
দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, তেজাবি সোনা ও রুপার দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনা ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। বাজুস নির্ধারিত নতুন দামে প্রতি ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৭ হাজার ১১৬ টাকা।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন মূল্য একই দিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের নতুন দামের তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৭৫ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৭১ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরিতে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০১ টাকা।
অন্যদিকে রুপার দামও নির্ধারণ করা হয়েছে নতুনভাবে। ২২ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরিতে ৬ হাজার ৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরির দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই বিক্রয়মূল্য কার্যকর থাকবে। ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সংগ্রহ করে তা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

টুয়েলভ, লা রিভ, সেইলর, ক্যাটস আই, রিচম্যান, জেন্টল পার্ক, আড়ং, রঙ বাংলাদেশ, অঞ্জন’স, দেশাল, কে ক্র্যাফট কিংবা সাদাকালো—দেশি ফ্যাশন হাউসের জগতে প্রতিটি পরিচিত ব্র্যান্ড। তবে পোশাকের বাজারে প্রতিষ্ঠিত হাউসের সংখ্যা শতাধিক। ছোট-বড় মিলিয়ে দেশে ফ্যাশন হাউস রয়েছে পাঁচ সহস্রাধিক।
১১ ঘণ্টা আগে
গ্রাহকদের ট্রেজারি বন্ড জামানত রেখে ঋণ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে ব্যাংকগুলো। এ বিষয়ে কয়েকটি নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট সংকটে দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ অবস্থায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন ব্যবহারসহ একগুচ্ছ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্বিগুণের বেশি দামে দুই দেশ থেকে তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে দুই কার্গো এবং যুক্তরাজ্য থেকে এক কার্গো এলএনজি আনা হবে। তিন কার্গো এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৫৪ কোটি ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার
১৬ ঘণ্টা আগে