ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। রোববার (৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মোটরসাইকেল আরোহীরা ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন। রোববার রাত ৮টার দিকে আনালিয়াবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত গাড়ি তাদের চাপা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। রোববার (৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মোটরসাইকেল আরোহীরা ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিলেন। রোববার রাত ৮টার দিকে আনালিয়াবাড়ী এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাত গাড়ি তাদের চাপা দেয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে