নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে খাস জমি নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন নারীসহ অর্ধশতাধিক। গুরুতর আহত ১৬ জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন—আব্দুল বাছিত (৪৫), আব্দুস সালাম (৬০), জালাল উদ্দিন (৫১), তোফাজ্জল মিয়া (৪০), এটিএম আছির উদ্দিন (৪৬), রিয়াজন বেগম (৫০), আব্দুল হামিদ (৪০), মওলা মিয়া (৬৫), ফনি বেগম (২৬), জুলেখা বেগম (২৫), জালাল উদ্দিন (৭০), ইয়াছমিন বেগম (৩৫), লিলু মিয়া (৪০), কুটি বিবি (৬০), মামুন মিয়া (২৬), আব্দুল মন্নান (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে সরকারি খাস জমি ও মাজার নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সেলিম উদ্দিন ও আব্দুল মালিক, জাকির মিয়ার লোকজনের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। মাজারের বিরোধ স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে। তবে সম্প্রতি খাস জমি নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য সালিসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আজ দুপুরে উভয় পক্ষ বিচার না মেনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক গুরুতর আহত ১৬ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, পূর্ব-বিরোধের জেরে সালিস না মেনে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে খাস জমি নিয়ে বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন নারীসহ অর্ধশতাধিক। গুরুতর আহত ১৬ জনকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন—আব্দুল বাছিত (৪৫), আব্দুস সালাম (৬০), জালাল উদ্দিন (৫১), তোফাজ্জল মিয়া (৪০), এটিএম আছির উদ্দিন (৪৬), রিয়াজন বেগম (৫০), আব্দুল হামিদ (৪০), মওলা মিয়া (৬৫), ফনি বেগম (২৬), জুলেখা বেগম (২৫), জালাল উদ্দিন (৭০), ইয়াছমিন বেগম (৩৫), লিলু মিয়া (৪০), কুটি বিবি (৬০), মামুন মিয়া (২৬), আব্দুল মন্নান (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড় ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে সরকারি খাস জমি ও মাজার নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সেলিম উদ্দিন ও আব্দুল মালিক, জাকির মিয়ার লোকজনের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলে আসছিল। মাজারের বিরোধ স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে। তবে সম্প্রতি খাস জমি নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিষয়টি মীমাংসার জন্য সালিসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আজ দুপুরে উভয় পক্ষ বিচার না মেনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক গুরুতর আহত ১৬ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, পূর্ব-বিরোধের জেরে সালিস না মেনে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে