নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

সিলেটে বন্যার প্রভাব পড়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে। বন্যায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটাররা নৌকা করে আসছেন। তবে বেশির ভাগ কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম। আজ বুধবার এসব পরিস্থিতি দেখা যায় সিলেটের কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলায়।
এদিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত কানাইঘাটের মুলাগুল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯২৫ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৫৭টি। বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা প্রবীর কুমার মন্ডল বলেন, ‘আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে ভোটার উপস্থিতি কম। ভোট সুষ্ঠু ও সুন্দর হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’
একই উপজেলার ৮ নম্বর মুলাগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ২৫৯টি ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ২৭১টি। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. জিলানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখানে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো ঝামেলা হয়নি।’
এদিকে জকিগঞ্জের কোনাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষ ভোটারদের কক্ষের সামনে পাঁচ থেকে ছয়জন দাঁড়ানো। নারী ভোটারদের কক্ষের সামনে দুজন ছিলেন। এ ছাড়া প্রেমনগর গ্রামের পুরুষ ভোটারদের ২ নম্বর কক্ষে পৌনে দুই ঘণ্টায় ভোট পড়ে দুটি।
উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের কোনাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আসার সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নৌকায় করে অনেক ভোটারকে কেন্দ্রে আসতে দেখা যায়।
এই কেন্দ্রের ভোটার সাজ উদ্দিন বলেন, ‘বন্যার কারণে সড়ক ডুবে গেছে। ঘর থেকে বের হওয়ারই উপায় নেই। প্রার্থীর লোকজন বাড়িতে নৌকা পাঠিয়েছেন। তাই ভোট দিতে আসছি।’
জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি ভালো। ডিসি স্যারসহ কোর কমিটির সবাই বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বেলা ২টা পর্যন্ত ২১% ভোট পড়েছে।’
ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব কেন্দ্রে গিয়েছি, সেগুলোতে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক পেয়েছি।’
বন্যায় জকিগঞ্জ উপজেলার পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন প্লাবিত রয়েছে। এ উপজেলার ১১৩টি গ্রাম এখন পর্যন্ত প্লাবিত রয়েছে। জকিগঞ্জে ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৫১৩ জন।
আর কানাইঘাট উপজেলাতেও পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন প্লাবিত রয়েছে। বন্যায় এই উপজেলায় ১৯০টি গ্রাম এখনো প্লাবিত। ওই উপজেলায় ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৯ জন ভোটার রয়েছেন।

সিলেটে বন্যার প্রভাব পড়েছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে। বন্যায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটাররা নৌকা করে আসছেন। তবে বেশির ভাগ কেন্দ্রেই ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম। আজ বুধবার এসব পরিস্থিতি দেখা যায় সিলেটের কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলায়।
এদিন দুপুর ১২টা পর্যন্ত কানাইঘাটের মুলাগুল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯২৫ ভোটারের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৫৭টি। বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা প্রবীর কুমার মন্ডল বলেন, ‘আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে ভোটার উপস্থিতি কম। ভোট সুষ্ঠু ও সুন্দর হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।’
একই উপজেলার ৮ নম্বর মুলাগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ২ হাজার ২৫৯টি ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ২৭১টি। ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মো. জিলানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখানে সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো ঝামেলা হয়নি।’
এদিকে জকিগঞ্জের কোনাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষ ভোটারদের কক্ষের সামনে পাঁচ থেকে ছয়জন দাঁড়ানো। নারী ভোটারদের কক্ষের সামনে দুজন ছিলেন। এ ছাড়া প্রেমনগর গ্রামের পুরুষ ভোটারদের ২ নম্বর কক্ষে পৌনে দুই ঘণ্টায় ভোট পড়ে দুটি।
উপজেলার বারহাল ইউনিয়নের কোনাগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে আসার সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নৌকায় করে অনেক ভোটারকে কেন্দ্রে আসতে দেখা যায়।
এই কেন্দ্রের ভোটার সাজ উদ্দিন বলেন, ‘বন্যার কারণে সড়ক ডুবে গেছে। ঘর থেকে বের হওয়ারই উপায় নেই। প্রার্থীর লোকজন বাড়িতে নৌকা পাঠিয়েছেন। তাই ভোট দিতে আসছি।’
জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইমরুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভোটার উপস্থিতি ভালো। ডিসি স্যারসহ কোর কমিটির সবাই বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বেলা ২টা পর্যন্ত ২১% ভোট পড়েছে।’
ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা যেসব কেন্দ্রে গিয়েছি, সেগুলোতে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক পেয়েছি।’
বন্যায় জকিগঞ্জ উপজেলার পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন প্লাবিত রয়েছে। এ উপজেলার ১১৩টি গ্রাম এখন পর্যন্ত প্লাবিত রয়েছে। জকিগঞ্জে ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৫১৩ জন।
আর কানাইঘাট উপজেলাতেও পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়ন প্লাবিত রয়েছে। বন্যায় এই উপজেলায় ১৯০টি গ্রাম এখনো প্লাবিত। ওই উপজেলায় ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৯ জন ভোটার রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে