চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে ভিয়েতনাম। বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় ক্রিপ্টো বাজার হিসেবে পরিচিত এই দেশটিতে নতুন এই উদ্যোগ ঘিরে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কোম্পানি বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণের জন্য সারিবদ্ধ হচ্ছে। তবে কঠোর নিয়মনীতি ও উচ্চ মূলধন সীমা প্রতিযোগিতা বাজারের প্রাথমিক তারল্য সীমিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ব্লকচেইন বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ‘চেইনালিসিস’-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ভিয়েতনামের ক্রিপ্টো লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ২২২ থেকে ২৩৩ বিলিয়ন ডলার। এই অঙ্ক দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় অর্ধেকের সমান। এই হিসেবে দেশটিতে দৈনিক গড়ে ৬০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ক্রিপটো লেনদেন হয়েছে। একই সঙ্গে ‘গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডপশন ইনডেক্স’-এ দেশটির অবস্থান ছিল চতুর্থ।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর ভিয়েতনাম সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি একটি পাইলট প্রকল্প চালুর ঘোষণা দেয়, যার লক্ষ্য ছিল নিয়ন্ত্রণহীন ও অফশোর নির্ভর ক্রিপ্টো কার্যক্রমকে স্থানীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় আনা। এই ‘স্যান্ডবক্স’ ব্যবস্থায় কেবল দেশীয়ভাবে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান এবং বাস্তব সম্পদ দ্বারা সমর্থিত টোকেন অনুমোদন পাবে, যা স্থানীয় মুদ্রা ডং-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে।
এই প্রকল্পে অংশ নিতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ওকেএক্স এবং ভিয়েতনামের বড় বেসরকারি ব্যাংক ভিপিব্যাংক-এর যৌথ উদ্যোগ সিএইএক্স। এ লক্ষ্যে ওকেএক্স এই মাসেই প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ডং (প্রায় ৩৮০ মিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ করবে।
সিএইএক্স-এর চেয়ারম্যান এনগুয়েন হং ত্রুং বলেছেন, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং তাদের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উচ্চ নিরাপত্তা মানে তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওকেএক্স-এর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা—বিশেষ করে সিঙ্গাপুর, দুবাই ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো নিয়ন্ত্রিত বাজারে কাজের দক্ষতা এই উদ্যোগকে শক্তিশালী করবে।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পাইলট প্রকল্পে অংশ নিতে আবেদন করেছে। এগুলো হলো—ভি ১৪, ট্যাকম সিকিউরিটিজ, সান গ্রুপ এবং এলপিব্যাংক। তবে চূড়ান্ত অনুমোদন এখনো নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে ভিয়েতনামের প্রধানমন্ত্রী লে মিনহ হাং জানিয়েছেন, প্রকল্পটি চলতি প্রান্তিকেই চালু হতে পারে। তবে বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমিত লাইসেন্স এবং কঠোর নীতির কারণে বাজারে প্রতিযোগিতা ও তারল্য কম থাকতে পারে। ফলে লেনদেন ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি প্ল্যাটফর্মে লেনদেন নিষিদ্ধ করার চিন্তাও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

বিশ্ববাজারে চাহিদার ধীরগতি ও দেশের অর্থনীতিতে নানা চাপের মধ্যেও রপ্তানি আয় ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) দেশের তৈরি পণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি বাবদ আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এ সময়ে রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৪১ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার,
৪ মিনিট আগে
আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন মো. মেহমুদ হোসেন। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৯৮৬ তম সভায় তিনি সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন।
১১ মিনিট আগে
অর্থনীতির অনিশ্চয়তা, বৈশ্বিক অস্থিরতা কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত—কোনোটিই প্রবাসীদের অর্থ পাঠানোর ধারাকে থামাতে পারেনি। বরং প্রতিকূলতার মধ্যেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে প্রবাসী আয়।
২৭ মিনিট আগে
বিমা খাতে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বৈধ দাবি পরিশোধের ধারাবাহিকতায় তৃতীয় দফায় ৭ হাজার ৬৪১ জন পলিসিধারীকে ২৬ কোটি ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার ৫৩০ টাকা পরিশোধ করা হবে। আগামী রোববার গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ কার্যক্রম শুরু হবে।
১ ঘণ্টা আগে