জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে ১৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিকসহ ৩১ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্যে ১৪ জন রোহিঙ্গাকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আজ শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৬টায় জৈন্তাপুরের দুটি পৃথক সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করা হয়।
বিজিবির সূত্র জানায়, গতকাল রাত আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে ভারতের জালিয়াখলা বিএসএফ ক্যাম্পসংলগ্ন ১৩০১ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলারের ৫০ গজ ভেতরে জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল বাগছড়া এলাকা দিয়ে ১৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ ইন করা হয়। ১৯ বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, সবাই মিয়ানমারের নাগরিক এবং কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কয়েক বছর আগে ভারতে গিয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী ও ছয়টি শিশু রয়েছে।
অন্যদিকে আজ ভোররাত সাড়ে ৬টায় উপজেলার কেন্দ্রী সীমান্তের ১২৮২/৮ নম্বর সাবপিলার এলাকা দিয়ে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশ ইন করে বিএসএফ। ৪৮ বিজিবির মিনাটিলা বিওপির টহল দল সীমান্তের ২০০ গজ ভেতর থেকে তাঁদের আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও সাতটি শিশু রয়েছে। তারা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, মিনাটিলা বিওপির টহল দল আজ সকালে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। তাদের আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুবায়ের আনোয়ার পিএসসি জানান, আটক ১৪ রোহিঙ্গার নাম ও পরিচয় সংগ্রহ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদেরও জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে ১৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিকসহ ৩১ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্যে ১৪ জন রোহিঙ্গাকে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আজ শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ৬টায় জৈন্তাপুরের দুটি পৃথক সীমান্ত দিয়ে পুশ ইন করা হয়।
বিজিবির সূত্র জানায়, গতকাল রাত আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে ভারতের জালিয়াখলা বিএসএফ ক্যাম্পসংলগ্ন ১৩০১ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলারের ৫০ গজ ভেতরে জৈন্তাপুর উপজেলার লালাখাল বাগছড়া এলাকা দিয়ে ১৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে বাংলাদেশে পুশ ইন করা হয়। ১৯ বিজিবির সদস্যরা তাদের আটক করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, সবাই মিয়ানমারের নাগরিক এবং কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কয়েক বছর আগে ভারতে গিয়েছিল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন পুরুষ, চারজন নারী ও ছয়টি শিশু রয়েছে।
অন্যদিকে আজ ভোররাত সাড়ে ৬টায় উপজেলার কেন্দ্রী সীমান্তের ১২৮২/৮ নম্বর সাবপিলার এলাকা দিয়ে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে পুশ ইন করে বিএসএফ। ৪৮ বিজিবির মিনাটিলা বিওপির টহল দল সীমান্তের ২০০ গজ ভেতর থেকে তাঁদের আটক করে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও সাতটি শিশু রয়েছে। তারা সবাই কুড়িগ্রাম জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে বিজিবি।
৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, মিনাটিলা বিওপির টহল দল আজ সকালে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে। তাদের আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুবায়ের আনোয়ার পিএসসি জানান, আটক ১৪ রোহিঙ্গার নাম ও পরিচয় সংগ্রহ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদেরও জৈন্তাপুর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে