নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স এবং এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর লাগামহীনভাবে বাড়ছে। গত কয়েক দিনে কোম্পানি দুটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। ‘কারসাজির’ মাধ্যমে দর বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিও।
গত বৃহস্পতিবার ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ছিল ৬৩ টাকা। গত ৩০ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৪৮ টাকা। ৬ কর্মদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ টাকা বা ৩১ শতাংশের মতো। তবে গতকাল রোববার শেয়ারদর কমেছে ১ টাকা ৪০ পয়সা।
এদিকে বৃহস্পতিবারে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল ৬৮ টাকা। তার আগে ১৬ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫৩ টাকা। অর্থাৎ ১৫ কর্মদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ টাকা বা ২৮ শতাংশের বেশি। তবে গতকাল দর কমেছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিগুলোকে শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণ জানতে নোটিশ পাঠিয়েছিল। এর জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
শেয়ারদর বাড়ার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানির কর্মকর্তারা জানান, তাঁরা কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা করেন না। শেয়ারদর বাড়ার বিষয়ে কিছুই বলতে পারবেন না।
মাসুম জামান নামের এক বিনিয়োগকারী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে ইস্টার্ন এবং এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজি করে দর বাড়ানো হচ্ছে। তা না হলে কয়েক দিনের মধ্যেই ১৫ টাকা পর্যন্ত দর বাড়ত না।
এ প্রসঙ্গে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্স এবং এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর লাগামহীনভাবে বাড়ছে। গত কয়েক দিনে কোম্পানি দুটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ। ‘কারসাজির’ মাধ্যমে দর বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারী ও বাজারসংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসিও।
গত বৃহস্পতিবার ইস্টার্ন ইনস্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ছিল ৬৩ টাকা। গত ৩০ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৪৮ টাকা। ৬ কর্মদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ টাকা বা ৩১ শতাংশের মতো। তবে গতকাল রোববার শেয়ারদর কমেছে ১ টাকা ৪০ পয়সা।
এদিকে বৃহস্পতিবারে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্সের শেয়ারদর ছিল ৬৮ টাকা। তার আগে ১৬ আগস্ট কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫৩ টাকা। অর্থাৎ ১৫ কর্মদিবসে শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ টাকা বা ২৮ শতাংশের বেশি। তবে গতকাল দর কমেছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কোম্পানিগুলোকে শেয়ারদর অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার কারণ জানতে নোটিশ পাঠিয়েছিল। এর জবাবে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
শেয়ারদর বাড়ার বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানির কর্মকর্তারা জানান, তাঁরা কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা করেন না। শেয়ারদর বাড়ার বিষয়ে কিছুই বলতে পারবেন না।
মাসুম জামান নামের এক বিনিয়োগকারী বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে ইস্টার্ন এবং এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজি করে দর বাড়ানো হচ্ছে। তা না হলে কয়েক দিনের মধ্যেই ১৫ টাকা পর্যন্ত দর বাড়ত না।
এ প্রসঙ্গে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনিয়ম পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪২ মিনিট আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১৫ ঘণ্টা আগে