মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি সুপার শপে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আজ শুক্রবার উপজেলার মেইন রোডের আলীম সুপার মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও দোকানমালিক সূত্র জানায়, আজ জুমার নামাজ শেষে ফ্যামিলি সুপার শপের লোকজন শাটার খুলে দেখেন ভেতরে ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেছে। এ সময় দোকান এবং আশপাশের মার্কেটের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ সময় মির্জাপুর বাজারের ব্যবসায়ী এবং বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আগুন নেভাতে টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার এবং কালিয়াকৈর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট এসে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
মির্জাপুর সেনা ক্যাম্পের সদস্য, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের কাজে সহায়তা করে। তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর বিকেল ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই সময়ের মধ্যে সুপার শপের সব মালামাল এবং ভেতরের পুরো আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় তিন কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে সুপার শপের মালিক আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বিএনপির সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মাসুদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, পৌর বিএনপির সভাপতি হজরত আলী মিঞা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার বেলায়েত হোসেন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। তবে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় তিন কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দোকানমালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বলে জানান তিনি।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি সুপার শপে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিটের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আজ শুক্রবার উপজেলার মেইন রোডের আলীম সুপার মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস ও দোকানমালিক সূত্র জানায়, আজ জুমার নামাজ শেষে ফ্যামিলি সুপার শপের লোকজন শাটার খুলে দেখেন ভেতরে ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেছে। এ সময় দোকান এবং আশপাশের মার্কেটের লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
খবর পেয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এ সময় মির্জাপুর বাজারের ব্যবসায়ী এবং বাজারে আসা ক্রেতাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আগুন নেভাতে টাঙ্গাইল সদর, দেলদুয়ার এবং কালিয়াকৈর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট এসে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।
মির্জাপুর সেনা ক্যাম্পের সদস্য, পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন ফায়ার সার্ভিসের কাজে সহায়তা করে। তিন ঘণ্টা চেষ্টার পর বিকেল ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই সময়ের মধ্যে সুপার শপের সব মালামাল এবং ভেতরের পুরো আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে প্রায় তিন কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে সুপার শপের মালিক আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে বিএনপির সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মাসুদুর রহমান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, পৌর বিএনপির সভাপতি হজরত আলী মিঞা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের স্টেশন অফিসার বেলায়েত হোসেন বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। তবে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় তিন কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দোকানমালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে বলে জানান তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে