
করোনা মহামারির কারণে গত বছর অর্থনীতিতে বিপর্যয় নেমে এলেও বৃহৎ কোম্পানিগুলো আরও ফুলেফেঁপে উঠেছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি প্রতাষ্ঠানের জন্য মহামারী বলতে গেলে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। অবিশ্বাস্য সম্পদ বেড়েছে অ্যামাজন, টেসলা, বাইটড্যান্সের মতো জায়ান্টদের।
ব্যবসা–বাণিজ্য বিষয়ক মর্যাদাপূর্ণ সাময়িকী ফোর্বস বলছে, গত বছর বিশ্বব্যাপী বিলিয়নেয়ারের তালিকায় নতুন ৪৯৩ জন যুক্ত হয়েছেন। সে হিসাবে, গড়ে ১৭ ঘণ্টায় একজন করে বিলিয়নিয়ার বেড়েছে।
এদিকে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিলিয়নেয়ার রয়েছে চীনের বেইজিং শহরে। সাত বছর ধরে এই তালিকায় শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর। ফোর্বসের হালনাগাদ তালিকায় এমনটি বলা হয়েছে।
ফোর্বস ম্যাগাজিন জানায়, বেইজিংয়ে গত বছর ৩৩ জন বিলিয়নেয়ার বেড়েছে। এ নিয়ে বেইজিংয়ে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা দাঁড়াল ১০০ জনে।
দ্রুত করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের রমরমা এবং শেয়ারবাজারের অবদানেই বেইজিংকে এই তালিকায় শীর্ষে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে বিলিয়নেয়ারদের মোট নিট সম্পত্তির দিক দিয়ে বেইজিংয়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নিউইয়র্ক। মার্কিন এ শহরের বিলিয়নেয়ারদের নিট সম্পত্তি ৮০ বিলিয়ন ডলার।
বেইজিংয়ের সবচেয়ে বড় ধনী টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা ঝাং ইয়েমিং। যার সম্পদের পরিমাণ ৩৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। জাং টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
অপরদিকে নিউইয়র্ক শহরের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ। তার সম্পদের পরিমাণ ৫৯ বিলিয়ন ডলার।
করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারিতে অনলাইনে কেনাকাটা এবং বিনোদন পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের প্রযুক্তি জায়ান্টদের সম্পদ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
হংকং এবং ম্যাকাওকে যুক্ত করে চীনের বিলিয়নেয়ারদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস । গত বছর সবচেয়ে বেশি বিলিয়নেয়ার পেয়েছে চীন। দেশটিতে এক বছরই ২১০ জন নতুন বিলিয়নিয়ার যুক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে অর্ধেকই ম্যানুফ্যাকচারিং বা প্রযুক্তি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চীনের নারী বিলিয়নেয়ার ক্যাট ওয়ারং। তিনি ই-সিগারেট বিক্রি করেই বিলিয়নেয়ার হয়েছেন।
চীনে বর্তমানে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৬৯৮ জন। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ৭২৪ জন বিলিয়নেয়ার রয়েছেন।
বিলিয়নেয়ারের তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে ১৪০ জন বিলিয়নেয়ার রয়েছেন। এছাড়া এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলে বিলিয়নেয়ার রয়েছেন মোট ১ হাজার ১৪৯ জন। তাদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৪ দশিমক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার।
এদিকে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়নেয়ারদের সম্পদের পরিমাণ ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ই–কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। গত বছর তার সম্পদের পরিমাণ ৬৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৭৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। এরপরেই রয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক।

করোনা মহামারির কারণে গত বছর অর্থনীতিতে বিপর্যয় নেমে এলেও বৃহৎ কোম্পানিগুলো আরও ফুলেফেঁপে উঠেছে। বিশেষ করে প্রযুক্তি প্রতাষ্ঠানের জন্য মহামারী বলতে গেলে আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। অবিশ্বাস্য সম্পদ বেড়েছে অ্যামাজন, টেসলা, বাইটড্যান্সের মতো জায়ান্টদের।
ব্যবসা–বাণিজ্য বিষয়ক মর্যাদাপূর্ণ সাময়িকী ফোর্বস বলছে, গত বছর বিশ্বব্যাপী বিলিয়নেয়ারের তালিকায় নতুন ৪৯৩ জন যুক্ত হয়েছেন। সে হিসাবে, গড়ে ১৭ ঘণ্টায় একজন করে বিলিয়নিয়ার বেড়েছে।
এদিকে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বিলিয়নেয়ার রয়েছে চীনের বেইজিং শহরে। সাত বছর ধরে এই তালিকায় শীর্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর। ফোর্বসের হালনাগাদ তালিকায় এমনটি বলা হয়েছে।
ফোর্বস ম্যাগাজিন জানায়, বেইজিংয়ে গত বছর ৩৩ জন বিলিয়নেয়ার বেড়েছে। এ নিয়ে বেইজিংয়ে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা দাঁড়াল ১০০ জনে।
দ্রুত করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের রমরমা এবং শেয়ারবাজারের অবদানেই বেইজিংকে এই তালিকায় শীর্ষে নিয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে বিলিয়নেয়ারদের মোট নিট সম্পত্তির দিক দিয়ে বেইজিংয়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নিউইয়র্ক। মার্কিন এ শহরের বিলিয়নেয়ারদের নিট সম্পত্তি ৮০ বিলিয়ন ডলার।
বেইজিংয়ের সবচেয়ে বড় ধনী টিকটকের প্রতিষ্ঠাতা ঝাং ইয়েমিং। যার সম্পদের পরিমাণ ৩৫ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। জাং টিকটকের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।
অপরদিকে নিউইয়র্ক শহরের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ। তার সম্পদের পরিমাণ ৫৯ বিলিয়ন ডলার।
করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারিতে অনলাইনে কেনাকাটা এবং বিনোদন পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের প্রযুক্তি জায়ান্টদের সম্পদ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
হংকং এবং ম্যাকাওকে যুক্ত করে চীনের বিলিয়নেয়ারদের তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস । গত বছর সবচেয়ে বেশি বিলিয়নেয়ার পেয়েছে চীন। দেশটিতে এক বছরই ২১০ জন নতুন বিলিয়নিয়ার যুক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে অর্ধেকই ম্যানুফ্যাকচারিং বা প্রযুক্তি শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন চীনের নারী বিলিয়নেয়ার ক্যাট ওয়ারং। তিনি ই-সিগারেট বিক্রি করেই বিলিয়নেয়ার হয়েছেন।
চীনে বর্তমানে বিলিয়নেয়ারের সংখ্যা ৬৯৮ জন। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ৭২৪ জন বিলিয়নেয়ার রয়েছেন।
বিলিয়নেয়ারের তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে ১৪০ জন বিলিয়নেয়ার রয়েছেন। এছাড়া এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলে বিলিয়নেয়ার রয়েছেন মোট ১ হাজার ১৪৯ জন। তাদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৪ দশিমক ৭ ট্রিলিয়ন ডলার।
এদিকে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়নেয়ারদের সম্পদের পরিমাণ ৪ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ই–কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস। গত বছর তার সম্পদের পরিমাণ ৬৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৭৭ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। এরপরেই রয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক।

ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) বড় ধরনের কাটছাঁটের মুখে পড়ছে আটটি মেগা প্রকল্প। পরিকল্পনা কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এসব প্রকল্পে বরাদ্দ কমছে মোট ১৩ হাজার ৩৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। অবকাঠামো খাতেই এই সংকোচন সবচেয়ে বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়ায় হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এ ঘাটতির পরিমাণ ১ হাজার ১৩ কোটি টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা থাকলেও টানা দুই প্রান্তিকে বাংলাদেশে প্রকৃত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গতকাল রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে