্রেতারা আমদানি কমিয়েছেন ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে