ফুয়াদ হাসান, ভূঞাপুর

ভূঞাপুরে যমুনার পূর্ব পাড় এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। কয়েক দিনের ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে বেশ কিছু ঘরবাড়ি। এভাবে প্রতিবছর নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও চিতুলিয়াপাড়ার বাসিন্দারা। কয়েক বছরের ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলের জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে শত পরিবার। একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া ও চিতুলিয়াপাড়ার ৪০০ থেকে ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে রয়েছে পাকা ও আধা পাকা অসংখ্য স্থাপনা। গোবিন্দাসী ঘাট থেকে ভালকুটিয়ার কিছু অংশ পর্যন্ত জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কিন্তু যমুনার পূর্ব পাড়ের তীরবর্তী ভালকুটিয়ার কিছু অংশ এবং চিতুলিয়াপাড়ার প্রায় ৫০০ মিটার এলাকার ভাঙন রোধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া যমুনার তীরবর্তী উপজেলার জিগাতলা গ্রামের বেশ কিছু অংশেও দেখা দিয়েছে ভাঙন।
ভাঙনকবলিত চিতুলিয়াপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, ‘যমুনা নদী আমাদের বাড়ি থেকে এক-দেড় মাইল দূরে ছিল। কয়েক বছর ধরে ভাঙনের ফলে ফসলের জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন একমাত্র থাকার জায়গাটুকুও ভেঙে যাচ্ছে। খুব দ্রুত ভাঙন রোধে কাজ না করলে আমরা বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাব। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের কাছে আমাদের একটাই দাবি, যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধ চাই।’
একই গ্রামের কাদের ড্রাইভার বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে নদী অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে নদী খুব কাছে এসেছে। যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যাবে আমার ঘরবাড়ি। এখন ঘরবাড়ি ভেঙে গেলে আমার যাওয়ার আর কোনো জায়গা থাকবে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে নিঃস্ব হয়ে রাস্তার পাশে থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি করে আসছি। বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করা হয়েছে, তাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না।’
কাদের আরও বলেন, বর্ষা এলে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও কোনো কাজে আসে না। তাঁরা সরকারের কাছে যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধ চান।
এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ইতিমধ্যে ভাঙনকবলিত কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আমি সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি। ভালকুটিয়া থেকে চিতুলিয়াপাড়া পর্যন্ত ৫০০ মিটার এলাকা ভাঙনের জরিপ পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, তাড়াতাড়ি ভাঙন রোধে কাজ শুরু করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা পূর্ব পাড়ের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। খানুরবাড়ি এলাকা থেকে ভালকুটিয়া এলাকার ১০০ মিটার অংশে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। বাকি অংশ কাজ করার প্রতিকূল অবস্থায় রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। পরিবেশ অনুকূলে এলে যমুনার পূর্ব পাড়ের আড়াই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।’

ভূঞাপুরে যমুনার পূর্ব পাড় এলাকায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। কয়েক দিনের ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে বেশ কিছু ঘরবাড়ি। এভাবে প্রতিবছর নদীভাঙনের শিকার হচ্ছেন উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি, কষ্টাপাড়া, ভালকুটিয়া ও চিতুলিয়াপাড়ার বাসিন্দারা। কয়েক বছরের ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলের জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে শত পরিবার। একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া ও চিতুলিয়াপাড়ার ৪০০ থেকে ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে রয়েছে পাকা ও আধা পাকা অসংখ্য স্থাপনা। গোবিন্দাসী ঘাট থেকে ভালকুটিয়ার কিছু অংশ পর্যন্ত জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। কিন্তু যমুনার পূর্ব পাড়ের তীরবর্তী ভালকুটিয়ার কিছু অংশ এবং চিতুলিয়াপাড়ার প্রায় ৫০০ মিটার এলাকার ভাঙন রোধে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া যমুনার তীরবর্তী উপজেলার জিগাতলা গ্রামের বেশ কিছু অংশেও দেখা দিয়েছে ভাঙন।
ভাঙনকবলিত চিতুলিয়াপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম বলেন, ‘যমুনা নদী আমাদের বাড়ি থেকে এক-দেড় মাইল দূরে ছিল। কয়েক বছর ধরে ভাঙনের ফলে ফসলের জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন একমাত্র থাকার জায়গাটুকুও ভেঙে যাচ্ছে। খুব দ্রুত ভাঙন রোধে কাজ না করলে আমরা বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাব। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের কাছে আমাদের একটাই দাবি, যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধ চাই।’
একই গ্রামের কাদের ড্রাইভার বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে নদী অনেক দূরে ছিল। ভাঙতে ভাঙতে নদী খুব কাছে এসেছে। যেকোনো সময় নদীতে বিলীন হয়ে যাবে আমার ঘরবাড়ি। এখন ঘরবাড়ি ভেঙে গেলে আমার যাওয়ার আর কোনো জায়গা থাকবে না। পরিবার-পরিজন নিয়ে নিঃস্ব হয়ে রাস্তার পাশে থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধের দাবি করে আসছি। বিভিন্ন সময় মানববন্ধন করা হয়েছে, তাতেও কোনো লাভ হচ্ছে না।’
কাদের আরও বলেন, বর্ষা এলে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জিও ব্যাগ ফেলা হলেও কোনো কাজে আসে না। তাঁরা সরকারের কাছে যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধ চান।
এ বিষয়ে সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ইতিমধ্যে ভাঙনকবলিত কষ্টাপাড়া ও ভালকুটিয়া এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আমি সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি। ভালকুটিয়া থেকে চিতুলিয়াপাড়া পর্যন্ত ৫০০ মিটার এলাকা ভাঙনের জরিপ পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, তাড়াতাড়ি ভাঙন রোধে কাজ শুরু করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।’
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা পূর্ব পাড়ের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। খানুরবাড়ি এলাকা থেকে ভালকুটিয়া এলাকার ১০০ মিটার অংশে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। বাকি অংশ কাজ করার প্রতিকূল অবস্থায় রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছি। পরিবেশ অনুকূলে এলে যমুনার পূর্ব পাড়ের আড়াই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
২৩ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
৩৩ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে