নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে এদেশের অটোমোবাইল, জুয়েলারি, পর্যটন খাতে প্রতিবেশী দেশের ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে বড় বিনিয়োগ করতে চায় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম। রোববার বিডার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গত ২৩ আগস্ট ভারতের রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) ও ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) আয়োজনে ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও কিনোট স্পিকার ছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
সে কনফারেন্সের প্রাপ্তি তুলে ধরে সিরাজুল ইসলাম বলেন, কনফারেন্সে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ দেশের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগের জন্য দেশটির কয়েকটি কোম্পানি ৯টি ইওআই (বিনিয়োগ আগ্রহ চুক্তি) স্বাক্ষর করেছে। এতে প্রাথমিক অবস্থায় ৮০০ কোটি টাকারও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগ আসবে।
বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের নিটল-নীলয় গ্রুপের সঙ্গে টিবিএস থ্রি হুইলার কার্গোর ৩০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ ইওআই স্বাক্ষর করেছে। দেশটির বিনিয়োগকারীরা টাটা ড্রাইসেল জেনারেটর, মাস্টার্ড ওয়েল জয়েন্ট ভেঞ্চার ইন বাংলাদেশ, মার্বেল অ্যান্ড গ্রানেট কার্টিং অ্যান্ড পলিশিং জয়েন্ট ভেঞ্চার ইন বাংলাদেশ, জুয়েলারি ইন্ডাস্ট্রি, সিলভার, গোল্ড অ্যান্ড হ্যান্ড মেইড, টুরিজম বিজনেসেও বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। বিজয় এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের চুক্তিও হয়েছে। দেশটির ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে লেখার ও ছাপার কাগজও আমদানি করবে।
সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসে ভারত সফর করবেন। তখন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) সঙ্গে তার মিটিং রয়েছে। ফলে আরও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসবে।
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আইবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, ‘ভারতীয় উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগে খুবই আগ্রহী। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়। আমরা এটাকে তিন বিলিয়নে উন্নীত করে রপ্তানি বৈষম্য কমিয়ে আনাসহ বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য কাজ করছি।’
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আইবিসিসিআইর সহসভাপতি শোয়েব চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আজাদ ও করপোরেট মেম্বার এম এ আজিজ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগে আগ্রহী ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে এদেশের অটোমোবাইল, জুয়েলারি, পর্যটন খাতে প্রতিবেশী দেশের ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে বড় বিনিয়োগ করতে চায় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম। রোববার বিডার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গত ২৩ আগস্ট ভারতের রাজস্থানের রাজধানী জয়পুরে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) ও ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইবিসিসিআই) আয়োজনে ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও কিনোট স্পিকার ছিলেন সিরাজুল ইসলাম।
সে কনফারেন্সের প্রাপ্তি তুলে ধরে সিরাজুল ইসলাম বলেন, কনফারেন্সে ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ দেশের বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগের জন্য দেশটির কয়েকটি কোম্পানি ৯টি ইওআই (বিনিয়োগ আগ্রহ চুক্তি) স্বাক্ষর করেছে। এতে প্রাথমিক অবস্থায় ৮০০ কোটি টাকারও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগ আসবে।
বিডা নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের নিটল-নীলয় গ্রুপের সঙ্গে টিবিএস থ্রি হুইলার কার্গোর ৩০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ ইওআই স্বাক্ষর করেছে। দেশটির বিনিয়োগকারীরা টাটা ড্রাইসেল জেনারেটর, মাস্টার্ড ওয়েল জয়েন্ট ভেঞ্চার ইন বাংলাদেশ, মার্বেল অ্যান্ড গ্রানেট কার্টিং অ্যান্ড পলিশিং জয়েন্ট ভেঞ্চার ইন বাংলাদেশ, জুয়েলারি ইন্ডাস্ট্রি, সিলভার, গোল্ড অ্যান্ড হ্যান্ড মেইড, টুরিজম বিজনেসেও বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে। বিজয় এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের চুক্তিও হয়েছে। দেশটির ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে লেখার ও ছাপার কাগজও আমদানি করবে।
সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসে ভারত সফর করবেন। তখন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) সঙ্গে তার মিটিং রয়েছে। ফলে আরও বেশি ভারতীয় বিনিয়োগ বাংলাদেশে আসবে।
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আইবিসিসিআই সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, ‘ভারতীয় উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগে খুবই আগ্রহী। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়। আমরা এটাকে তিন বিলিয়নে উন্নীত করে রপ্তানি বৈষম্য কমিয়ে আনাসহ বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য কাজ করছি।’
মিডিয়া ব্রিফিংয়ে আইবিসিসিআইর সহসভাপতি শোয়েব চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আজাদ ও করপোরেট মেম্বার এম এ আজিজ উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে ভারতীয় কোম্পানি আদানির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি বাতিল ও আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি চেয়েছে ক্যাব যুব সংসদ।
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হলে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও অংশীদারিত্বে আরও উচ্চমাত্রার উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন মহেশখালী ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (মিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ।
৯ ঘণ্টা আগে
কাস্টমস শুল্ক হ্রাসের কারণে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে সে লক্ষ্যে মোবাইল ফোন সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ ধার্য্য করে আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
এখন থেকে উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা কার্যকর হচ্ছে। এর আওতায় ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয়ের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে অনুমোদন দিতে পারবে। তবে এ সীমার বেশি ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা একনেকের অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
১ দিন আগে