মাহফুজুল ইসলাম, ঢাকা

মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হলো জীবনবিমা। কিন্তু দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম, বিনিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর দুর্বল তদারকি সে ভরসার ভিত্তি ক্রমেই সংকুচিত করেছে, বিশ্বাসের জায়গায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। গত আড়াই বছরের হিসাব স্পষ্ট করে দেখাচ্ছে—খাতটিতে আস্থাহীনতা জমেছে, অসন্তোষ সঞ্চিত হয়েছে, আর এখন তা দৃশ্যমান সংকটে রূপ নিয়েছে। এ সময়ে সক্রিয় পলিসি কমেছে ১০ লাখ ২৫ হাজার ৯২৪টি, কমার হার ১৩.১৪ শতাংশ। এই ধারাবাহিক নিম্নগতি জীবনবিমা থেকে মানুষের মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার সেই কঠিন বার্তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
আইডিআরএর সর্বশেষ বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে মোট ৩৬টি জীবনবিমা কোম্পানি রয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসব প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় পলিসি ছিল ৭৮ লাখ ৯ হাজার ১২১টি। ২০২৩ সালে তা নেমে আসে ৭৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৭৬টিতে। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কমে দাঁড়ায় ৭০ লাখ ৮৯ হাজার ৭৭৭টিতে, এক বছরে কমেছে ৭ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৪টি পলিসি। চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসেই, ২০২৫ সালের জুন শেষে পলিসির সংখ্যা আরও কমে ৬৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৭টিতে দাঁড়িয়েছে—অর্থাৎ এই অর্ধবছরেই কমেছে ৩ লাখ ৬ হাজার ৫৮০টি পলিসি। অর্থাৎ নতুন পলিসি নেওয়ার বদলে অনেকে পুরোনো পলিসির টাকা তুলে নিচ্ছেন, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, নতুন করে আর বিমার জালে জড়াচ্ছেন না কেউ।
আস্থাহীনতার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক মাইন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দাবি নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ‘মানুষ যখন বছরের পর বছর নিজের প্রাপ্য টাকা পায় না, তখন তাঁরা বিমা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেই বাধ্য হন।’
আইডিআরএর তথ্যমতে, পলিসি কমার শীর্ষে রয়েছে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স। প্রতিষ্ঠানটির বিমা কমেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৬৮টি। ডেলটা লাইফের বিমা কমেছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৬৮টি। পপুলার লাইফের বিমা কমেছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৯টি। এরপর যথাক্রমে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ, প্রগতি লাইফ এবং আলফা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড।
চার্টার্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সিইও এস এম জিয়াউল হক মনে করেন, ব্যবস্থাপনা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ায় পুরো খাতই একধরনের সংকটের মুখে। তাঁর মতে, বিনিয়োগ, দাবি নিষ্পত্তি, গ্রাহকসেবা—সবক্ষেত্রেই শক্তিশালী নীতিমালা প্রয়োগ জরুরি।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স প্রফেশনালস সোসাইটির (বিআইপিএস) সেক্রেটারি জেনারেল এ কে এম এহসানুল হক বলেন, অনেক সময় অনিয়মের তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলেও তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে যথেষ্ট কঠোরতা থাকে না। এতে গ্রাহকের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইডিআরএর মানবসম্পদ, আইনগত কাঠামো ও তদারকি ক্ষমতা আরও শক্তিশালী না হলে সামগ্রিকভাবে গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না।
তবে আইডিআরএর পরামর্শক সাইফুন্নাহার সুমি বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁর মতে, খাতের বিচ্যুতি দূর করতে বিভিন্ন আইনি সংস্কার এখন প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন, ‘দাবি নিষ্পত্তি দ্রুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নিয়মগুলো আরও স্পষ্ট করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু নির্দেশনা নয়—কার্যকর প্রয়োগই হবে মূল বিষয়। কারণ বিমা খাত টিকে থাকে মানুষের বিশ্বাসে। সে বিশ্বাস একবার নষ্ট হলে তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। তাই দাবি নিষ্পত্তির সময়সীমা স্পষ্ট করা, বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ, স্বচ্ছ অডিট এবং শক্তিশালী নজরদারি—এসব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতেই হবে।
মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হলো জীবনবিমা। কিন্তু দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম, বিনিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর দুর্বল তদারকি সে ভরসার ভিত্তি ক্রমেই সংকুচিত করেছে, বিশ্বাসের জায়গায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। গত আড়াই বছরের হিসাব স্পষ্ট করে দেখাচ্ছে—খাতটিতে আস্থাহীনতা জমেছে, অসন্তোষ সঞ্চিত হয়েছে, আর এখন তা দৃশ্যমান সংকটে রূপ নিয়েছে। এ সময়ে সক্রিয় পলিসি কমেছে ১০ লাখ ২৫ হাজার ৯২৪টি, কমার হার ১৩.১৪ শতাংশ। এই ধারাবাহিক নিম্নগতি জীবনবিমা থেকে মানুষের মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার সেই কঠিন বার্তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে।
আইডিআরএর সর্বশেষ বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে মোট ৩৬টি জীবনবিমা কোম্পানি রয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এসব প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় পলিসি ছিল ৭৮ লাখ ৯ হাজার ১২১টি। ২০২৩ সালে তা নেমে আসে ৭৩ লাখ ৭৮ হাজার ২৭৬টিতে। এরপর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কমে দাঁড়ায় ৭০ লাখ ৮৯ হাজার ৭৭৭টিতে, এক বছরে কমেছে ৭ লাখ ১৯ হাজার ৩৪৪টি পলিসি। চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসেই, ২০২৫ সালের জুন শেষে পলিসির সংখ্যা আরও কমে ৬৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৭টিতে দাঁড়িয়েছে—অর্থাৎ এই অর্ধবছরেই কমেছে ৩ লাখ ৬ হাজার ৫৮০টি পলিসি। অর্থাৎ নতুন পলিসি নেওয়ার বদলে অনেকে পুরোনো পলিসির টাকা তুলে নিচ্ছেন, উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, নতুন করে আর বিমার জালে জড়াচ্ছেন না কেউ।
আস্থাহীনতার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক মাইন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দাবি নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে। তাঁর ভাষায়, ‘মানুষ যখন বছরের পর বছর নিজের প্রাপ্য টাকা পায় না, তখন তাঁরা বিমা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেই বাধ্য হন।’
আইডিআরএর তথ্যমতে, পলিসি কমার শীর্ষে রয়েছে সোনালী লাইফ ইনস্যুরেন্স। প্রতিষ্ঠানটির বিমা কমেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৬৮টি। ডেলটা লাইফের বিমা কমেছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৬৮টি। পপুলার লাইফের বিমা কমেছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৯টি। এরপর যথাক্রমে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ, প্রগতি লাইফ এবং আলফা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেড।
চার্টার্ড লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানির সিইও এস এম জিয়াউল হক মনে করেন, ব্যবস্থাপনা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ায় পুরো খাতই একধরনের সংকটের মুখে। তাঁর মতে, বিনিয়োগ, দাবি নিষ্পত্তি, গ্রাহকসেবা—সবক্ষেত্রেই শক্তিশালী নীতিমালা প্রয়োগ জরুরি।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স প্রফেশনালস সোসাইটির (বিআইপিএস) সেক্রেটারি জেনারেল এ কে এম এহসানুল হক বলেন, অনেক সময় অনিয়মের তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলেও তা বাস্তবায়নের পর্যায়ে যথেষ্ট কঠোরতা থাকে না। এতে গ্রাহকের আস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আইডিআরএর মানবসম্পদ, আইনগত কাঠামো ও তদারকি ক্ষমতা আরও শক্তিশালী না হলে সামগ্রিকভাবে গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করা যাবে না।
তবে আইডিআরএর পরামর্শক সাইফুন্নাহার সুমি বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁর মতে, খাতের বিচ্যুতি দূর করতে বিভিন্ন আইনি সংস্কার এখন প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন, ‘দাবি নিষ্পত্তি দ্রুত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নিয়মগুলো আরও স্পষ্ট করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু নির্দেশনা নয়—কার্যকর প্রয়োগই হবে মূল বিষয়। কারণ বিমা খাত টিকে থাকে মানুষের বিশ্বাসে। সে বিশ্বাস একবার নষ্ট হলে তা ফিরিয়ে আনা কঠিন। তাই দাবি নিষ্পত্তির সময়সীমা স্পষ্ট করা, বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ, স্বচ্ছ অডিট এবং শক্তিশালী নজরদারি—এসব ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতেই হবে।

এনবিআর জানিয়েছে, শিগগির এ পদ্ধতি সারা দেশে চালু করা হবে, যাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় আসে এবং নিবন্ধন ছাড়া আর কেউ ব্যবসা চালাতে না পারে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করবে ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাইজেশনের পথযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। ই-ডেস্ক সিস্টেম উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এখন থেকে গতানুগতিক নোটিং সিস্টেমের বাইরে অনলাইনভিত্তিক নোটিং সিস্টেম চালু হবে। শুরুতে শুধু প্রধান কার্যালয়ে এই সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে তৈরি পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ডিসকাউন্ট দাবি-সংক্রান্ত আবেদন করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক বিদেশিরা পণ্য জাহাজীকরণের তথ্যসহ ডিসকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলাররা প্রচলিত নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ভ্যাটব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল ও সহজ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক নতুন পর্যায়ে এগোচ্ছে। মাত্র একটি ক্লিকেই ভ্যাট পরিশোধের সুযোগ ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে এবং বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এটি ব্যবহারও শুরু করেছে।
এনবিআর জানিয়েছে, শিগগির এ পদ্ধতি সারা দেশে চালু করা হবে, যাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় আসে এবং নিবন্ধন ছাড়া আর কেউ ব্যবসা চালাতে না পারে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
মো. আবদুর রহমান বলেন, দেশের বড় একটি অংশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখনো ভ্যাট নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে। আগামী বছর এমন একটি মেকানিজম চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসার সুযোগ থাকবে না। বর্তমানে নিবন্ধিত ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান ৬ লাখ ৪৪ হাজার; লক্ষ্য আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে তা ৩০ থেকে ৪০ লাখে উন্নীত করা। শুধু চলতি মাসেই ১ লাখ নতুন প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ভ্যাট দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সময়মতো নিবন্ধন নিব, সঠিকভাবে ভ্যাট দিব’—ধরে আগামীকাল বুধবার সারা দেশে ভ্যাট দিবস পালিত হবে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর চলবে ভ্যাট সপ্তাহ। তবে নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় এ বছরও স্থগিত থাকছে ভ্যাট পুরস্কার।
রিটার্ন জমাদানেও বড় পরিবর্তন আসছে বলে জানান মো. আবদুর রহমান খান। গত অর্থবছরে ১৭ লাখ ই-রিটার্ন জমা পড়লেও চলতি অর্থবছরে তা ৪০ লাখে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জমা পড়েছে ২২ লাখ রিটার্ন। ভ্যাট আদায়েও গতি এসেছে—গত অর্থবছরে মোট রাজস্বের ৩৮ শতাংশ এসেছে ভ্যাট থেকে আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই ভ্যাট আদায় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২২ শতাংশ।
করদাতাদের ঝামেলা কমাতে ই-রিটার্নে ব্যবহৃত ব্যাংকসংক্রান্ত চারটি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান আবদুর রহমান।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করদাতারা মনে করেন, রাজস্ব কর্মকর্তারা এসব তথ্য দেখতে পারবেন—এটি ভুল ধারণা।
চলতি অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে কেন—এ প্রশ্নের জবাবে আবদুর রহমান বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়ানোর বাস্তব প্রয়োজন থেকেই এ লক্ষ্য নির্ধারণ। তবে কারও ওপর হয়রানি বা অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হবে না; মূলত যাঁরা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই কঠোরতা বাড়ানো হবে।
আমদানি করা মোবাইল ফোনে কর কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এটি সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত; এককভাবে এনবিআর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য (মূসক নীতি) মো. আজিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা।

ভ্যাটব্যবস্থাকে পুরোপুরি ডিজিটাল ও সহজ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক নতুন পর্যায়ে এগোচ্ছে। মাত্র একটি ক্লিকেই ভ্যাট পরিশোধের সুযোগ ইতিমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে এবং বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এটি ব্যবহারও শুরু করেছে।
এনবিআর জানিয়েছে, শিগগির এ পদ্ধতি সারা দেশে চালু করা হবে, যাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় আসে এবং নিবন্ধন ছাড়া আর কেউ ব্যবসা চালাতে না পারে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে জাতীয় ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
মো. আবদুর রহমান বলেন, দেশের বড় একটি অংশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখনো ভ্যাট নিবন্ধনের বাইরে রয়েছে। আগামী বছর এমন একটি মেকানিজম চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ভ্যাট নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসার সুযোগ থাকবে না। বর্তমানে নিবন্ধিত ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান ৬ লাখ ৪৪ হাজার; লক্ষ্য আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে তা ৩০ থেকে ৪০ লাখে উন্নীত করা। শুধু চলতি মাসেই ১ লাখ নতুন প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, ভ্যাট দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সময়মতো নিবন্ধন নিব, সঠিকভাবে ভ্যাট দিব’—ধরে আগামীকাল বুধবার সারা দেশে ভ্যাট দিবস পালিত হবে। ১০ থেকে ১৫ ডিসেম্বর চলবে ভ্যাট সপ্তাহ। তবে নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় এ বছরও স্থগিত থাকছে ভ্যাট পুরস্কার।
রিটার্ন জমাদানেও বড় পরিবর্তন আসছে বলে জানান মো. আবদুর রহমান খান। গত অর্থবছরে ১৭ লাখ ই-রিটার্ন জমা পড়লেও চলতি অর্থবছরে তা ৪০ লাখে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জমা পড়েছে ২২ লাখ রিটার্ন। ভ্যাট আদায়েও গতি এসেছে—গত অর্থবছরে মোট রাজস্বের ৩৮ শতাংশ এসেছে ভ্যাট থেকে আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই ভ্যাট আদায় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২২ শতাংশ।
করদাতাদের ঝামেলা কমাতে ই-রিটার্নে ব্যবহৃত ব্যাংকসংক্রান্ত চারটি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানান আবদুর রহমান।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, করদাতারা মনে করেন, রাজস্ব কর্মকর্তারা এসব তথ্য দেখতে পারবেন—এটি ভুল ধারণা।
চলতি অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫৫ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে কেন—এ প্রশ্নের জবাবে আবদুর রহমান বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়ানোর বাস্তব প্রয়োজন থেকেই এ লক্ষ্য নির্ধারণ। তবে কারও ওপর হয়রানি বা অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হবে না; মূলত যাঁরা রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই কঠোরতা বাড়ানো হবে।
আমদানি করা মোবাইল ফোনে কর কমানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এটি সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত; এককভাবে এনবিআর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের সদস্য (মূসক নীতি) মো. আজিজুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্য কর্মকর্তারা।

মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হলো জীবনবিমা। কিন্তু দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম, বিনিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর দুর্বল তদারকি সে ভরসার ভিত্তি ক্রমেই সংকুচিত করেছে, বিশ্বাসের জায়গায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
২৪ দিন আগে
প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করবে ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাইজেশনের পথযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। ই-ডেস্ক সিস্টেম উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এখন থেকে গতানুগতিক নোটিং সিস্টেমের বাইরে অনলাইনভিত্তিক নোটিং সিস্টেম চালু হবে। শুরুতে শুধু প্রধান কার্যালয়ে এই সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে তৈরি পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ডিসকাউন্ট দাবি-সংক্রান্ত আবেদন করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক বিদেশিরা পণ্য জাহাজীকরণের তথ্যসহ ডিসকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলাররা প্রচলিত নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে (বেপজা ইজেড) উইং তাই গার্মেন্টস (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেড নামের আরও একটি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগ করবে।
প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করবে ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এ লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বেপজার পক্ষে সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবীর এবং বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক লি কিংকি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বেপজা জানায়, উইং তাই গার্মেন্টস (বাংলাদেশ) বিভিন্ন ধরনের পোশাক পণ্য, যেমন—নারী, পুরুষ ও বাচ্চাদের জন্য বার্ষিক ১৫ লাখ ৬০ হাজার পিস টপস, টি-শার্ট, ট্রাউজার ও শর্টস এবং ৪০ লাখ ১০ হাজার পিস জ্যাকেট, প্যান্ট ও শর্টস উৎপাদন করবে।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজ, নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন—অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ফজলুল হক মজুমদার, উইং তাই গার্মেন্টসের (বাংলাদেশ) কোম্পানি অ্যাডভাইজর এ জেড এম আজিজুর রহমানসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে (বেপজা ইজেড) উইং তাই গার্মেন্টস (বাংলাদেশ) কোম্পানি লিমিটেড নামের আরও একটি চীনা কোম্পানি বিনিয়োগ করবে।
প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করবে ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এ লক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার ঢাকার বেপজা কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
বেপজার পক্ষে সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবীর এবং বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক লি কিংকি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বেপজা জানায়, উইং তাই গার্মেন্টস (বাংলাদেশ) বিভিন্ন ধরনের পোশাক পণ্য, যেমন—নারী, পুরুষ ও বাচ্চাদের জন্য বার্ষিক ১৫ লাখ ৬০ হাজার পিস টপস, টি-শার্ট, ট্রাউজার ও শর্টস এবং ৪০ লাখ ১০ হাজার পিস জ্যাকেট, প্যান্ট ও শর্টস উৎপাদন করবে।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম, নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) সমীর বিশ্বাস, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এ এস এম আনোয়ার পারভেজ, নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন—অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ফজলুল হক মজুমদার, উইং তাই গার্মেন্টসের (বাংলাদেশ) কোম্পানি অ্যাডভাইজর এ জেড এম আজিজুর রহমানসহ বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হলো জীবনবিমা। কিন্তু দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম, বিনিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর দুর্বল তদারকি সে ভরসার ভিত্তি ক্রমেই সংকুচিত করেছে, বিশ্বাসের জায়গায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
২৪ দিন আগে
এনবিআর জানিয়েছে, শিগগির এ পদ্ধতি সারা দেশে চালু করা হবে, যাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় আসে এবং নিবন্ধন ছাড়া আর কেউ ব্যবসা চালাতে না পারে।
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাইজেশনের পথযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। ই-ডেস্ক সিস্টেম উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এখন থেকে গতানুগতিক নোটিং সিস্টেমের বাইরে অনলাইনভিত্তিক নোটিং সিস্টেম চালু হবে। শুরুতে শুধু প্রধান কার্যালয়ে এই সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে তৈরি পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ডিসকাউন্ট দাবি-সংক্রান্ত আবেদন করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক বিদেশিরা পণ্য জাহাজীকরণের তথ্যসহ ডিসকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলাররা প্রচলিত নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাইজেশনের পথযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। ই-ডেস্ক সিস্টেম উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এখন থেকে গতানুগতিক নোটিং সিস্টেমের বাইরে অনলাইনভিত্তিক নোটিং সিস্টেম চালু হবে। শুরুতে শুধু প্রধান কার্যালয়ে এই সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।
আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সকল পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য নোটিং ই-ডেস্কের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।
আজ মঙ্গলবার ই-ডেস্ক সিস্টেমের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সব ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট ডিরেক্টররা উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগ-১ (এইচআরডি-১) এবং আইসিটি ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা যৌথভাবে সিস্টেমটি ডেভেলপ করেছেন। গভর্নর উদ্বোধনী বক্তব্যে সিস্টেমটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে ডিরেক্টর লেভেল পর্যন্ত নিষ্পত্তিযোগ্য সব নোটিং ই-ডেস্কের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাইজেশনের পথযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। ই-ডেস্ক সিস্টেম উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এখন থেকে গতানুগতিক নোটিং সিস্টেমের বাইরে অনলাইনভিত্তিক নোটিং সিস্টেম চালু হবে। শুরুতে শুধু প্রধান কার্যালয়ে এই সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।
আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে সকল পর্যায়ে নিষ্পত্তিযোগ্য নোটিং ই-ডেস্কের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।
আজ মঙ্গলবার ই-ডেস্ক সিস্টেমের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সব ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট ডিরেক্টররা উপস্থিত ছিলেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগ-১ (এইচআরডি-১) এবং আইসিটি ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা যৌথভাবে সিস্টেমটি ডেভেলপ করেছেন। গভর্নর উদ্বোধনী বক্তব্যে সিস্টেমটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ১০ ডিসেম্বর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে ডিরেক্টর লেভেল পর্যন্ত নিষ্পত্তিযোগ্য সব নোটিং ই-ডেস্কের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হলো জীবনবিমা। কিন্তু দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম, বিনিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর দুর্বল তদারকি সে ভরসার ভিত্তি ক্রমেই সংকুচিত করেছে, বিশ্বাসের জায়গায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
২৪ দিন আগে
এনবিআর জানিয়েছে, শিগগির এ পদ্ধতি সারা দেশে চালু করা হবে, যাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় আসে এবং নিবন্ধন ছাড়া আর কেউ ব্যবসা চালাতে না পারে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করবে ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে তৈরি পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ডিসকাউন্ট দাবি-সংক্রান্ত আবেদন করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক বিদেশিরা পণ্য জাহাজীকরণের তথ্যসহ ডিসকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলাররা প্রচলিত নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে...
৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে তৈরি পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ডিসকাউন্ট দাবি-সংক্রান্ত আবেদন করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক বিদেশিরা পণ্য জাহাজীকরণের তথ্যসহ ডিসকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলাররা প্রচলিত নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (হেড অফিস) মারফত ডিসকাউন্ট কমিটির কাছে এ-সংক্রান্ত আবেদন দাখিল করতে পারবেন।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, প্রস্তুতকৃত পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যের চালানের বিপরীতে আমদানিকারকদের ডিসকাউন্ট দাবি আগে থেকে করতে পারতেন। গতকাল নতুন করে পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে সুযোগ করে দেয়। পাটজাত পণ্যের রপ্তানির জন্য বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন সরকারি কমিটির সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাটজাত পণ্য রপ্তানি-সংক্রান্ত ডিসকাউন্ট দাবির আবেদনগুলো ডিসকাউন্ট কমিটি বিবেচনা করবে।

দেশে তৈরি পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে ডিসকাউন্ট দাবি-সংক্রান্ত আবেদন করতে নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নিয়মে বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারক বিদেশিরা পণ্য জাহাজীকরণের তথ্যসহ ডিসকাউন্টের জন্য আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদিত ডিলাররা প্রচলিত নিয়মনীতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ (হেড অফিস) মারফত ডিসকাউন্ট কমিটির কাছে এ-সংক্রান্ত আবেদন দাখিল করতে পারবেন।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, প্রস্তুতকৃত পোশাক ও চামড়াজাত পণ্যের চালানের বিপরীতে আমদানিকারকদের ডিসকাউন্ট দাবি আগে থেকে করতে পারতেন। গতকাল নতুন করে পাটজাত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে সুযোগ করে দেয়। পাটজাত পণ্যের রপ্তানির জন্য বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন সরকারি কমিটির সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। আর সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাটজাত পণ্য রপ্তানি-সংক্রান্ত ডিসকাউন্ট দাবির আবেদনগুলো ডিসকাউন্ট কমিটি বিবেচনা করবে।

মানুষের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অবলম্বন হলো জীবনবিমা। কিন্তু দাবি নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা ও অনিয়ম, বিনিয়োগে অস্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএর দুর্বল তদারকি সে ভরসার ভিত্তি ক্রমেই সংকুচিত করেছে, বিশ্বাসের জায়গায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে।
২৪ দিন আগে
এনবিআর জানিয়েছে, শিগগির এ পদ্ধতি সারা দেশে চালু করা হবে, যাতে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভ্যাটের আওতায় আসে এবং নিবন্ধন ছাড়া আর কেউ ব্যবসা চালাতে না পারে।
২ ঘণ্টা আগে
প্রতিষ্ঠানটি তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ করবে ১ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২৫ কোটি ৯০ লাখ ৪০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে ৩ হাজার ১৫৮ জন বাংলাদেশি নাগরিকের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিটাইজেশনের পথযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে। ই-ডেস্ক সিস্টেম উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন যুগে প্রবেশ করল। এখন থেকে গতানুগতিক নোটিং সিস্টেমের বাইরে অনলাইনভিত্তিক নোটিং সিস্টেম চালু হবে। শুরুতে শুধু প্রধান কার্যালয়ে এই সিস্টেমটি চালু করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে