ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার তেল রপ্তানির উপর জি-৭ জোটের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার সুফল মিলছে না। দাম নিয়ে কড়াকড়ি এড়িয়ে বিশ্ববাজারে দেশটির তেল সরবরাহ বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে তেলের দর ক্রমাগতভাবে বাড়ায় দেশটির রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে ভাবছেন বিশ্লেষকরা।
এবছরের মার্চ-এপ্রিল সময়ের মধ্যে অপরিশোধিত রুশ তেলের সরবরাহ ৫০ শতাংশ বেড়েছে বলে বিশ্লেষণী সংস্থা কেপলারের তথ্য উদ্ধৃত করে ফাইনান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
গত ডিসেম্বরে প্রতি ব্যারেল রাশিয়ার তেলের মূল্য সর্বোচ্চ ৬০ ডলার নির্ধারণ করেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জি-৭ দেশ ও অস্ট্রেলিয়া। ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া অর্থায়ন ঠেকাতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এরপরেও এই খাতে রাশিয়ার সমৃদ্ধি সন্দেহের বিষয়।
কিয়েভ স্কুল অব ইকোনমিক্সকের (কেএসই) পর্যালোচনা তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ক্রমাগতভাবে বেড়েছে এবং তার উপর রাজস্ব বাড়ানোর কৌশল হিসেবে বেশি তেল বিক্রি করতে ছাড় দিচ্ছে রাশিয়া ।
শিপিং ও ইন্স্যুরেন্স রেকর্ডের বিশ্লেষণ করে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বলছে, গত আগস্টে সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ পশ্চিমা ইনস্যুরেন্স ছাড়া রপ্তানি হয়েছে।
এদিকে সেপ্টেম্বরের প্রথম ২০ দিনে রাশিয়া সমুদ্রপথে ডিজেল এবং গ্যাসজাত তেল রপ্তানি প্রায় ৩০ শতাংশ কমিয়ে প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিক টন করেছে। গত সপ্তাহে ঘোষিত বেশিরভাগ দেশে পেট্রোল এবং ডিজেল রপ্তানির ওপর রাশিয়ার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তেল সরবরাহ কমাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২৭) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির (জিডিপি) পূর্বাভাস কমিয়ে ৪ শতাংশে নামিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। গত জুলাই মাসে দেওয়া পূর্বাভাসে সংস্থাটি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) খরা চলছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের অংশ হিসেবে সরকার দেশে নানা উদ্যোগের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও সরকারি-বেসরকারি ফোরামে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনার চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছে। সেই ধারাবাহিকতার কিছুটা সুফল এখন স্পষ্ট হচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিপুল সমর্থন নিয়ে গঠিত বর্তমান সরকারের উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি। আর নির্বাচিত সরকারের এ উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি পূরণের পথ খোলে সাধারণত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) যথাযথ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে জোরারোপ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নয়নে ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি বৃদ্ধির আহ্বানও জানিয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে