
টানা চতুর্থবার ভোক্তা জরিপে দেশের সেরা ব্র্যান্ড নির্বাচিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। ২০১৯ থেকে ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম (বিবিএফ) আয়োজিত ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’-এ ১১০টি দেশীয় ও বহুজাতিক ব্র্যান্ড থেকে মনোনীত শীর্ষ ১৫ টির মধ্যে ‘বেস্ট ব্র্যান্ড’ নির্বাচিত হয়েছে বিকাশ। পরপর চার বছর সম্মানজনক এই স্বীকৃতির পাশাপাশি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ক্যাটাগরিতেও টানা ষষ্ঠ বারের মত ‘মোস্ট লাভড ব্র্যান্ড’ নির্বাচিত হয়েছে বিকাশ।
মাত্র এগারো বছরের যাত্রায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে লেনদেনে স্বাধীনতা ও সক্ষমতা এনে দিয়ে বিকাশ যেভাবে দেশের সব শ্রেণীর মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে, সেই অবদানের স্বীকৃতি এই পুরস্কার। এবারের আয়োজনে ৩৮টি ক্যাটাগরির শীর্ষ ১১০টি ব্র্যান্ডের মধ্যে ১৫টি ব্র্যান্ড ‘ওভারঅল টপ ব্র্যান্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়, যেখানে বিকাশ প্রথম স্থান অধিকার করে দেশের সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে নির্বাচিত হয়।
২৪ ডিসেম্বর শনিবার বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে রাজধানীর লা মেরিডিয়েন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’-এর ১৪ তম সংস্করণ। বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন আই কিউ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী দি ডেইলি স্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার ফেরদৌস ইউসুফ, চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার মাহফুজ সাদিক, হেড অব ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট আহম্মেদ আশিক হোসেন এবং হেড অব ব্র্যান্ড আশরাফ-উল-বারী।
ভোক্তা সন্তুষ্টি অর্জনে ব্র্যান্ডগুলোকে আরও অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম গত প্রায় দেড় যুগ ধরে ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ আয়োজন করে আসছে। দেশজুড়ে ৮ বিভাগ থেকে এবারই সবচেয়ে বেশী, ১০ হাজার ভোক্তার ওপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে সেরা ব্র্যান্ড বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। নিয়েলসেনের বিশ্বমানের জরিপ পদ্ধতি ‘উইনিং ব্র্যান্ডস’ অনুসারে দেশজুড়ে পরিচালিত হয় এই জরিপ।

টানা চতুর্থবার ভোক্তা জরিপে দেশের সেরা ব্র্যান্ড নির্বাচিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। ২০১৯ থেকে ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম (বিবিএফ) আয়োজিত ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’-এ ১১০টি দেশীয় ও বহুজাতিক ব্র্যান্ড থেকে মনোনীত শীর্ষ ১৫ টির মধ্যে ‘বেস্ট ব্র্যান্ড’ নির্বাচিত হয়েছে বিকাশ। পরপর চার বছর সম্মানজনক এই স্বীকৃতির পাশাপাশি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ক্যাটাগরিতেও টানা ষষ্ঠ বারের মত ‘মোস্ট লাভড ব্র্যান্ড’ নির্বাচিত হয়েছে বিকাশ।
মাত্র এগারো বছরের যাত্রায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে লেনদেনে স্বাধীনতা ও সক্ষমতা এনে দিয়ে বিকাশ যেভাবে দেশের সব শ্রেণীর মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে, সেই অবদানের স্বীকৃতি এই পুরস্কার। এবারের আয়োজনে ৩৮টি ক্যাটাগরির শীর্ষ ১১০টি ব্র্যান্ডের মধ্যে ১৫টি ব্র্যান্ড ‘ওভারঅল টপ ব্র্যান্ড’ পুরস্কারে ভূষিত হয়, যেখানে বিকাশ প্রথম স্থান অধিকার করে দেশের সেরা ব্র্যান্ড হিসেবে নির্বাচিত হয়।
২৪ ডিসেম্বর শনিবার বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের আয়োজনে রাজধানীর লা মেরিডিয়েন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’-এর ১৪ তম সংস্করণ। বিশ্বখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান নিয়েলসেন আই কিউ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী দি ডেইলি স্টারের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হয় সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিকাশের চিফ মার্কেটিং অফিসার মীর নওবত আলী, চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার ফেরদৌস ইউসুফ, চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার মাহফুজ সাদিক, হেড অব ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজ রিস্ক ম্যানেজমেন্ট আহম্মেদ আশিক হোসেন এবং হেড অব ব্র্যান্ড আশরাফ-উল-বারী।
ভোক্তা সন্তুষ্টি অর্জনে ব্র্যান্ডগুলোকে আরও অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম গত প্রায় দেড় যুগ ধরে ‘বেস্ট ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড’ আয়োজন করে আসছে। দেশজুড়ে ৮ বিভাগ থেকে এবারই সবচেয়ে বেশী, ১০ হাজার ভোক্তার ওপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে সেরা ব্র্যান্ড বাছাইয়ের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। নিয়েলসেনের বিশ্বমানের জরিপ পদ্ধতি ‘উইনিং ব্র্যান্ডস’ অনুসারে দেশজুড়ে পরিচালিত হয় এই জরিপ।

পরিবারতন্ত্রের মাধ্যমে দেশ থেকে ২০ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, এসব কারণে ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বেরিয়ে গেছে, যার একটি বড় অংশ সম্ভবত বিদেশে পাচার হয়েছে। সুশাসনের অভাবে দেশের ব্যাংকিং খাত কার্যত ধ্বংস
১১ মিনিট আগে
সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল—রাষ্ট্রায়ত্ত এই ৬ ব্যাংকের ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা আর হিসাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই; যা এই ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের প্রায় অর্ধেক বা ৪৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
১৭ ঘণ্টা আগে
মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ বাস্তবতাই এবার আসন্ন মুদ্রানীতির মূল সুর নির্ধারণ করে দিচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরের পর নভেম্বর ও ডিসেম্বর টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি বাড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক আপাতত নীতি সুদহার কমানোর ঝুঁকিতে যেতে চাইছে না।
১৭ ঘণ্টা আগে
উন্নয়ন বিবেচনায় বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো আঞ্চলিক প্রতিযোগী পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় দুই থেকে তিন বছর বা তারও বেশি সময় পিছিয়ে আছে বলে মনে করছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচন-পরবর্তী ২০২৬ দিগন্ত...
১৭ ঘণ্টা আগে