নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গ্রাহকের বিমা দাবি পরিশোধে জমি বিক্রি করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা কোম্পানি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। ইতিমধ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) অনুমোদনও পেয়েছে কোম্পানিটি। আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি।
তথ্যমতে, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জীবনবিমা তহবিলে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি মেটাতে কোম্পানিটি জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি কুমিল্লায় অবস্থিত ২০ শতক জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের পর্ষদ। এরপর অনুমোদন নেওয়া হয় আইডিআরএর। ১২ মার্চ আইডিআরএর চিঠিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
২০ শতক জমি ১ কোটি ৯০ লাখ টাকায় বিক্রি করে দাবিদারদের পাওনা পরিশোধের জন্য তহবিল সংগ্রহ করবে পদ্মা লাইফ। কুমিল্লা সদর থানার বাটাবাড়িয়া মৌজায় অবস্থিত এ জমির বিবরণ এ রকম—সিএস খতিয়ান নম্বর ৪, এসএ খতিয়ান নম্বর ৯, বিআরএস খতিয়ান নম্বর ৫৯, সিএস ও এসএ প্লট নম্বর ৫০/৪ এবং বিআরএস প্লট নম্বর ৪৪০।
গত এক বছরে পদ্মা লাইফের শেয়ারের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৩০ টাকা ৮০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ১৩ টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি গত কয়েক বছরে তেমন একটা লভ্যাংশ দেয়নি। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পদ্মা ইসলামী লাইফ। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও কোনো লভ্যাংশ পাননি কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩১ দশমিক ৫৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৯৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫১ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

গ্রাহকের বিমা দাবি পরিশোধে জমি বিক্রি করবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা কোম্পানি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। ইতিমধ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) অনুমোদনও পেয়েছে কোম্পানিটি। আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ ঘোষণা দেয় কোম্পানিটি।
তথ্যমতে, পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জীবনবিমা তহবিলে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি মেটাতে কোম্পানিটি জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২০ জানুয়ারি কুমিল্লায় অবস্থিত ২০ শতক জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের পর্ষদ। এরপর অনুমোদন নেওয়া হয় আইডিআরএর। ১২ মার্চ আইডিআরএর চিঠিতে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
২০ শতক জমি ১ কোটি ৯০ লাখ টাকায় বিক্রি করে দাবিদারদের পাওনা পরিশোধের জন্য তহবিল সংগ্রহ করবে পদ্মা লাইফ। কুমিল্লা সদর থানার বাটাবাড়িয়া মৌজায় অবস্থিত এ জমির বিবরণ এ রকম—সিএস খতিয়ান নম্বর ৪, এসএ খতিয়ান নম্বর ৯, বিআরএস খতিয়ান নম্বর ৫৯, সিএস ও এসএ প্লট নম্বর ৫০/৪ এবং বিআরএস প্লট নম্বর ৪৪০।
গত এক বছরে পদ্মা লাইফের শেয়ারের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৩০ টাকা ৮০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ১৩ টাকা ২০ পয়সা। কোম্পানিটি গত কয়েক বছরে তেমন একটা লভ্যাংশ দেয়নি। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে পদ্মা ইসলামী লাইফ। ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ হিসাব বছরের জন্যও কোনো লভ্যাংশ পাননি কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৬ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। মোট ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩১ দশমিক ৫৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ৯৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫১ দশমিক ৫১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৮ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১ দিন আগে