নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন করে জারি করা পুনঃতফসিল সংক্রান্ত নীতিমালা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংক খাত নিয়ে সমসাময়িক আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন করে জারি করা পুনঃতফসিল সংক্রান্ত নীতিমালা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুন: তফসিলের সিদ্ধান্তটি ব্যাংকের কাছে তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে ব্যাংক খাতকে ছাড় দেওয়া হয়নি। এমনকি ঋণ পুনঃতফসিল-সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা ব্যাংকারদের দায়বদ্ধতা এবং জবাবদিহি বৃদ্ধি করেছে। যদি ব্যাংকগুলোয় সুশাসন এবং দক্ষ জনবল থাকে, তাহলে অবশ্যই সেই ব্যাংক নতুন নির্দেশনার ভালো ফলাফল পাবে।
সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘ঋণ পুনঃতফসিল সব দেশেই হয়। কিন্তু কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি এটা অনুমোদন করে না। এমনটা বিশ্বের কোথাও নেই। ঋণগ্রহীতাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক চেনে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয়। পৃথিবীর কোনো দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল করে না, এটা ব্যাংকারদের কাজ।’
এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগে ঋণ পুনঃতফসিল করতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগত। এখন ঋণ পুনঃতফসিল হবে সর্বোচ্চ সাত দিনে। এতে খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি ভালো হবে।’
ব্যাংকে সুশাসন না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়েও গভর্নর কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। ১০টা সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের তালিকা করে পরিদর্শন ও তদারকি আরও বাড়ানো হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন গভর্নর। আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নজর রাখতে বলেছেন গভর্নর। অনিয়ম হলে সেখানে শূন্য সহনশীলতা দেখানো হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’
এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্ত: ব্যাংক মুদ্রাবাজার সচল, আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন করে জারি করা পুনঃতফসিল সংক্রান্ত নীতিমালা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যাংক খাত নিয়ে সমসাময়িক আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন করে জারি করা পুনঃতফসিল সংক্রান্ত নীতিমালা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুন: তফসিলের সিদ্ধান্তটি ব্যাংকের কাছে তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে ব্যাংক খাতকে ছাড় দেওয়া হয়নি। এমনকি ঋণ পুনঃতফসিল-সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা ব্যাংকারদের দায়বদ্ধতা এবং জবাবদিহি বৃদ্ধি করেছে। যদি ব্যাংকগুলোয় সুশাসন এবং দক্ষ জনবল থাকে, তাহলে অবশ্যই সেই ব্যাংক নতুন নির্দেশনার ভালো ফলাফল পাবে।
সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘ঋণ পুনঃতফসিল সব দেশেই হয়। কিন্তু কোনো দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি এটা অনুমোদন করে না। এমনটা বিশ্বের কোথাও নেই। ঋণগ্রহীতাদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক চেনে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নয়। পৃথিবীর কোনো দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল করে না, এটা ব্যাংকারদের কাজ।’
এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগে ঋণ পুনঃতফসিল করতে তিন থেকে চার মাস সময় লাগত। এখন ঋণ পুনঃতফসিল হবে সর্বোচ্চ সাত দিনে। এতে খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি ভালো হবে।’
ব্যাংকে সুশাসন না থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়েও গভর্নর কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। ১০টা সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের তালিকা করে পরিদর্শন ও তদারকি আরও বাড়ানো হবে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন গভর্নর। আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নজর রাখতে বলেছেন গভর্নর। অনিয়ম হলে সেখানে শূন্য সহনশীলতা দেখানো হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’
এবিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আন্ত: ব্যাংক মুদ্রাবাজার সচল, আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে।’

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
২ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
২ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
২ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৫ ঘণ্টা আগে