টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের বাসাইলে গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলার দুই আসামি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হাকিম সউদ হোসেন আজ রোববার তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তাঁরা প্রধান আসামি বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়ার সহযোগী।
আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলার আসামি সাইদুল ও শাহেদ উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। আজ ছিল জামিনের শেষ দিন। তাঁরা দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মারিয়াম আক্তার জানান, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবেন বলে মোটরসাইকেল নিতে আসেন। মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেলে ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এই ফাঁকে সাইদুল ও শাহেদের সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন।
পরে গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব এবং তাঁর দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রধান আসামি সাকিব মিয়া উচ্চ আদালত থেকে নেওয়া জামিনে রয়েছেন।
এদিকে আজ রোববার বাসাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ছাত্রলীগের নেতা সাকিব মিয়াসহ অন্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।
অন্যদিকে গতকাল শনিবার দুপুরে মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারীর পরিবার ও এলাকাবাসী আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
এ সময় বক্তারা দাবি করেন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা আসামি সাকিব মিয়া মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং ধর্ষিতার স্বামীকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

টাঙ্গাইলের বাসাইলে গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলার দুই আসামি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক হাকিম সউদ হোসেন আজ রোববার তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তাঁরা প্রধান আসামি বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়ার সহযোগী।
আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণ মামলার আসামি সাইদুল ও শাহেদ উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। আজ ছিল জামিনের শেষ দিন। তাঁরা দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মারিয়াম আক্তার জানান, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবেন বলে মোটরসাইকেল নিতে আসেন। মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেলে ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এই ফাঁকে সাইদুল ও শাহেদের সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন।
পরে গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব এবং তাঁর দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রধান আসামি সাকিব মিয়া উচ্চ আদালত থেকে নেওয়া জামিনে রয়েছেন।
এদিকে আজ রোববার বাসাইল বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ছাত্রলীগের নেতা সাকিব মিয়াসহ অন্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।
অন্যদিকে গতকাল শনিবার দুপুরে মামলার বাদী ভুক্তভোগী নারীর পরিবার ও এলাকাবাসী আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও তাদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
এ সময় বক্তারা দাবি করেন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে থাকা আসামি সাকিব মিয়া মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং ধর্ষিতার স্বামীকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
১৩ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১৯ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
৩০ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
৩৬ মিনিট আগে