নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ সংবিধান অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বরের আগে সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচন কমিশন করতে পারবে। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের একক ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
স্থানীয় সাতজন বাসিন্দা এবং ছয় আইনজীবীর একটি রিট আবেদনের পর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত ২৮ জুলাই উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ২৬ জুলাইয়ের ওই আদেশের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই নির্বাচন স্থগিত করে।
আবেদনকারীদের পক্ষে বিষয়টি আদালতে উপস্থাপনের পর আদেশ দেন হাইকোর্ট।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সরকার পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
রিট আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন মুজাহিদুল ইসলাম, আল-রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম, মিসবাহ উদ্দিন ও মুস্তাফিজুর রহমান। সিলেটের স্থানীয় বাসিন্দারা হলেন সালেহ আহমদ, ফয়েজ আহমদ, বাবরু মিয়া, শিপন আহমদ, আব্দুল আলীম, তারিস মিয়া ও রিপন আহমেদ।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় রিট আবেদনকারীদের পক্ষে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন উক্ত লিগ্যাল নোটিশ অনুযায়ী সাড়া না দেওয়ায় রিট আবেদন করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, ‘২০২১ সালের ১১ মার্চ সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে সিলেট-৩ আসনটি শূন্য হয়। এরপর ২০২১ সালের ১৫ মার্চ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১১ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২৯ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১২৩-এর দফা ৪ অনুযায়ী উক্ত শূন্যপদ পূরণে ৮ জুন ২০২১ তারিখের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।’
‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১২৩-এর দফা ৪-এর শর্তানুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণজনিত দৈব দুর্বিপাকের কারণে নির্ধারিত মেয়াদ অর্থাৎ শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উল্লিখিত শূন্য আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না। এমতাবস্থায় সিলেট-৩ শূন্য আসনের নির্বাচন নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে অনুষ্ঠান সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তাই গত ২ জুন নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে। তবে গত ১৫ জুন নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের তারিখ পরিবর্তন করে ২৮ জুলাই নির্ধারণ করে।’
রিট আবেদনে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১২৩-এর দফা ৪-এর শর্তানুযায়ী সিলেট উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচন স্থগিত করা যাবে না-এমন বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। এ ক্ষেত্রে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই।
‘তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় এবং লকডাউনের সময়ে নির্বাচন আয়োজন না করে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যেকোনো সময় ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। কারণ-এই সময়ে তিন লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতির বিরোধী। তাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির বিবেচনায় সিলেট-৩ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করার নির্দেশ প্রয়োজন।

জাতীয় সংসদের সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ সংবিধান অনুযায়ী ৭ সেপ্টেম্বরের আগে সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচন কমিশন করতে পারবে। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের একক ভার্চ্যুয়াল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
স্থানীয় সাতজন বাসিন্দা এবং ছয় আইনজীবীর একটি রিট আবেদনের পর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারিত ২৮ জুলাই উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ ৫ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করেছিলেন হাইকোর্ট। গত ২৬ জুলাইয়ের ওই আদেশের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) ওই নির্বাচন স্থগিত করে।
আবেদনকারীদের পক্ষে বিষয়টি আদালতে উপস্থাপনের পর আদেশ দেন হাইকোর্ট।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সরকার পক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
রিট আবেদনকারী আইনজীবীরা হলেন মুজাহিদুল ইসলাম, আল-রেজা মো. আমির, মো. জোবায়দুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম, মিসবাহ উদ্দিন ও মুস্তাফিজুর রহমান। সিলেটের স্থানীয় বাসিন্দারা হলেন সালেহ আহমদ, ফয়েজ আহমদ, বাবরু মিয়া, শিপন আহমদ, আব্দুল আলীম, তারিস মিয়া ও রিপন আহমেদ।
এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় রিট আবেদনকারীদের পক্ষে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন উক্ত লিগ্যাল নোটিশ অনুযায়ী সাড়া না দেওয়ায় রিট আবেদন করা হয়।
রিট আবেদনে বলা হয়, ‘২০২১ সালের ১১ মার্চ সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর মৃত্যুতে সিলেট-৩ আসনটি শূন্য হয়। এরপর ২০২১ সালের ১৫ মার্চ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১১ মার্চ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২৯ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১২৩-এর দফা ৪ অনুযায়ী উক্ত শূন্যপদ পূরণে ৮ জুন ২০২১ তারিখের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে।’
‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১২৩-এর দফা ৪-এর শর্তানুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণজনিত দৈব দুর্বিপাকের কারণে নির্ধারিত মেয়াদ অর্থাৎ শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উল্লিখিত শূন্য আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না। এমতাবস্থায় সিলেট-৩ শূন্য আসনের নির্বাচন নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে অনুষ্ঠান সম্ভব না হওয়ায় পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তাই গত ২ জুন নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ১৪ জুলাই ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে। তবে গত ১৫ জুন নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের তারিখ পরিবর্তন করে ২৮ জুলাই নির্ধারণ করে।’
রিট আবেদনে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১২৩-এর দফা ৪-এর শর্তানুযায়ী সিলেট উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের সময়সীমা ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত। তাই ২৮ জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচন স্থগিত করা যাবে না-এমন বক্তব্য আইনের সঠিক ব্যাখ্যা নয়। এ ক্ষেত্রে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই।
‘তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত চলমান করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি বিবেচনায় এবং লকডাউনের সময়ে নির্বাচন আয়োজন না করে ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অন্য যেকোনো সময় ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণ করা। কারণ-এই সময়ে তিন লাখ ৫২ হাজার ভোটারের এই নির্বাচন অনুষ্ঠান সরকারের বর্তমান লকডাউন নীতির বিরোধী। তাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধির বিবেচনায় সিলেট-৩ আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত করার নির্দেশ প্রয়োজন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে