আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চট্টগ্রামবাসীর জন্য দ্রুত স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি)।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানের উপস্থিতিতে ১৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই পার্টনারশিপের আওতায় যৌথভাবে বিভিন্ন স্মার্ট সিটি সেবার পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করবে গ্রামীণফোন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন; যা বাড়াবে দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরসেবা উন্নত করতে, স্বচ্ছতা বাড়াতে এবং নাগরিকদের জন্য আরও সুবিধা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে এই পার্টনারশিপ। গ্রামীণফোনের সঙ্গে দেশে স্মার্ট সিটি সল্যুশনের একটি মানদণ্ড স্থাপন করতে চাই আমরা। আমাদের অগ্রাধিকার হলো নাগরিকেরা যেন দ্রুততর, সহজতর এবং আরও নির্ভরযোগ্য সেবা উপভোগ করতে পারেন, যা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনমানকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।’
ইয়াসির আজমান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, শহরগুলো যেভাবে তাদের নাগরিকদের সেবা দেয়, তা বদলে দিতে পারে ডিজিটাল উদ্ভাবন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে এই সহযোগিতা একটি স্মার্ট এবং আরও সংযুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংযোগ ও প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমরা এমন একটি শহর গড়ার কথা ভাবছি, যেখানে নাগরিকেরা আরও স্বাস্থ্যকর, সুখী ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারবেন। অন্যদিকে সূচনা হবে দেশে স্মার্ট সিটি অগ্রযাত্রার।’
এই সহযোগিতার মধ্য দিয়ে গ্রামীণফোন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একটি ভবিষ্যৎ-উপযোগী চট্টগ্রামের ভিত্তি স্থাপন করছে, যেখানে প্রযুক্তি মানুষের জীবনমান উন্নত করবে, দক্ষতা বাড়াবে এবং নিশ্চিত করবে সুশাসন।

চট্টগ্রামবাসীর জন্য দ্রুত স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি)।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানের উপস্থিতিতে ১৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই পার্টনারশিপের আওতায় যৌথভাবে বিভিন্ন স্মার্ট সিটি সেবার পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করবে গ্রামীণফোন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন; যা বাড়াবে দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র বলেন, ‘আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহরসেবা উন্নত করতে, স্বচ্ছতা বাড়াতে এবং নাগরিকদের জন্য আরও সুবিধা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে এই পার্টনারশিপ। গ্রামীণফোনের সঙ্গে দেশে স্মার্ট সিটি সল্যুশনের একটি মানদণ্ড স্থাপন করতে চাই আমরা। আমাদের অগ্রাধিকার হলো নাগরিকেরা যেন দ্রুততর, সহজতর এবং আরও নির্ভরযোগ্য সেবা উপভোগ করতে পারেন, যা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনমানকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।’
ইয়াসির আজমান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, শহরগুলো যেভাবে তাদের নাগরিকদের সেবা দেয়, তা বদলে দিতে পারে ডিজিটাল উদ্ভাবন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে এই সহযোগিতা একটি স্মার্ট এবং আরও সংযুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংযোগ ও প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আমরা এমন একটি শহর গড়ার কথা ভাবছি, যেখানে নাগরিকেরা আরও স্বাস্থ্যকর, সুখী ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারবেন। অন্যদিকে সূচনা হবে দেশে স্মার্ট সিটি অগ্রযাত্রার।’
এই সহযোগিতার মধ্য দিয়ে গ্রামীণফোন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একটি ভবিষ্যৎ-উপযোগী চট্টগ্রামের ভিত্তি স্থাপন করছে, যেখানে প্রযুক্তি মানুষের জীবনমান উন্নত করবে, দক্ষতা বাড়াবে এবং নিশ্চিত করবে সুশাসন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপদেষ্টা বলেন, পানগাঁও টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হলে অভ্যন্তরীণ নৌপথে কনটেইনার পরিবহন বাড়বে এবং দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিন লোকসানে থাকা এই টার্মিনালকে দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লাভজনক করাই সরকারের লক্ষ্য।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের এই সিদ্ধান্ত দেশটির গণমাধ্যমে খুব একটা আলোচিত হয়নি। তবে অনেকের মতে, এটি ট্রাম্প প্রশাসনের আগের আরোপ করা ৫০ শতাংশ (শাস্তিমূলক) শুল্কের নীরব জবাব। এই পরিস্থিতি দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের খনি শিল্পে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী সাফল্যের ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় খনি কোম্পানি ‘মাআদেন’। দেশের চারটি কৌশলগত স্থানে নতুন করে প্রায় ৭৮ লাখ আউন্স (২ লাখ ২১ হাজার কেজির বেশি) স্বর্ণের মজুত খুঁজে পাওয়া গেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
‘আমরা বিশ্বকে সেভাবেই গ্রহণ করি, যেভাবে বর্তমানে আছে; আমাদের ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নয়।’ —কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই একটি বাক্যই এখন দেশটির নতুন পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র। গত শুক্রবার বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পাদিত ঐতিহাসিক বাণিজ্য...
৯ ঘণ্টা আগে