নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নকলায় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় তারিকুল হাসান (৪০) নামে এক কলেজ প্রভাষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার প্রভাষক উপজেলার পাচঁকাহনীয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৮ বছর আগে উপজেলার চর অষ্টধর ইউনিয়নের নারায়নখোলা বাজারের সামছুল হকের মেয়ে শিহাদ ফারজানা হকের (৩৭) বিয়ে হয় তারিকুল হাসানের সঙ্গে। সংসারে তাদের এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
বিয়ের মেয়ের বাবা জামাতাকে নগদ তিন লাখ টাকা ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র দেন। কিন্তু পুনরায় তিনি নতুন করে আরও আট লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রী ফারজানাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন।
ছয় মাস আগে যৌতুকের টাকার জন্য তারিকুল ফারজানাকে মারধর করে সন্তানসহ বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পারিবারিকভাবে নিষ্পত্তি হলে ফারজানা সন্তানদের নিয়ে স্বামীর সংসারে চলে আসেন।
গত ৭ নভেম্বর তারিকুল যৌতুকের টাকার জন্য ফারজানাকে আবার মারধর করে আহত করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নেন।
বিষয়টি নিয়ে ফারজানা ৯ নভেম্বর শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী তারিকুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরে আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নকলা থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে নকলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামি তারিকুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

শেরপুরের নকলায় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় তারিকুল হাসান (৪০) নামে এক কলেজ প্রভাষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার প্রভাষক উপজেলার পাচঁকাহনীয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের ইংরেজি বিষয়ের প্রভাষক।
মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ১৮ বছর আগে উপজেলার চর অষ্টধর ইউনিয়নের নারায়নখোলা বাজারের সামছুল হকের মেয়ে শিহাদ ফারজানা হকের (৩৭) বিয়ে হয় তারিকুল হাসানের সঙ্গে। সংসারে তাদের এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
বিয়ের মেয়ের বাবা জামাতাকে নগদ তিন লাখ টাকা ও ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র দেন। কিন্তু পুনরায় তিনি নতুন করে আরও আট লাখ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রী ফারজানাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন।
ছয় মাস আগে যৌতুকের টাকার জন্য তারিকুল ফারজানাকে মারধর করে সন্তানসহ বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পারিবারিকভাবে নিষ্পত্তি হলে ফারজানা সন্তানদের নিয়ে স্বামীর সংসারে চলে আসেন।
গত ৭ নভেম্বর তারিকুল যৌতুকের টাকার জন্য ফারজানাকে আবার মারধর করে আহত করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তিনি নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা নেন।
বিষয়টি নিয়ে ফারজানা ৯ নভেম্বর শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী তারিকুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরে আদালত অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গণ্য করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নকলা থানা-পুলিশকে নির্দেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে নকলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামি তারিকুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

নেত্রকোনায় দাম্পত্য কলহের জেরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রী রুবিনা আক্তারকে (৩৫) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার নেত্রকোনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোছা মরিয়ম মুন মুঞ্জুরি এ রায় ঘোষণা করেন।
৯ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপিপন্থী শিক্ষকের টানানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারকে মানসিক চিকিৎসা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের...
১৫ মিনিট আগে
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই। রিজার্ভ ১৮ বিলিয়ন থেকে ৩২ বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর হয়েছে।
২৬ মিনিট আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটের পক্ষে কাজ করতে পারবেন। তাতে দেশের বিদ্যমান আইনে কোনো বাধা নেই। কারণ, আপনারা ভোটার, আপনাদের নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক পক্ষপাত, পছন্দ থাকবেই, থাকারই কথা। আপনারা নাগরিকদের উৎসাহিত করেন। সাদা ব্যালটে যেন তাঁরা
৩২ মিনিট আগে