আসন্ন রমজান মাস সামনে রেখে তাজা ফলের ওপর শুল্ক কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। খেজুরের মতোই এবার আপেল, কমলা, আঙুর, মেস্তারিন, নাশপাতি ইত্যাদি তাজা ফলকে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে কমিশন।
সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দেওয়া এক চিঠিতে এই সুপারিশ করা হয়। রমজান মাস সামনে রেখে নিত্যপণ্য বিবেচনায় এমন সুপারিশ করা হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, দেশের চাহিদার বড় অংশ আমদানি করা তাজা ফলের মাধ্যমে পূরণ হয়। গত কয়েক বছরে ডলারের মূল্য, শুল্ক বৃদ্ধিসহ নানা কারণে আমদানি করা ফলের দাম বেড়ে যায়। বর্তমানে আপেল, কমলা, মেস্তারিন, আঙুর ও নাশপাতি আমদানিতে মোট শুল্ক রয়েছে ১২১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আনার আমদানিতে মোট শুল্ক-কর রয়েছে ১২৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
চিঠিতে আরও বলা হয়, আপেল, মাল্টা, আনার ইত্যাদি ফলের স্থানীয় উৎপাদন নেই; তাই এই উচ্চহারে শুল্ক-কর রাখার প্রয়োজনীয়তা সীমিত।
অন্যদিকে উচ্চহারে শুল্ক-কর আরোপের ফলে বৈধ পথে আমদানি কমে তা অবৈধ পথে আমদানিকে উৎসাহিত করতে পারে। এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে অতিমাত্রায় বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহারের প্রবণতাও বাড়তে পারে। উচ্চ শুল্ক-করের ফলে তাজা ফলের আমদানি কমার ধারা অব্যাহত থাকলে শুধু ভোক্তাসাধারণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না; ভবিষ্যতে রাজস্ব আহরণও কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তাজা ফলকে ‘বিলাস পণ্য’ হিসেবে বিবেচনা করে এর ওপর ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। তবে নিত্যপণ্য আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী খাদ্যপণ্য হিসেবে তাজা ফল ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য’ বিধায় এর ওপর আরোপিত অতিরিক্ত সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার বা যৌক্তিক করা যেতে পারে।

সোনা বিক্রির ওপর বর্তমান ন্যূনতম কর ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.২৫ শতাংশ নির্ধারণ, উৎসে আয়কর প্রত্যাহার এবং হীরা আমদানিতে শুল্ক হ্রাসসহ ততোধিক প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সামনে রেখে এসব প্রস্তাব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) জমা দিয়েছে সংগঠনটি।
২ ঘণ্টা আগে
মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে মুখ্য ভূমিকায় থাকা রপ্তানি খাত প্রতি মাসেই প্রবৃদ্ধি অর্জনে হোঁচট খাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসের মধ্যে ৮ মাসই কমেছে দেশের পণ্য রপ্তানি আয়।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ হামলা শুরুর এক মাসের মাথায় বিশ্বের বহু দেশে জ্বালানির সংকট চরমে উঠেছে। দেশে দাম না বাড়লেও চাহিদামতো জ্বালানি তেল পাওয়া নিয়ে ভোক্তারা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকার বলেছে, চলতি এপ্রিল মাসের চাহিদা পূরণের মতো ব্যবস্থা বাংলাদেশের রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
রোজা ও পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাড়তি চাহিদার কারণে যে কটি পণ্যের দাম বেড়েছিল, তার মধ্যে ভোজ্যতেল, গরুর মাংস ও সোনালি মুরগি অন্যতম। এসব পণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায় ঈদের কয়েক দিন আগেই। ক্রেতাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদ শেষে এসব পণ্যের দাম আবার আগের জায়গায় নেমে আসবে।
৩ ঘণ্টা আগে