
রাজস্ব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। এবার ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ ব্যয় বাড়িয়ে বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা হতে পারে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন। বাজেট বক্তৃতায় করছাড় বাবদ অন্তত ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির হিসাব তুলে ধরে করছাড় কমানোর পরিকল্পনা জানাবেন অর্থমন্ত্রী।
বাজেট বক্তৃতায় রাজস্ব খাত নিয়ে বেশ কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন অর্থমন্ত্রী। এগুলোর মধ্যে আয়কর খাতে নতুন করস্তর ঘোষণার সম্ভাবনা আছে। সব রিটার্ন স্বনির্ধারণী ব্যবস্থায় দাখিলের ঘোষণার পাশাপাশি এনবিআরকে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বৃদ্ধির ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে নতুন বাজেটে।
নতুন বাজেট ঘিরে শুল্ক খাত নিয়ে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে দেশীয় শিল্প ও দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যকে সুরক্ষা প্রদানের চেষ্টা আছে। শুল্ক হার হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে অনেক পণ্যের দামে প্রভাব পড়তে পারে। এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াটার পিউরিফায়ার (পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র), মোটরসাইকেল, এটিএম, সিসি ক্যামেরা, জেনারেটর, এলইডি লাইটের শুল্কহার বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে বাজেটে। অন্যদিকে ল্যাপটপ, কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার, আমদানি করা প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধ, কৃত্রিম আঁশের কার্পেট, চকলেট, চিলারসহ বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব থাকতে পারে।
যেসব খাতে করহার বাড়তে-কমতে পারে
* বছরে ২০ লাখ টাকার বেশি আয় করেন, এমন স্বাভাবিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরর কর ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ নির্ধারণ হতে পারে। তবে ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকায় অপরিবর্তিত থাকছে।
* পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কিছু কোম্পানির জন্য সুখবর থাকতে পারে। শর্তসাপেক্ষে এদের করপোরেট কর সাড়ে ২২ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে।
* যেকোনো সমিতি, ট্রাস্ট, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সুদের ওপর কর ৫ শতাংশ বেড়ে ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ হতে পারে। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুদের আয়ে করহার ১০ শতাংশ অব্যাহত থাকছে।
* বাজেটে ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ডালসহ বিভিন্ন মসলা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলায় উৎসে কর কমানো হতে পারে। এতে আমদানি খরচ কমে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।
* অনেক সমালোচনার পরেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রেখে দিচ্ছে সরকার। আগে এই সুযোগ শুধু ব্যক্তিতে সীমাবদ্ধ ছিল। এবার ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে প্রতিষ্ঠানও কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ পাচ্ছে।
* সব কার্যক্রম ক্যাশলেস বা নগদ অর্থের বিনিময় ছাড়া সম্পন্ন করতে পারলে আইসিটির সঙ্গে জড়িত ১৩টি খাতকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য করছাড় দেওয়ার ঘোষণা থাকছে।
* জনস্বার্থের ক্ষতি বিবেচনায় মিষ্টি পানীয়ের টার্নওভার কর শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকবে।
* এতিমখানা বা আশ্রমের কেনা গাড়ির অগ্রিম কর, উত্তরাধিকার, উইল, অছিয়তের সম্পদ করছাড় সুবিধা পাবে। এনজিও ব্যুরোর অনুমোদিত যেকোনো ব্যক্তির দানও করমুক্ত থাকবে।
যেসব খাতে শুল্কহার বাড়তে-কমতে পারে
* মেড ইন বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্লোগান সামনে রেখে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হতে পারে—এমপিদের গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট বা মূসক আরোপ। সে ক্ষেত্রে এমপিদের গাড়ি আমদানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক-করের খরচ বাড়ছে।
* দেশে বাদাম উৎপানকে সুরক্ষা দিতে কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।
* ওষুধশিল্পের কাঁচামালে রেয়াতি শুল্ক সুবিধা অব্যাহত রাখা হবে। ডেঙ্গুর কিট আমদানিতে নতুন করে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে। কিডনি ডায়ালাইসিসের ফিল্টার ও সার্কিট আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে নামতে পারে।
* রেফারেল হাসপাতাল নামে পরিচিত দেশের কয়েকটি বিলাসবহুল হাসপাতালের পণ্য আমদানির শুল্ক ১০ গুণ বাড়ছে। এখনকার ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে।
* আড়াই কেজির প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধে বিদ্যমান ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক তুলে দেওয়া হতে পারে।
* রড উৎপাদনে ব্যবহৃত ফেরো ম্যাঙ্গানিজের শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করার ঘোষণা থাকতে পারে বাজেটে।
* এয়ারকন্ডিশনার তৈরিতে ব্যবহৃত স্টিল শিটের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।
* ওয়াটার পিউরিফায়ার বা পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হতে পারে।
* দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের কাঁচামালের শুল্ক রেয়াতের মেয়াদ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা। এটি ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা থাকবে নতুন বাজেটে।
* এ ছাড়া ২৫০ সিসির বেশি ইঞ্জিনের মোটরসাইকেলের যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকবে।
* প্রস্তাবিত বাজেটে এটিএম ও সিসি ক্যামেরার আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে।
* এ ছাড়া জেনারেটরের সংযোজনী পণ্য, এলইডি ও এনার্জি সেভিং ল্যাম্পে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকতে।
* চকলেটের বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকবে বাজেটে।
* ল্যাপটপ আমদানিতে শুল্ক বাড়ানো হতে পারে ৫ থেকে ১০ শতাংশ। তবে এ ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হবে। ফলে মোট করভার ৩১ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হবে।
* প্রিপেইড ইলেকট্রিক মিটারের শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে।
* ইলেকট্রিক মিটারের যন্ত্রাংশের শুল্ক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হতে পারে।
* সব স্তরে শুল্ক অব্যাহতি অবসানের অংশ হিসেবে শিল্পের কাঁচামালে শূন্য শুল্কের পরিবর্তে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী।
* প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড স্ট্রাকচারের আমদানিতে শুল্ক ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।
* সিএনজি, এলপিজি স্টেশনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের শুল্ক ৩ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার ঘোষণা আসতে পারে।
* বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাই-টেক পার্কে শিল্পের যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও গাড়ি আমদানিতে শূন্য শুল্ক সুবিধা তুলে নেওয়া হচ্ছে। নতুন বাজেটে এসব ক্ষেত্রেও ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকবে।
* ব্যাগেজ রুলসের আওতায় স্বর্ণসহ পণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি থাকছে।
* মোবাইল ফোন আমদানি সীমিত করা হচ্ছে। আসছে বছরে কোনো যাত্রী একটির বেশি মোবাইল ফোন বিনা শুল্কে আনতে পারবেন না। আগে দুটি ফোন আনা যেত।

রাজস্ব খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন নিয়ে আসছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। এবার ৪ দশমিক ৬২ শতাংশ ব্যয় বাড়িয়ে বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা হতে পারে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৬ জুন) অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী জাতীয় সংসদে নতুন বাজেট উপস্থাপন করবেন। বাজেট বক্তৃতায় করছাড় বাবদ অন্তত ১ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯৭ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতির হিসাব তুলে ধরে করছাড় কমানোর পরিকল্পনা জানাবেন অর্থমন্ত্রী।
বাজেট বক্তৃতায় রাজস্ব খাত নিয়ে বেশ কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত জানাতে পারেন অর্থমন্ত্রী। এগুলোর মধ্যে আয়কর খাতে নতুন করস্তর ঘোষণার সম্ভাবনা আছে। সব রিটার্ন স্বনির্ধারণী ব্যবস্থায় দাখিলের ঘোষণার পাশাপাশি এনবিআরকে রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বৃদ্ধির ক্ষমতা দেওয়া হতে পারে নতুন বাজেটে।
নতুন বাজেট ঘিরে শুল্ক খাত নিয়ে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে দেশীয় শিল্প ও দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্যকে সুরক্ষা প্রদানের চেষ্টা আছে। শুল্ক হার হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে অনেক পণ্যের দামে প্রভাব পড়তে পারে। এয়ারকন্ডিশনার, ওয়াটার পিউরিফায়ার (পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র), মোটরসাইকেল, এটিএম, সিসি ক্যামেরা, জেনারেটর, এলইডি লাইটের শুল্কহার বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে বাজেটে। অন্যদিকে ল্যাপটপ, কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার, আমদানি করা প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধ, কৃত্রিম আঁশের কার্পেট, চকলেট, চিলারসহ বেশ কিছু পণ্যের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব থাকতে পারে।
যেসব খাতে করহার বাড়তে-কমতে পারে
* বছরে ২০ লাখ টাকার বেশি আয় করেন, এমন স্বাভাবিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানেরর কর ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ নির্ধারণ হতে পারে। তবে ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকায় অপরিবর্তিত থাকছে।
* পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কিছু কোম্পানির জন্য সুখবর থাকতে পারে। শর্তসাপেক্ষে এদের করপোরেট কর সাড়ে ২২ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে।
* যেকোনো সমিতি, ট্রাস্ট, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সুদের ওপর কর ৫ শতাংশ বেড়ে ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ হতে পারে। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সুদের আয়ে করহার ১০ শতাংশ অব্যাহত থাকছে।
* বাজেটে ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, ডালসহ বিভিন্ন মসলা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলায় উৎসে কর কমানো হতে পারে। এতে আমদানি খরচ কমে এসব পণ্যের দাম কমতে পারে।
* অনেক সমালোচনার পরেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রেখে দিচ্ছে সরকার। আগে এই সুযোগ শুধু ব্যক্তিতে সীমাবদ্ধ ছিল। এবার ১৫ শতাংশ হারে কর দিয়ে প্রতিষ্ঠানও কালোটাকা বৈধ করার সুযোগ পাচ্ছে।
* সব কার্যক্রম ক্যাশলেস বা নগদ অর্থের বিনিময় ছাড়া সম্পন্ন করতে পারলে আইসিটির সঙ্গে জড়িত ১৩টি খাতকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য করছাড় দেওয়ার ঘোষণা থাকছে।
* জনস্বার্থের ক্ষতি বিবেচনায় মিষ্টি পানীয়ের টার্নওভার কর শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকবে।
* এতিমখানা বা আশ্রমের কেনা গাড়ির অগ্রিম কর, উত্তরাধিকার, উইল, অছিয়তের সম্পদ করছাড় সুবিধা পাবে। এনজিও ব্যুরোর অনুমোদিত যেকোনো ব্যক্তির দানও করমুক্ত থাকবে।
যেসব খাতে শুল্কহার বাড়তে-কমতে পারে
* মেড ইন বাংলাদেশ গড়ে তোলার স্লোগান সামনে রেখে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করবেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হতে পারে—এমপিদের গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক ও ১৫ শতাংশ ভ্যাট বা মূসক আরোপ। সে ক্ষেত্রে এমপিদের গাড়ি আমদানিতে ৪০ শতাংশ শুল্ক-করের খরচ বাড়ছে।
* দেশে বাদাম উৎপানকে সুরক্ষা দিতে কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।
* ওষুধশিল্পের কাঁচামালে রেয়াতি শুল্ক সুবিধা অব্যাহত রাখা হবে। ডেঙ্গুর কিট আমদানিতে নতুন করে রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে। কিডনি ডায়ালাইসিসের ফিল্টার ও সার্কিট আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে নামতে পারে।
* রেফারেল হাসপাতাল নামে পরিচিত দেশের কয়েকটি বিলাসবহুল হাসপাতালের পণ্য আমদানির শুল্ক ১০ গুণ বাড়ছে। এখনকার ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হতে পারে।
* আড়াই কেজির প্যাকেটজাত গুঁড়া দুধে বিদ্যমান ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক তুলে দেওয়া হতে পারে।
* রড উৎপাদনে ব্যবহৃত ফেরো ম্যাঙ্গানিজের শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ করার ঘোষণা থাকতে পারে বাজেটে।
* এয়ারকন্ডিশনার তৈরিতে ব্যবহৃত স্টিল শিটের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।
* ওয়াটার পিউরিফায়ার বা পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র আমদানির শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হতে পারে।
* দেশে উৎপাদিত মোবাইল ফোনের কাঁচামালের শুল্ক রেয়াতের মেয়াদ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা। এটি ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা থাকবে নতুন বাজেটে।
* এ ছাড়া ২৫০ সিসির বেশি ইঞ্জিনের মোটরসাইকেলের যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকবে।
* প্রস্তাবিত বাজেটে এটিএম ও সিসি ক্যামেরার আমদানি শুল্ক ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হতে পারে।
* এ ছাড়া জেনারেটরের সংযোজনী পণ্য, এলইডি ও এনার্জি সেভিং ল্যাম্পে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকতে।
* চকলেটের বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক ৪৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকবে বাজেটে।
* ল্যাপটপ আমদানিতে শুল্ক বাড়ানো হতে পারে ৫ থেকে ১০ শতাংশ। তবে এ ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রত্যাহার করা হবে। ফলে মোট করভার ৩১ শতাংশ থেকে কমে ২০ দশমিক ৫ শতাংশ হবে।
* প্রিপেইড ইলেকট্রিক মিটারের শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হতে পারে।
* ইলেকট্রিক মিটারের যন্ত্রাংশের শুল্ক ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হতে পারে।
* সব স্তরে শুল্ক অব্যাহতি অবসানের অংশ হিসেবে শিল্পের কাঁচামালে শূন্য শুল্কের পরিবর্তে ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিতে পারেন অর্থমন্ত্রী।
* প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড স্ট্রাকচারের আমদানিতে শুল্ক ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হতে পারে।
* সিএনজি, এলপিজি স্টেশনের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের শুল্ক ৩ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার ঘোষণা আসতে পারে।
* বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাই-টেক পার্কে শিল্পের যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও গাড়ি আমদানিতে শূন্য শুল্ক সুবিধা তুলে নেওয়া হচ্ছে। নতুন বাজেটে এসব ক্ষেত্রেও ১ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকবে।
* ব্যাগেজ রুলসের আওতায় স্বর্ণসহ পণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি থাকছে।
* মোবাইল ফোন আমদানি সীমিত করা হচ্ছে। আসছে বছরে কোনো যাত্রী একটির বেশি মোবাইল ফোন বিনা শুল্কে আনতে পারবেন না। আগে দুটি ফোন আনা যেত।

দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গণভোট ইস্যুতে প্রচারে আর্থিক সহায়তা চাইলে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
৩৬ মিনিট আগে
নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৬ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
১৪ ঘণ্টা আগে