নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

মাত্র ৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জীবনবিমা তহবিলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩০৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানির সম্পদ রয়েছে ২৫২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কোম্পানির সর্বশেষ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ৩০ জুন প্রান্তিকে বিমা কোম্পানিটির জীবনবিমা তহবিলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৭ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা; যা চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৩০১ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে কোম্পানিটির জীবনবিমা তহবিলে ঘাটতি বেড়েছে ৬ কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৩০ জুন সময়ে তহবিলের পরিমাণ ছিল ২৭২ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে ঘাটতি বেড়েছে ৩৫ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নূর মোহম্মদ ভুঁইয়া বলেন, বিদ্যমান অবস্থায় ব্যবসা কমেছে। এ কারণে তহবিল ঘাটতি বাড়ছে।
বিমাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, জীবনবিমা তহবিল বা লাইফ ফান্ড হলো বিমা কোম্পানির আর্থিক মেরুদণ্ড; যা গ্রাহকের দাবি পূরণ ও বোনাস দেওয়ার জন্য গঠন ও সংরক্ষণ করা হয়। এই ফান্ডের মাধ্যমে বোঝা যায় কোম্পানির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে।
লাইফ ফান্ড হলো জীবনবিমা কোম্পানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তহবিল। এটি মূলত বিমাকারীর (গ্রাহকের) কাছ থেকে নেওয়া প্রিমিয়াম, সেই প্রিমিয়াম থেকে সৃষ্ট বিনিয়োগ আয় এবং অন্যান্য আয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি সঞ্চিত তহবিল। এই ফান্ডের উদ্দেশ্য হলো বিমা গ্রাহকদের ভবিষ্যৎ দায়বদ্ধতা (যেমন মেয়াদপূর্তি দাবি, মৃত্যুদাবি, বোনাস প্রদান ইত্যাদি) পূরণ করা।

মাত্র ৩৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের বিপরীতে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জীবনবিমা তহবিলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩০৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানির সম্পদ রয়েছে ২৫২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। কোম্পানির সর্বশেষ প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে ৩০ জুন প্রান্তিকে বিমা কোম্পানিটির জীবনবিমা তহবিলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৭ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা; যা চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ছিল ৩০১ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে কোম্পানিটির জীবনবিমা তহবিলে ঘাটতি বেড়েছে ৬ কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৩০ জুন সময়ে তহবিলের পরিমাণ ছিল ২৭২ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। সে হিসাবে ঘাটতি বেড়েছে ৩৫ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নূর মোহম্মদ ভুঁইয়া বলেন, বিদ্যমান অবস্থায় ব্যবসা কমেছে। এ কারণে তহবিল ঘাটতি বাড়ছে।
বিমাসংশ্লিষ্টরা বলছেন, জীবনবিমা তহবিল বা লাইফ ফান্ড হলো বিমা কোম্পানির আর্থিক মেরুদণ্ড; যা গ্রাহকের দাবি পূরণ ও বোনাস দেওয়ার জন্য গঠন ও সংরক্ষণ করা হয়। এই ফান্ডের মাধ্যমে বোঝা যায় কোম্পানির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে।
লাইফ ফান্ড হলো জীবনবিমা কোম্পানির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তহবিল। এটি মূলত বিমাকারীর (গ্রাহকের) কাছ থেকে নেওয়া প্রিমিয়াম, সেই প্রিমিয়াম থেকে সৃষ্ট বিনিয়োগ আয় এবং অন্যান্য আয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি সঞ্চিত তহবিল। এই ফান্ডের উদ্দেশ্য হলো বিমা গ্রাহকদের ভবিষ্যৎ দায়বদ্ধতা (যেমন মেয়াদপূর্তি দাবি, মৃত্যুদাবি, বোনাস প্রদান ইত্যাদি) পূরণ করা।

রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্ট মানের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউস অর্থাৎ শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। দেশীয় স্পিনিং-শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো ও এলডিসি উত্তরণপরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে এমন
২ ঘণ্টা আগে
দেশের নির্মাণসামগ্রী খাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট। সারা বিশ্বেই র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট বর্তমানে বড় পরিসরে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন দিনের নির্মাণ চাহিদা পূরণে এবং দ্রুততার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করতে র্যাপিড হার্ডেনিং সিমেন্ট ব্যবহারের প্রচলন আমাদের দেশে এখনো তুলনামূলকভাবে নতুন।
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
১৮ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
১৮ ঘণ্টা আগে