সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার চিকসা গ্রামে বিয়ে, জন্মদিন বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান-বাজনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে গ্রামের মানুষের সঙ্গে বসে মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে এ নিয়ম চালু করা হয়। কেউ না মানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের চিকসা গ্রামের ইউপি সদস্য শফিকুল হক বলেন, ‘আমাদের গ্রামটি সদর ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গ্রাম। গ্রামে হিন্দু-মুসলিম দুই ধর্মের লোক বাস করে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ মুসলিম পরিবার। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বড় বড় সাউন্ড বক্স বাজিয়ে গ্রামের মানুষ বিয়ে-জন্মদিন বা সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠান পালন করে। এতে হার্টের রোগী, বৃদ্ধ ও শিশুদের অনেক কষ্ট হয়। গ্রামের সম্মানিত মাতব্বরদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে অনুষ্ঠানে গান-বাজনা নিষিদ্ধ বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেউ যদি না মানে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা শুধু মুসলিম পরিবারের জন্য কার্যকর হবে। আর এই গ্রামে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাইদের জন্য এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলেন, ‘গ্রামের মুসলিম ভাইয়েরা একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুনেছি। আমাদের তারা এ বিষয়ে কিছু বলেননি। তবে উচ্চ সাউন্ডে গান-বাজনায় হার্টের রোগী ও বৃদ্ধদের কষ্ট হয়, তাই এই সিদ্ধান্তে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’
তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুনাব আলী বলেন, ‘উচ্চ শব্দে গান-বাজনা করলে অনেকেরই সমস্যা হয়। তা ছাড়া উচ্চ শব্দে গান-বাজনায় আইনগতভাবেও বাধ্যবাধকতা আছে। চিকসা গ্রামের মাতুব্বরেরা গান-বাজনা নিষিদ্ধ করেছেন। একটি সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা।’

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার চিকসা গ্রামে বিয়ে, জন্মদিন বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান-বাজনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত শনিবার রাতে গ্রামের মানুষের সঙ্গে বসে মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে এ নিয়ম চালু করা হয়। কেউ না মানলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
৯ নম্বর ওয়ার্ডের চিকসা গ্রামের ইউপি সদস্য শফিকুল হক বলেন, ‘আমাদের গ্রামটি সদর ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গ্রাম। গ্রামে হিন্দু-মুসলিম দুই ধর্মের লোক বাস করে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ মুসলিম পরিবার। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় বড় বড় সাউন্ড বক্স বাজিয়ে গ্রামের মানুষ বিয়ে-জন্মদিন বা সুন্নতে খতনা অনুষ্ঠান পালন করে। এতে হার্টের রোগী, বৃদ্ধ ও শিশুদের অনেক কষ্ট হয়। গ্রামের সম্মানিত মাতব্বরদের নিয়ে সম্মিলিতভাবে অনুষ্ঠানে গান-বাজনা নিষিদ্ধ বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেউ যদি না মানে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা শুধু মুসলিম পরিবারের জন্য কার্যকর হবে। আর এই গ্রামে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মাবলম্বী ভাইদের জন্য এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলেন, ‘গ্রামের মুসলিম ভাইয়েরা একত্রিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুনেছি। আমাদের তারা এ বিষয়ে কিছু বলেননি। তবে উচ্চ সাউন্ডে গান-বাজনায় হার্টের রোগী ও বৃদ্ধদের কষ্ট হয়, তাই এই সিদ্ধান্তে আমাদের কোনো সমস্যা নেই।’
তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জুনাব আলী বলেন, ‘উচ্চ শব্দে গান-বাজনা করলে অনেকেরই সমস্যা হয়। তা ছাড়া উচ্চ শব্দে গান-বাজনায় আইনগতভাবেও বাধ্যবাধকতা আছে। চিকসা গ্রামের মাতুব্বরেরা গান-বাজনা নিষিদ্ধ করেছেন। একটি সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে