ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে (ডিসি) হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নাসির উদ্দিনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রোববার ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক রমেশ কুমার ডাগা এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই হিরণময় চন্দ্র রায় বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ডিসি অফিসে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাজির রেজওয়ানুল প্রধান বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরকে প্রধান অভিযুক্ত করে ও অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। আজ নাসিরকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে। মামলায় নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকারি অফিসে ভাঙচুর ও পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।
এর আগে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার প্রবেশ দ্বারের কেচি গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নাসির উদ্দিন। পরে তিনি বেলচা দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়ে জেলা প্রশাসকের কক্ষ, সভাকক্ষ, মুক্তিযোদ্ধা কর্নার, অভ্যর্থনা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কক্ষ, প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষসহ ১০ রুমের ৩১টি দরজা-জানালা ও আসবাব ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় নাসির নেজারত শাখার প্রিন্টার মেশিন ও চেয়ারও ভাঙচুর করেন। ভাঙচুর করা ব্যক্তিকে প্রতিরোধ করতে গেলে সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর ডিসি অফিসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তার নাসির উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোনো অপরাধ না করলে পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করে না। তাই পুলিশের হাতে আটক হওয়ার জন্যই আমি এ ঘটনা ঘটিয়েছি।’

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে (ডিসি) হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নাসির উদ্দিনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রোববার ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক রমেশ কুমার ডাগা এই আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই হিরণময় চন্দ্র রায় বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ডিসি অফিসে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নাজির রেজওয়ানুল প্রধান বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় নাসিরকে প্রধান অভিযুক্ত করে ও অজ্ঞাত একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। আজ নাসিরকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় তাঁর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে। মামলায় নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকারি অফিসে ভাঙচুর ও পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না পুলিশ তা খতিয়ে দেখছে।
এর আগে গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার প্রবেশ দ্বারের কেচি গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নাসির উদ্দিন। পরে তিনি বেলচা দিয়ে ব্যাপক হামলা চালিয়ে জেলা প্রশাসকের কক্ষ, সভাকক্ষ, মুক্তিযোদ্ধা কর্নার, অভ্যর্থনা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের কক্ষ, প্রশাসনিক কর্মকর্তার কক্ষসহ ১০ রুমের ৩১টি দরজা-জানালা ও আসবাব ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় নাসির নেজারত শাখার প্রিন্টার মেশিন ও চেয়ারও ভাঙচুর করেন। ভাঙচুর করা ব্যক্তিকে প্রতিরোধ করতে গেলে সদর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মামুনুর রশিদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার পর ডিসি অফিসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তার নাসির উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোনো অপরাধ না করলে পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করে না। তাই পুলিশের হাতে আটক হওয়ার জন্যই আমি এ ঘটনা ঘটিয়েছি।’

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে মোজাহার আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করছে পুলিশ। তিনি উপজেলার ঘুড়িদহ ইউনিয়নের মতরপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সর্দারের ছেলে।
৮ মিনিট আগে
মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
১ ঘণ্টা আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে