অভিমত
ড. সেলিম রায়হান

বর্তমান সরকারের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল সামাজিক খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া গেলে তা শুধু বর্তমান সরকারের নয়, পরবর্তী সরকারের জন্যও একটি নৈতিক ও নীতিগত চাপ তৈরি করত। কিন্তু সেই সাহসী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। নির্বাচনের পর যে সরকারই আসুক না কেন, যদি একই পুরোনো ধারা অনুসরণ করা হয়, তাহলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ে।
আমরা বিশেষভাবে লক্ষ রাখব, আসন্ন বাজেটে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমাদের বিদ্যমান শুল্ককাঠামোতে যেসব প্যারা-ট্যারিফ রয়েছে—যেমন সারচার্জ, এসডিসহ আরও অতিরিক্ত যে শুল্কগুলো আছে, সেগুলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর এগুলো বাতিলের চাপ বাড়বে। সরকার এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বাজেটে তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
এ ছাড়া সংকটকালীন বাস্তবতায় রাজস্ব আহরণ এবং করব্যবস্থার সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল। কোন খাত থেকে কীভাবে কর আদায় করা যাবে এবং আয়বর্ধক সংস্কার কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নির্ধারণ করার এটাই ছিল উপযুক্ত সময়। কিন্তু আমরা দেখলাম, পুরো আলোচনাটা প্রায় সীমাবদ্ধ ছিল শুধু এনবিআর বিভাজন প্রসঙ্গে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে—চলতি বাজেটেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। বছরের পর বছর আমরা এর বিরোধিতা করে আসছি। বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অনেক সদস্যও অতীতে এই নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
লেখক: নির্বাহী পরিচালক, সানেম

বর্তমান সরকারের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ ছিল সামাজিক খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া গেলে তা শুধু বর্তমান সরকারের নয়, পরবর্তী সরকারের জন্যও একটি নৈতিক ও নীতিগত চাপ তৈরি করত। কিন্তু সেই সাহসী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। নির্বাচনের পর যে সরকারই আসুক না কেন, যদি একই পুরোনো ধারা অনুসরণ করা হয়, তাহলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়ে।
আমরা বিশেষভাবে লক্ষ রাখব, আসন্ন বাজেটে এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে কী ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমাদের বিদ্যমান শুল্ককাঠামোতে যেসব প্যারা-ট্যারিফ রয়েছে—যেমন সারচার্জ, এসডিসহ আরও অতিরিক্ত যে শুল্কগুলো আছে, সেগুলো বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) নিয়মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের পর এগুলো বাতিলের চাপ বাড়বে। সরকার এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বাজেটে তা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
এ ছাড়া সংকটকালীন বাস্তবতায় রাজস্ব আহরণ এবং করব্যবস্থার সংস্কার অত্যন্ত জরুরি ছিল। কোন খাত থেকে কীভাবে কর আদায় করা যাবে এবং আয়বর্ধক সংস্কার কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নির্ধারণ করার এটাই ছিল উপযুক্ত সময়। কিন্তু আমরা দেখলাম, পুরো আলোচনাটা প্রায় সীমাবদ্ধ ছিল শুধু এনবিআর বিভাজন প্রসঙ্গে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে—চলতি বাজেটেও কালোটাকা সাদা করার সুযোগ রাখার সম্ভাবনা রয়েছে। বছরের পর বছর আমরা এর বিরোধিতা করে আসছি। বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অনেক সদস্যও অতীতে এই নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
লেখক: নির্বাহী পরিচালক, সানেম

স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ভাইস চেয়ারম্যান রত্না পাত্র কোম্পানিটির ১০ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে পুঁজিবাজার ও ব্লক মার্কেট থেকে শেয়ারগুলো ক্রয় করবেন বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশে ভেনামি চিংড়ি চাষে ব্যবহৃত পোনা আমদানির নতুন ও বিদ্যমান সব অনুমোদন স্থগিত করেছে সরকার। রোগ সংক্রমণ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং দেশীয় চিংড়িশিল্পের ওপর বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা, উৎপাদনহীন ও নিয়মিত লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে একটি পৃথক প্ল্যাটফর্মে নেওয়ার সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি। প্রস্তাবিত নতুন এই প্ল্যাটফর্মের নাম ‘আর’ ক্যাটাগরি।
৫ ঘণ্টা আগে
চলতি বছর দেশের অর্থনীতির সামনে পাঁচটি বড় ঝুঁকি স্পষ্টভাবে চিহ্নিত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) গ্লোবাল রিস্ক রিপোর্ট-২০২৬ অনুযায়ী, এই ঝুঁকির তালিকার শীর্ষে রয়েছে অপরাধ ও অবৈধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমের বিস্তার।
৫ ঘণ্টা আগে