নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলো ঈদের ছুটিতে খোলা থাকবে। ঈদুল আজহার বন্ধের সময়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ঠিক রাখতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঈদের ছুটির এই তিনদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে আজ রোববার সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলোকে পৃথক চিঠিতে সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনা ও বাণিজ্যবান্ধব রাজস্ব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটির মধ্যে কাস্টম অফিসগুলো খোলা রাখার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
জানা গেছে, গত ৩০ জুন পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ ঈদের ছুটিতে কাস্টম হাউস ও শুল্কস্টেশন খোলার অনুরোধ করে এনবিআরকে চিঠি পাঠায়। বিজিএমইএর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দেশের সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি হয়। এরপর রয়েছে মোংলা কাস্টম হাউস। এছাড়া স্থল বন্দরের মধ্যে যশোরের বেনাপোল কাস্টম হাউস দিয়ে বেশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম হয়। এ ছাড়া ঢাকা, কমলাপুর আইসিডি ও পানগাঁও কাস্টমস হাউস দিয়েও পণ্য খালাস হয়। এসব কাস্টম হাউসের পাশাপাশি ভোমরা, হিলি, বাংলাবান্ধাসহ অন্যান্য শুল্ক স্টেশনও ঈদের সময় খোলা থাকবে।
২০২০–২১ অর্থবছরে আমদানি পর্যায়ে প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকার শুল্ক আহরণ করেছে সরকার। যার ৭০ শতাংশ চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মাধ্যমে।
এনবিআরের অধীনে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ১২টি কাস্টম হাউস রয়েছে। এ ছাড়া সক্রিয় শুল্ক স্টেশন আছে ২৩ টি।

দেশের কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলো ঈদের ছুটিতে খোলা থাকবে। ঈদুল আজহার বন্ধের সময়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ঠিক রাখতে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঈদের ছুটির এই তিনদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে আজ রোববার সব কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলোকে পৃথক চিঠিতে সীমিত আকারে খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এনবিআরের চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি আনা ও বাণিজ্যবান্ধব রাজস্ব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ঈদের ছুটির মধ্যে কাস্টম অফিসগুলো খোলা রাখার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
জানা গেছে, গত ৩০ জুন পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ ঈদের ছুটিতে কাস্টম হাউস ও শুল্কস্টেশন খোলার অনুরোধ করে এনবিআরকে চিঠি পাঠায়। বিজিএমইএর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দেশের সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি হয়। এরপর রয়েছে মোংলা কাস্টম হাউস। এছাড়া স্থল বন্দরের মধ্যে যশোরের বেনাপোল কাস্টম হাউস দিয়ে বেশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম হয়। এ ছাড়া ঢাকা, কমলাপুর আইসিডি ও পানগাঁও কাস্টমস হাউস দিয়েও পণ্য খালাস হয়। এসব কাস্টম হাউসের পাশাপাশি ভোমরা, হিলি, বাংলাবান্ধাসহ অন্যান্য শুল্ক স্টেশনও ঈদের সময় খোলা থাকবে।
২০২০–২১ অর্থবছরে আমদানি পর্যায়ে প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকার শুল্ক আহরণ করেছে সরকার। যার ৭০ শতাংশ চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মাধ্যমে।
এনবিআরের অধীনে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ১২টি কাস্টম হাউস রয়েছে। এ ছাড়া সক্রিয় শুল্ক স্টেশন আছে ২৩ টি।

১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে শুল্কমুক্ত বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়েছে দেশের দুই শীর্ষ খাত—বস্ত্রকল ও রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। দেশীয় সুতাশিল্প সুরক্ষার যুক্তিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ সুবিধা তুলে নেওয়ার পথে হাঁটলেও, তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা
৬ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অর্ধেক সময় পেরিয়ে গেলেও সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে কার্যত স্থবিরতা কাটেনি। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এস
৬ ঘণ্টা আগে
পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হবে—সমালোচিত ও বড় বিনিয়োগকারী হিসেবে পরিচিত আবুল খায়ের হিরুর এমন বার্তার পরই দেশের পুঁজিবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। গতকাল রোববার প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ গুণ।
৬ ঘণ্টা আগে
বন্ড সুবিধার আড়ালে কেএলডি অ্যাপারেলস লিমিটেডের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি ও রপ্তানি জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে কাস্টমসের এক তদন্তে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত তিন বছরে প্রতিষ্ঠানটি বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ১৭৯ টন কাপড় ও অ্যাকসেসরিজ উৎপাদনে ব্যবহার না করে ইসলামপুরসহ বিভিন্ন অনুমোদনহীন বাজারে
৬ ঘণ্টা আগে