সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও

ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে জমে উঠেছে ঈদবাজার। তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ২০ রোজার পর শহরের টাউন প্লাজা, হাওলাদার সুপার মার্কেট, মৌচাক সুপার মার্কেট, মাসুদ হাইট, রিচম্যান, দরজি বাড়ি, নিউ বিগ বাজারসহ বিপণিবিতানগুলোতে কেনাকাটা জমে উঠেছে। গেল দুই বছর করোনার কারণে ভালো বিক্রি হয়নি। তাই এবার ভালো বিক্রির আশা করছেন বিক্রেতারা।
আজ সোমবার বিপণিবিতানগুলো ঘুরে দেখা যায়, কাপড়ের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। আশপাশের উপজেলা থেকে লোকজন জেলা শহরে কেনাকাটা করতে আসছেন।
নথ সার্কুলার রোডের ঘোমটা দুইয়ের মালিক আশরাফুল আলম বিপুল জানান, এবারের ঈদে সারারা-গারারা ও কাঁচা বাদামের চাহিদা বেশি। ড্রেস গুলো ভালোই বিক্রি হচ্ছে। তবে গরম থাকার কারণে দেশি সুতি থ্রি-পিচ কিনছেন অনেকে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্তই চলছে বেচাকেনা।
রিচম্যানের ইনচার্জ তানজিল ইসলাম জানান, ছেলেদের কাপড়ের মধ্যে চাহিদার শীর্ষে পাঞ্জাবি। এ ছাড়া জিনস প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি শার্ট রয়েছে পছন্দের তালিকায়।
পারটোনিক শো রুমের ম্যানেজার আরিফ বিন হাসান জানান, গত দুই বছরের ঈদ লকডাউনের বিধিনিষেধে কেটেছে। এ বছর করোনা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আশা করি, ভালো কেনাবেচা হবে। এবার ঈদে ছেলেদের কাবলী সেট ও মেয়েদের টু-পিছ বেশি বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি গেঞ্জি, শার্ট-প্যান্টও কিনছেন অনেকে।
কলেজ ছাত্রী মর্জিনা খাতুন জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এ বছরের দামটা একটু বেশি। ফুটপাতে দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় মধ্যম আয়ের ক্রেতারা মার্কেট থেকে না কিনে ফুটপাত থেকে কেনাকাটা করছেন।
শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড মার্কেটে হাবিবা বেগম বলেন, সন্তানদের নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি। অন্য বছরের তুলনায় কাপড়ের দাম বেশি বলে মনে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম জানান, ঈদকে ঘিরে শহরের শপিংমল, মার্কেট, বিপণিবিতানগুলোতে কেনাকাটার চাপ বেড়েছে। এ সময় অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট, শপিংমল, সড়কের সম্মুখে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিরসনেও বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছে পুলিশ।

ঈদকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে জমে উঠেছে ঈদবাজার। তীব্র গরম উপেক্ষা করে বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ২০ রোজার পর শহরের টাউন প্লাজা, হাওলাদার সুপার মার্কেট, মৌচাক সুপার মার্কেট, মাসুদ হাইট, রিচম্যান, দরজি বাড়ি, নিউ বিগ বাজারসহ বিপণিবিতানগুলোতে কেনাকাটা জমে উঠেছে। গেল দুই বছর করোনার কারণে ভালো বিক্রি হয়নি। তাই এবার ভালো বিক্রির আশা করছেন বিক্রেতারা।
আজ সোমবার বিপণিবিতানগুলো ঘুরে দেখা যায়, কাপড়ের দোকানগুলোতে নারী ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। আশপাশের উপজেলা থেকে লোকজন জেলা শহরে কেনাকাটা করতে আসছেন।
নথ সার্কুলার রোডের ঘোমটা দুইয়ের মালিক আশরাফুল আলম বিপুল জানান, এবারের ঈদে সারারা-গারারা ও কাঁচা বাদামের চাহিদা বেশি। ড্রেস গুলো ভালোই বিক্রি হচ্ছে। তবে গরম থাকার কারণে দেশি সুতি থ্রি-পিচ কিনছেন অনেকে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্তই চলছে বেচাকেনা।
রিচম্যানের ইনচার্জ তানজিল ইসলাম জানান, ছেলেদের কাপড়ের মধ্যে চাহিদার শীর্ষে পাঞ্জাবি। এ ছাড়া জিনস প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি শার্ট রয়েছে পছন্দের তালিকায়।
পারটোনিক শো রুমের ম্যানেজার আরিফ বিন হাসান জানান, গত দুই বছরের ঈদ লকডাউনের বিধিনিষেধে কেটেছে। এ বছর করোনা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আশা করি, ভালো কেনাবেচা হবে। এবার ঈদে ছেলেদের কাবলী সেট ও মেয়েদের টু-পিছ বেশি বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি গেঞ্জি, শার্ট-প্যান্টও কিনছেন অনেকে।
কলেজ ছাত্রী মর্জিনা খাতুন জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এ বছরের দামটা একটু বেশি। ফুটপাতে দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় মধ্যম আয়ের ক্রেতারা মার্কেট থেকে না কিনে ফুটপাত থেকে কেনাকাটা করছেন।
শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড মার্কেটে হাবিবা বেগম বলেন, সন্তানদের নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি। অন্য বছরের তুলনায় কাপড়ের দাম বেশি বলে মনে হচ্ছে।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীরুল ইসলাম জানান, ঈদকে ঘিরে শহরের শপিংমল, মার্কেট, বিপণিবিতানগুলোতে কেনাকাটার চাপ বেড়েছে। এ সময় অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে গুরুত্বপূর্ণ মার্কেট, শপিংমল, সড়কের সম্মুখে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিরসনেও বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছে পুলিশ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে