প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গড়েয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ মামলায় মনোরঞ্জন রায় (৫৫) নামের এক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের এস সি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গোপালপুর গ্রামের মৃত দিগেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। তিনি গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার দুপুরে আসামিকে ঠাকুরগাঁওয়ের বিচারিক হাকিম আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে চন্দন রায়ের সঙ্গে মামলার বাদী ওই তরুণীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মামলার বাদী ও চন্দন রায় সম্পর্কে খালাতো ভাই বোন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময় চন্দন রায় ওই তরুণীকে জোরপূর্বক তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এতে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যায়। এরপর তরুণী চন্দন রায়কে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে সে বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলে। পরে গত রোববার বিকেলে চন্দন ওই তরুণীকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায় ও তাঁর পরিবারের লোকজন তরুণীকে মারপিট করে এবং বাচ্চা নষ্ট করার জন্য জোরপূর্বক ওষুধ খাওয়ান। এ ছাড়াও ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায় তরুণীর গলায় জোরপূর্বক ৩০০ টাকার একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে গত শনিবার সদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায়, তাঁর স্ত্রী সোমারী রায় (৪৮), ছেলে চন্দন রায় (২৬), মেয়ে মালা রাণী (৩০), জামাই সৌখিন রায় (৩৫) ও মেয়ে কৃত্তিকা রাণীকে (২২)।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলায় অন্য আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় গড়েয়ায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ মামলায় মনোরঞ্জন রায় (৫৫) নামের এক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের এস সি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গোপালপুর গ্রামের মৃত দিগেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। তিনি গড়েয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।
সোমবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভিরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রোববার দুপুরে আসামিকে ঠাকুরগাঁওয়ের বিচারিক হাকিম আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে চন্দন রায়ের সঙ্গে মামলার বাদী ওই তরুণীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মামলার বাদী ও চন্দন রায় সম্পর্কে খালাতো ভাই বোন। বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন সময় চন্দন রায় ওই তরুণীকে জোরপূর্বক তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এতে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে যায়। এরপর তরুণী চন্দন রায়কে বিয়ে করার জন্য চাপ দিলে সে বাচ্চা নষ্ট করার কথা বলে। পরে গত রোববার বিকেলে চন্দন ওই তরুণীকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যায়। এরপর ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায় ও তাঁর পরিবারের লোকজন তরুণীকে মারপিট করে এবং বাচ্চা নষ্ট করার জন্য জোরপূর্বক ওষুধ খাওয়ান। এ ছাড়াও ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায় তরুণীর গলায় জোরপূর্বক ৩০০ টাকার একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
পরে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে গত শনিবার সদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় অভিযুক্ত করা হয় ইউপি সদস্য মনোরঞ্জন রায়, তাঁর স্ত্রী সোমারী রায় (৪৮), ছেলে চন্দন রায় (২৬), মেয়ে মালা রাণী (৩০), জামাই সৌখিন রায় (৩৫) ও মেয়ে কৃত্তিকা রাণীকে (২২)।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, মামলায় অন্য আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১৮ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে