
আসন্ন ঈদে নতুন নোট বাজারে আসছে না। গত সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, অনিবার্য কারণে এবার ঈদে নতুন নোট বাজারের ছাড়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে। রীতি মেনে এবার নতুন নোট বাজারে না ছাড়ায় অনেকে হতাশ হবে। কারণ, ঈদে অনেকেই স্বজন-বন্ধুদের নতুন টাকা উপহার দেন।
যদিও এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নতুন টাকা পাওয়া যাবে ১৯ মার্চ থেকে। এবার ৫, ২০ ও ৫০ টাকার নতুন নোট দেওয়া হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এবার তা থেকে সরে এল বাংলাদেশ ব্যাংক। হতাশ হলেও নতুন টাকা ছাপা কীভাবে হয় এবং তাতে কেমন খরচ হয়, তা জেনে রাখা ভালো।
টাকা মুদ্রণ বা ছাপা হয় গাজীপুরের টাঁকশালে। দেশের মানুষের কাছে এটি ‘টাঁকশাল’ নামে পরিচিত হলেও টাকা ছাপানোর এই প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড’। ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ এখানে পাকিস্তানি মুদ্রার পরিবর্তে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকার প্রচলন শুরু হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তরা জানান, কাগজ-কালি ছাপাখানা পর্যন্ত পৌঁছানোর পর ১০, ২০ ও ৫০, ১০০ টাকার নোট ছাপা শুরুর দিন থেকে বাজারে দিতে অন্তত ১৭ দিন লাগে। আর ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট ছাপা শুরুর দিন থেকে বাজারে যাওয়া পর্যন্ত লাগে অন্তত ২৬ দিন। কেননা নোট ছাপানোর পর প্রথমে তা বদ্ধঘরে বিশেষ ব্যবস্থায় শুকানো হয়। শুকাতে তিন থেকে সাতদিন সময় লাগে।
শুকানোর পর প্রতিটি নোটের ছাপার মান যাচাই করা হয়। মান ঠিক থাকলে তা কাটিং করে বাইন্ডিং করা হয়। এরপর আবার মান যাচাই করে বাক্সবন্দি করে নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে বাজারে দেয়া হয়।
নতুন নোট ছাপা ও বাজারের ছাড়ার পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রতি ৫০০ ও এক হাজার টাকার নোটের পেছনে খরচ হয় ১৫-২০ টাকা। আর আর ৫ টাকা থেকে ২০০ টাকার নোট ছাপাতে খরচ পড়ে ৪ টাকা থেকে ৮ টাকা।

কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিন্তে আলী প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ কর্মসূচির আওতায় মোট মওকুফ করা ঋণের প্রায় ৫২ শতাংশই কৃষি ব্যাংকের। এ ছাড়া দেশের মোট কৃষিঋণের ৪০ শতাংশই এককভাবে কৃষি ব্যাংক অর্থায়ন করছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বিশ্ব মহামন্দার কবলে পড়বে বলে সতর্ক করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটি বলেছে, তেল, গ্যাস ও খাদ্যপণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ২ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
‘এসো হে বৈশাখ, এসো, এসো’—এই আহ্বানে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে ঢাকার নিকুঞ্জ-২ এলাকার শরীরচর্চা ও সামাজিক সংগঠন ‘প্রভাতী মেলা’র সদস্যরা আয়োজন করেন পয়লা বৈশাখের বিশেষ পান্তা-ইলিশ অনুষ্ঠান।
১০ ঘণ্টা আগে
অভ্যন্তরীণ চাপ, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অত্যন্ত সতর্ক, সংকোচনমূলক ও বাস্তবসম্মত বাজেট প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা।
১ দিন আগে