নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পোশাকশিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও জ্বালানি—দক্ষ প্রযুক্তিগুলোর একীভূতকরণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে ডেনমার্ক।
আজ রোববার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে সংস্থাটির সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিকস মোলার।
বিজিএমইএ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটির অন ফরেন মিশন সেলের চেয়ারম্যান শামস মাহমুদ, বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ট্রেড ফেয়ারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল এবং রোজ ইনটিমেটস লিমিটেডের পরিচালক সঞ্জয় কুমার নাহা, ডেনমার্ক দূতাবাসের সিনিয়র বাণিজ্য উপদেষ্টা সাদিয়া তৌফিক সাদী এবং সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ আলী আশরাফ খান।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা প্রধানত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বর্তমান অবস্থা, বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য শিল্পের অগ্রাধিকার প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে বিশেষ করে পোশাকশিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি, চক্রাকার অর্থনীতি এবং জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি একীভূতকরণসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ডেনমার্ক ও বাংলাদেশ কীভাবে একসঙ্গে আরও কাজ করতে পারে, সেই সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে আসন্ন ইইউ ডিউ ডিলিজেন্সের জন্য বাংলাদেশি পোশাক এবং টেক্সটাইল কোম্পানিগুলোর প্রস্তুতির বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে ফারুক হাসান বলেন, ‘এই রূপকল্পের মূলে রয়েছে টেকসই ব্যবসার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্যকরণ, উদ্ভাবন, দক্ষতার ঘাটতি পূরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পের অবস্থান আরও উন্নত করা নিয়ে আলোচনা হয়।’
ফারুক হাসান শীর্ষস্থানীয় ডেনিশ ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলোর মাধ্যমে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীদের পণ্য ও ডিজাইনের উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার ব্যাপারে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।

পোশাকশিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও জ্বালানি—দক্ষ প্রযুক্তিগুলোর একীভূতকরণে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে ডেনমার্ক।
আজ রোববার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে সংস্থাটির সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিকস মোলার।
বিজিএমইএ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটির অন ফরেন মিশন সেলের চেয়ারম্যান শামস মাহমুদ, বিজিএমইএ স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ট্রেড ফেয়ারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল এবং রোজ ইনটিমেটস লিমিটেডের পরিচালক সঞ্জয় কুমার নাহা, ডেনমার্ক দূতাবাসের সিনিয়র বাণিজ্য উপদেষ্টা সাদিয়া তৌফিক সাদী এবং সাপ্লাই চেইন বিশেষজ্ঞ আলী আশরাফ খান।
সাক্ষাৎকালে তাঁরা প্রধানত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বর্তমান অবস্থা, বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতি, চ্যালেঞ্জ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য শিল্পের অগ্রাধিকার প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠকে বিশেষ করে পোশাকশিল্পের টেকসই প্রবৃদ্ধি, চক্রাকার অর্থনীতি এবং জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি একীভূতকরণসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ডেনমার্ক ও বাংলাদেশ কীভাবে একসঙ্গে আরও কাজ করতে পারে, সেই সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে আসন্ন ইইউ ডিউ ডিলিজেন্সের জন্য বাংলাদেশি পোশাক এবং টেক্সটাইল কোম্পানিগুলোর প্রস্তুতির বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকে ফারুক হাসান বলেন, ‘এই রূপকল্পের মূলে রয়েছে টেকসই ব্যবসার ওপর গুরুত্ব দিয়ে পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্যকরণ, উদ্ভাবন, দক্ষতার ঘাটতি পূরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পোশাকশিল্পের অবস্থান আরও উন্নত করা নিয়ে আলোচনা হয়।’
ফারুক হাসান শীর্ষস্থানীয় ডেনিশ ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলোর মাধ্যমে বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) শিক্ষার্থীদের পণ্য ও ডিজাইনের উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার ব্যাপারে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৪ ঘণ্টা আগে