
মেটলাইফ বাংলাদেশের ‘সেরা এজেন্সি ২০২৪’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে নোয়াখালীর ‘সুমন এজেন্সি’। জীবন বিমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, সন্তোষজনক গ্রাহকসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ২০২৪ সালে সারা দেশের সব এজেন্সির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনের জন্য সুমন এজেন্সিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে মেটলাইফ বাংলাদেশ।
নোয়াখালীর মাইজদি কোর্ট মেইন রোডে অবস্থিত সুমন এজেন্সির ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সফি উল্ল্যাহ সুমনের দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তাঁর এজেন্সির সব ইউনিট ম্যানেজার ও ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েটদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। প্রতিবছর শুধু একটি এজেন্সিকেই এই সম্মানজনক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সফি উল্ল্যাহ সুমন ২০০৮ সালে মেটলাইফে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১০ সালে ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পান। ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৮ সালে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পান।
সুমন এজেন্সি অফিসে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সফি উল্ল্যাহ সুমনের হাতে ‘সেরা এজেন্সি ২০২৪’ ট্রফি তুলে দেন মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার জাফর সাদেক চৌধুরী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ অপারেশনস অফিসার কামরুল আনাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ এজেন্সি সেলস অফিসার মো. লুৎফর রহমান এবং বিভিন্ন কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, বাংলাদেশের সেরা এজেন্সি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় সুমন এজেন্সিকে অভিনন্দন। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে দেশের যেকোনো জায়গা থেকেই বিমা খাতে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব এবং দেশের বেকারত্ব দূর করতে বিমা খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মেটলাইফ বাংলাদেশের ‘সেরা এজেন্সি ২০২৪’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে নোয়াখালীর ‘সুমন এজেন্সি’। জীবন বিমা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, সন্তোষজনক গ্রাহকসেবা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি ২০২৪ সালে সারা দেশের সব এজেন্সির মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনের জন্য সুমন এজেন্সিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে মেটলাইফ বাংলাদেশ।
নোয়াখালীর মাইজদি কোর্ট মেইন রোডে অবস্থিত সুমন এজেন্সির ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সফি উল্ল্যাহ সুমনের দক্ষ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তাঁর এজেন্সির সব ইউনিট ম্যানেজার ও ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েটদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সফলতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। প্রতিবছর শুধু একটি এজেন্সিকেই এই সম্মানজনক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সফি উল্ল্যাহ সুমন ২০০৮ সালে মেটলাইফে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১০ সালে ইউনিট ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পান। ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১৮ সালে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি পান।
সুমন এজেন্সি অফিসে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সফি উল্ল্যাহ সুমনের হাতে ‘সেরা এজেন্সি ২০২৪’ ট্রফি তুলে দেন মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার জাফর সাদেক চৌধুরী, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ অপারেশনস অফিসার কামরুল আনাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড চিফ এজেন্সি সেলস অফিসার মো. লুৎফর রহমান এবং বিভিন্ন কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে মেটলাইফ বাংলাদেশের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আলা আহমদ বলেন, বাংলাদেশের সেরা এজেন্সি হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় সুমন এজেন্সিকে অভিনন্দন। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে দেশের যেকোনো জায়গা থেকেই বিমা খাতে সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব এবং দেশের বেকারত্ব দূর করতে বিমা খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চলতি অর্থবছরে উন্নয়ন খাতে ৮৫৬টি প্রকল্প রয়েছে; কিন্তু এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) এ চিত্র দেখা গেছে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৪১৩, বৈদেশিক অর্থায়নে ১৫৭, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ৩৫, পিপিপির আওতাভুক্ত প্রকল্প ৮১ এবং জলবায়ু
৪ ঘণ্টা আগে
রাজস্ব আয়, উদ্বৃত্ত ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অবদান—এই তিন ক্ষেত্রেই গত পাঁচ বছরে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ২০২১ থেকে ২০২৫—এই পাঁচ বছরে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রাজস্ব আয় প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি গড়ে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ রাজস্ব উদ্বৃত্ত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরটি।
৪ ঘণ্টা আগে
সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের দুর্বলতা ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অদক্ষ পরিচালনার কারণে দেশের অনিশ্চিত দায় বা কনটিনজেন্ট লায়াবিলিটি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, এ মুহূর্তে সরকারের এই দায় ৬ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮২ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে। এর বড় অংশই রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান
৪ ঘণ্টা আগে
সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনার পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারপত্র ও ব্যানার টাঙানোর কাজ শুরু করেছে ব্যাংকগুলো। তবে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর খাতের অর্থ হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণার জন্য বেসরকারি সংস্থাকে (এনজিও) দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান...
৭ ঘণ্টা আগে