
জাপানিজ মোটরসাইকেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুজুকি বাজারে এনেছে বহুল প্রতীক্ষিত জিক্সার ২৫০ সিরিজ। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নজরকাড়া কাঠামোর এই মোটরসাইকেল বাংলাদেশে সুজুকির প্রথম ২৫০ সিসি বাইক। মটোজিপি থেকে অনুপ্রাণিত জিক্সার সিরিজের এই মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশের সড়কের অবস্থা ও চালকদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনা নকশা করা হয়েছে।
জিক্সার ২৫০ সিরিজের প্রতিটি মডেলেই রয়েছে সুজুকির বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ছোঁয়া। নতুন স্টাইলিংয়ের ইঞ্জিনে আছে সুজুকি ওয়েল কুলিং সিস্টেম (এসওসিএস), সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ও চারটি ভাল্ভ। সুজুকি ওয়েল কুলিং সিস্টেম যেকোনো সাধারণ রেডিয়েটরভিত্তিক লিকুইড কুলিং সিস্টেম থেকে ভিন্ন, যেখানে ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করেই ইঞ্জিনের ভেতর থেকে তাপ অপসারণ হবে। এই পদ্ধতিতে ইঞ্জিন ওয়েল কয়েল বা ওয়েল কুলার এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। কয়েলের চারপাশে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার ফলে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। এই প্রযুক্তি জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, ফলে ইঞ্জিন ও ট্রান্সমিশন হয় আরও টেকসই। নগরীর অনিয়ন্ত্রিত ট্র্যাফিক কিংবা হাইওয়ের দীর্ঘ ভ্রমণে সুজুকি জিক্সার ২৫০ রাইডারদের একটি আরামদায়ক অভিজ্ঞতা দেবে বলে আশা করছে নির্মাতারা।
ঝামেলাহীন গিয়ার পরিবর্তন এবং সর্বোচ্চ পাওয়ার ডেলিভারি নিশ্চিত করতে নতুন বাইকগুলোতে ৬ স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, কম ওজনের চেসিস হওয়ায় রাইডিংয়ের সময় বাইকগুলো সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এর হাই পারফরম্যান্স, স্পিড ও স্ট্যাবিলিটি দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি উইকেন্ড ট্যুর বা লম্বা রোড ট্রিপে রাইডারদের দেবে বাড়তি কমফোর্ট ও কনফিডেন্স।
এত কিছুর পাশাপাশি সুজুকি রাইডারদের নিরাপত্তার বিষয়ে যথেষ্ট খেয়াল রেখেছে। সুজুকি জিক্সার ২৫০ সিরিজের প্রতিটি মডেলে রয়েছে ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস, যা যেকোনো রোড কন্ডিশনে হাই স্পিডেও দুর্দান্ত ব্রেকিং পারফরম্যান্স ও ব্যালেন্স নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের অবস্থা বিবেচনায় নতুন বাইকগুলো ভীষণ উপযোগী এবং যেকোনো উঁচু-নিচু, পিচ্ছিল বা ভাঙা রাস্তায় ইমার্জেন্সি ব্রেক করলেও বড় কোনো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
জিক্সার ২৫০ সিরিজের আকর্ষণীয় ডিজাইনের জন্য বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। এই সিরিজটি সুজুকির মটোজিপি থেকে অনুপ্রাণিত এবং এর অ্যারো ডাইনামিক স্টাইলিং ও ডাইনামিক লাইন রাইডারদের আকৃষ্ট করবে বলে নির্মাতারা আশা করছেন। যারা আধুনিক ও ভিন্নধর্মী স্টাইল পছন্দ করেন তাদের জন্য মটোজিপি এডিশন ও নাইট্রো নিয়ন এডিশন রেস-ইন্সপায়ার্ড লিভারি রয়েছে।
বর্তমানে সুজুকির জিক্সার ২৫০ সেগমেন্টের দুটি মডেল বাজারে এসেছে; জিক্সার ২৫০ ও জিক্সার এসএফ ২৫০। এ ছাড়া, জিক্সার এসএফ ২৫০ মডেলের মটোজিপি ও নাইট্রো নিয়ন এডিশন পাওয়া যাচ্ছে। সুজুকি জিক্সার ২৫০ মাত্র ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫০ টাকায় এবং সুজুকি জিক্সার এসএফ ২৫০ মাত্র ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া, জিক্সার ২৫০ এসএফ মটোজিপি এডিশন ও নাইট্রো নিয়ন এডিশন মাত্র ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫০ টাকায় কেনা যাবে।

জাপানিজ মোটরসাইকেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সুজুকি বাজারে এনেছে বহুল প্রতীক্ষিত জিক্সার ২৫০ সিরিজ। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও নজরকাড়া কাঠামোর এই মোটরসাইকেল বাংলাদেশে সুজুকির প্রথম ২৫০ সিসি বাইক। মটোজিপি থেকে অনুপ্রাণিত জিক্সার সিরিজের এই মোটরসাইকেলগুলো বাংলাদেশের সড়কের অবস্থা ও চালকদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনা নকশা করা হয়েছে।
জিক্সার ২৫০ সিরিজের প্রতিটি মডেলেই রয়েছে সুজুকির বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ছোঁয়া। নতুন স্টাইলিংয়ের ইঞ্জিনে আছে সুজুকি ওয়েল কুলিং সিস্টেম (এসওসিএস), সিঙ্গেল-সিলিন্ডার ও চারটি ভাল্ভ। সুজুকি ওয়েল কুলিং সিস্টেম যেকোনো সাধারণ রেডিয়েটরভিত্তিক লিকুইড কুলিং সিস্টেম থেকে ভিন্ন, যেখানে ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করেই ইঞ্জিনের ভেতর থেকে তাপ অপসারণ হবে। এই পদ্ধতিতে ইঞ্জিন ওয়েল কয়েল বা ওয়েল কুলার এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। কয়েলের চারপাশে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার ফলে তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়। এই প্রযুক্তি জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি ইঞ্জিনের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, ফলে ইঞ্জিন ও ট্রান্সমিশন হয় আরও টেকসই। নগরীর অনিয়ন্ত্রিত ট্র্যাফিক কিংবা হাইওয়ের দীর্ঘ ভ্রমণে সুজুকি জিক্সার ২৫০ রাইডারদের একটি আরামদায়ক অভিজ্ঞতা দেবে বলে আশা করছে নির্মাতারা।
ঝামেলাহীন গিয়ার পরিবর্তন এবং সর্বোচ্চ পাওয়ার ডেলিভারি নিশ্চিত করতে নতুন বাইকগুলোতে ৬ স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, কম ওজনের চেসিস হওয়ায় রাইডিংয়ের সময় বাইকগুলো সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এর হাই পারফরম্যান্স, স্পিড ও স্ট্যাবিলিটি দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি উইকেন্ড ট্যুর বা লম্বা রোড ট্রিপে রাইডারদের দেবে বাড়তি কমফোর্ট ও কনফিডেন্স।
এত কিছুর পাশাপাশি সুজুকি রাইডারদের নিরাপত্তার বিষয়ে যথেষ্ট খেয়াল রেখেছে। সুজুকি জিক্সার ২৫০ সিরিজের প্রতিটি মডেলে রয়েছে ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস, যা যেকোনো রোড কন্ডিশনে হাই স্পিডেও দুর্দান্ত ব্রেকিং পারফরম্যান্স ও ব্যালেন্স নিশ্চিত করবে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের রাস্তাঘাটের অবস্থা বিবেচনায় নতুন বাইকগুলো ভীষণ উপযোগী এবং যেকোনো উঁচু-নিচু, পিচ্ছিল বা ভাঙা রাস্তায় ইমার্জেন্সি ব্রেক করলেও বড় কোনো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।
জিক্সার ২৫০ সিরিজের আকর্ষণীয় ডিজাইনের জন্য বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। এই সিরিজটি সুজুকির মটোজিপি থেকে অনুপ্রাণিত এবং এর অ্যারো ডাইনামিক স্টাইলিং ও ডাইনামিক লাইন রাইডারদের আকৃষ্ট করবে বলে নির্মাতারা আশা করছেন। যারা আধুনিক ও ভিন্নধর্মী স্টাইল পছন্দ করেন তাদের জন্য মটোজিপি এডিশন ও নাইট্রো নিয়ন এডিশন রেস-ইন্সপায়ার্ড লিভারি রয়েছে।
বর্তমানে সুজুকির জিক্সার ২৫০ সেগমেন্টের দুটি মডেল বাজারে এসেছে; জিক্সার ২৫০ ও জিক্সার এসএফ ২৫০। এ ছাড়া, জিক্সার এসএফ ২৫০ মডেলের মটোজিপি ও নাইট্রো নিয়ন এডিশন পাওয়া যাচ্ছে। সুজুকি জিক্সার ২৫০ মাত্র ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৫০ টাকায় এবং সুজুকি জিক্সার এসএফ ২৫০ মাত্র ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া, জিক্সার ২৫০ এসএফ মটোজিপি এডিশন ও নাইট্রো নিয়ন এডিশন মাত্র ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫০ টাকায় কেনা যাবে।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৪ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৪ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১৪ ঘণ্টা আগে
দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১৪ ঘণ্টা আগে