আজকের পত্রিকা ডেস্ক

চীন ছাড়া অন্য সব দেশের জন্য পাল্টা শুল্ক ৯০ দিনের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি চীনের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ট্রাম্প তাঁর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি ৯০ দিনের জন্য বাড়তি শুল্ক স্থগিত ঘোষণা করছি এবং এই সময়ের জন্য সর্বজনীন শুল্ক ১০ শতাংশে নামানো হয়েছে। এটি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘চীন বিশ্ববাজারের প্রতি যে অশ্রদ্ধা দেখিয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় আমরা এখন চীনের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছি।’
এ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন তাঁর প্রেসিডেন্সির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ ট্রুথ পোস্টটি লিখছিলেন, তখন আমি এবং স্কট বেসেন্ট তাঁর পাশে বসে ছিলাম। বৈশ্বিক বাণিজ্য সংস্কারে বিশ্ব ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু চীন বেছে নিয়েছে উল্টো পথ। তাই তাদের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রোজ গার্ডেনে বিশ্বব্যাপী আমদানি পণ্যের ওপর ‘রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এরপরই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। চীনের বাইরে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশ। এগুলোর মধ্যে ভিয়েতনামে ৪৬ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ায় ৪৯ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপিত হয়েছে, যা এই অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া থাইল্যান্ডে ৩৬ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ায় ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ২৪ শতাংশ, ফিলিপাইনে ১৭ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরে ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ ওপরও আরোপ করা হয় ৩৭ শতাংশ বাড়তি শুল্ক।

চীন ছাড়া অন্য সব দেশের জন্য পাল্টা শুল্ক ৯০ দিনের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি চীনের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১২৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ট্রাম্প তাঁর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি ৯০ দিনের জন্য বাড়তি শুল্ক স্থগিত ঘোষণা করছি এবং এই সময়ের জন্য সর্বজনীন শুল্ক ১০ শতাংশে নামানো হয়েছে। এটি সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘চীন বিশ্ববাজারের প্রতি যে অশ্রদ্ধা দেখিয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় আমরা এখন চীনের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছি।’
এ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসনের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে লিখেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন তাঁর প্রেসিডেন্সির অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ ট্রুথ পোস্টটি লিখছিলেন, তখন আমি এবং স্কট বেসেন্ট তাঁর পাশে বসে ছিলাম। বৈশ্বিক বাণিজ্য সংস্কারে বিশ্ব ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। কিন্তু চীন বেছে নিয়েছে উল্টো পথ। তাই তাদের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত বুধবার রোজ গার্ডেনে বিশ্বব্যাপী আমদানি পণ্যের ওপর ‘রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণা করেন ট্রাম্প। এরপরই বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে। চীনের বাইরে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কিছু দেশ। এগুলোর মধ্যে ভিয়েতনামে ৪৬ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ায় ৪৯ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপিত হয়েছে, যা এই অঞ্চলের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া থাইল্যান্ডে ৩৬ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ায় ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ায় ২৪ শতাংশ, ফিলিপাইনে ১৭ শতাংশ এবং সিঙ্গাপুরে ১০ শতাংশ বাড়তি শুল্ক নির্ধারণ করা হয়। বাংলাদেশ ওপরও আরোপ করা হয় ৩৭ শতাংশ বাড়তি শুল্ক।

শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংককে একীভূত করে গঠিত সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংকের লেনদেন শুরুর প্রথম দুই দিনে আমানতকারীরা ১০৭ কোটি টাকার বেশি উত্তোলন করেছেন। সবচেয়ে বেশি আমানত তুলেছেন এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকেরা।
১ ঘণ্টা আগে
সদ্যবিদায়ী বছরের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় পর্যায়ে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৪৯ শতাংশে উঠেছে। আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর আর্থিক স্বাস্থ্যচিত্র এখন শুধু দুর্বল তকমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এদের ব্যবসার ধারাবাহিকতা এবং ভবিষ্যৎ টিকে থাকা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। কোম্পানির সঙ্গে সরকারি ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) মেয়াদ শেষ ও নতুন চুক্তির অনিশ্চয়তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ
১৮ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড স্পর্শ করলেও বিশ্ববাজারে ধাক্কা খেয়েছে দেশের রপ্তানি খাত। বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা, মার্কিন শুল্ক, ঊর্ধ্বমুখী উৎপাদন ব্যয় এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর চাপ বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আয় ১৪ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের রপ্তানি আয়ের সার্বিক
১৮ ঘণ্টা আগে