আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পোশাক খাতের দেশীয় ব্র্যান্ড সাইক্লো বৈশ্বিক সুইস ব্র্যান্ড সাইক্লোনের অনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সাইক্লোন আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানটিকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন কর্মকর্তারা। তাঁরা জানান, গ্লোবাল জায়ান্ট ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের বাজার সীমিত করার চেষ্টা করেছে। যদি মেধাস্বত্ব অধিকার সুরক্ষিত না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে দেশীয় ব্র্যান্ডটিকে আন্তর্জাতিক বাজারের বাইরে ঠেলে দেবে বলেও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাইক্লোর পরিচালক মুস্তাফাইন মুনির এসব তথ্য জানান।
সাইক্লোর পরিচালক বলেন, ‘আমরা সাইক্লোনকে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তাঁরা তাতে রাজি হননি। বরং তাঁরা বিভিন্ন দেশে আমাদেরকে ব্যবসায়িকভাবে বাধা দিচ্ছেন। আমরা আশা করি, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ব্র্যান্ডের মেধাসম্পত্তির অধিকারকে সম্মান করবে।’
সাইক্লো হলো একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্র্যান্ড, যা বিশ্ব ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এবং বেশ কিছু আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটি সুতার পুনঃ ব্যবহার করে পোশাক তৈরির কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিশ্বের ২০ টির বেশি দেশে পোশাক রপ্তানি করছে। কোম্পানিটি প্রতিবছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন টন গার্মেন্টস বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে।
তবে ২০২১ সালে সুইস জুতার বিশাল প্রতিষ্ঠান অন এজি তাদের নিজস্ব পুনঃ ব্যবহৃত পোশাকের প্রকল্প সাইক্লোন তৈরি করে। তখন থেকে তারা বাংলাদেশি ব্র্যান্ড সাইক্লোকে বাজারে কাজ করতে বাধা দেওয়া শুরু করে। তাদের যুক্তি ছিল, সাইক্লো নামটি তাদের সাইক্লোন ব্র্যান্ডের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পোশাক খাতের দেশীয় ব্র্যান্ড সাইক্লো বৈশ্বিক সুইস ব্র্যান্ড সাইক্লোনের অনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। সাইক্লোন আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানটিকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন কর্মকর্তারা। তাঁরা জানান, গ্লোবাল জায়ান্ট ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডের বাজার সীমিত করার চেষ্টা করেছে। যদি মেধাস্বত্ব অধিকার সুরক্ষিত না হয়, তবে অদূর ভবিষ্যতে দেশীয় ব্র্যান্ডটিকে আন্তর্জাতিক বাজারের বাইরে ঠেলে দেবে বলেও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাইক্লোর পরিচালক মুস্তাফাইন মুনির এসব তথ্য জানান।
সাইক্লোর পরিচালক বলেন, ‘আমরা সাইক্লোনকে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তাঁরা তাতে রাজি হননি। বরং তাঁরা বিভিন্ন দেশে আমাদেরকে ব্যবসায়িকভাবে বাধা দিচ্ছেন। আমরা আশা করি, বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলো স্বল্পোন্নত দেশগুলোর ব্র্যান্ডের মেধাসম্পত্তির অধিকারকে সম্মান করবে।’
সাইক্লো হলো একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্র্যান্ড, যা বিশ্ব ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এবং বেশ কিছু আন্তর্জাতিক খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটি সুতার পুনঃ ব্যবহার করে পোশাক তৈরির কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিশ্বের ২০ টির বেশি দেশে পোশাক রপ্তানি করছে। কোম্পানিটি প্রতিবছর প্রায় ৫০ মিলিয়ন টন গার্মেন্টস বর্জ্য পুনর্ব্যবহার করে।
তবে ২০২১ সালে সুইস জুতার বিশাল প্রতিষ্ঠান অন এজি তাদের নিজস্ব পুনঃ ব্যবহৃত পোশাকের প্রকল্প সাইক্লোন তৈরি করে। তখন থেকে তারা বাংলাদেশি ব্র্যান্ড সাইক্লোকে বাজারে কাজ করতে বাধা দেওয়া শুরু করে। তাদের যুক্তি ছিল, সাইক্লো নামটি তাদের সাইক্লোন ব্র্যান্ডের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিচ্ছে সরকার। এই অর্থ দিয়ে ১৪ জানুয়ারি শরিয়াহভিত্তিক সুকুক বন্ড ইস্যু করা হচ্ছে। ইজারা পদ্ধতিতে ১০ বছর মেয়াদি এই বন্ড থেকে বছরে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মুনাফা মিলবে। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায়।
১ ঘণ্টা আগে
দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। কোনো বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) গণভোট ইস্যুতে প্রচারে আর্থিক সহায়তা চাইলে ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর)
২ ঘণ্টা আগে
নেপাল ও বাংলাদেশ ঢাকায় বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা বিষয়গুলো, বিশেষ করে প্রস্তাবিত দ্বিপক্ষীয় প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ) বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি এবং এর আওতাভুক্ত পণ্যের তালিকার বিষয়টি পুনরায় আলোচনায় আসবে।
৭ ঘণ্টা আগে
ব্যাংক খাতকে ঘিরে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানামুখী পদক্ষেপ শেষ পর্যন্ত দীর্ঘদিনের ভয় ও অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। অনিয়ম-দুর্নীতি আর লুটপাটের অভিযোগে যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে মানুষ আবার ব্যাংকমুখী হচ্ছে। একসময় আতঙ্কে তুলে নেওয়া নগদ টাকা এখন ফের জমা পড়ছে ব্যাংকে।
১৫ ঘণ্টা আগে