নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন অটোমোবাইল খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে গ্যাস সরবরাহে মনোযোগ দিচ্ছে। কোম্পানিটি ইন্ট্রাকো অটোমোবাইলসের সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে বিনিয়োগ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ইন্ট্রাকো অটোমোবাইলসের সিএনজি স্টেশন থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, সিএনজি স্টেশনের জমির মালিকের সঙ্গে লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ইন্ট্রাকো এটি আর পরিচালনা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এই বিনিয়োগ ভোলা নন-পাইপ গ্যাসলাইন ইউনিটে স্থানান্তর করা হবে।
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন ২০২৩ সালে ভোলা থেকে সিএনজি আকারে গ্যাস পরিবহনের দায়িত্ব পায়। প্রথমে প্রতিদিন ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করলেও পরবর্তী পর্যায়ে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার চুক্তি করে। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরের মধ্যে অবশিষ্ট ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে না পারায় চুক্তির ওই অংশ কার্যকারিতা হারায়। তবুও কোম্পানিটি উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধিতে আগ্রহী।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ভোলার গ্যাস সিএনজি আকারে দেশের শিল্পকারখানায় সরবরাহ শুরু হয়। এ সক্ষমতা আরও বাড়াতে ইন্ট্রাকো নতুন বিনিয়োগ করছে।
গত এক বছরে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের শেয়ারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪৭ টাকা ৩০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন দাম ছিল ১৩ টাকা ৫০ পয়সা। ২০২৪ সালে কোম্পানিটি ১ শতাংশ, ২০২৩ সালে ১০ শতাংশ, ২০২২ সালে ১০ শতাংশ, ২০২১ সালে ২ শতাংশ ও ২০২০ সালে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন অটোমোবাইল খাত থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে গ্যাস সরবরাহে মনোযোগ দিচ্ছে। কোম্পানিটি ইন্ট্রাকো অটোমোবাইলসের সিএনজি স্টেশন বন্ধ করে বিনিয়োগ স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, ইন্ট্রাকো অটোমোবাইলসের সিএনজি স্টেশন থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নেওয়া হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, সিএনজি স্টেশনের জমির মালিকের সঙ্গে লিজ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ইন্ট্রাকো এটি আর পরিচালনা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এই বিনিয়োগ ভোলা নন-পাইপ গ্যাসলাইন ইউনিটে স্থানান্তর করা হবে।
ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন ২০২৩ সালে ভোলা থেকে সিএনজি আকারে গ্যাস পরিবহনের দায়িত্ব পায়। প্রথমে প্রতিদিন ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করলেও পরবর্তী পর্যায়ে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করার চুক্তি করে। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরের মধ্যে অবশিষ্ট ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে না পারায় চুক্তির ওই অংশ কার্যকারিতা হারায়। তবুও কোম্পানিটি উৎপাদন ও সরবরাহ বৃদ্ধিতে আগ্রহী।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ভোলার গ্যাস সিএনজি আকারে দেশের শিল্পকারখানায় সরবরাহ শুরু হয়। এ সক্ষমতা আরও বাড়াতে ইন্ট্রাকো নতুন বিনিয়োগ করছে।
গত এক বছরে ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের শেয়ারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ৪৭ টাকা ৩০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন দাম ছিল ১৩ টাকা ৫০ পয়সা। ২০২৪ সালে কোম্পানিটি ১ শতাংশ, ২০২৩ সালে ১০ শতাংশ, ২০২২ সালে ১০ শতাংশ, ২০২১ সালে ২ শতাংশ ও ২০২০ সালে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে।

দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৩৯ মিনিট আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৫ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৫ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
১৫ ঘণ্টা আগে