
শেরপুরের শ্রীবরদী সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে চার শিশুসহ ৯ বাংলাদেশিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার কর্ণঝোড়া বিওপির টহল দল হারিয়াকোনা এলাকা থেকে তাঁদের আটক করে।
আটক ব্যক্তিদের সবার বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায়। তাঁদের মধ্যে চারজন শিশু, তিনজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন।
বিজিবি জানায়, শেরপুরের স্থানীয় মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য সুমন, সাজু, আজিবর, কালু ও সুমন মিয়ার সঙ্গে জনপ্রতি ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতে পাচারের চুক্তি হয়। বুধবার রাতে তাঁরা ঢাকা থেকে শেরপুরে পৌঁছান। পরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১০৯৫-এর প্রায় ১৫০ গজ ভেতরে হারিয়াকোনা পাহাড়ি এলাকায় ভারতে প্রবেশের অপেক্ষায় অবস্থান নেন।
বিজিবির দাবি, সীমান্তে কঠোর নজরদারির কারণে তাঁরা বুধবার রাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে পারেননি। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের সীমান্ত পার হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে কর্ণঝোড়া বিওপির একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে। পরে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগসহ শ্রীবরদী থানায় সোপর্দ করা হয়।
শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন এবং পাসপোর্ট আইনের আওতায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইলের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
৫ মিনিট আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা একটি কনটেইনার ট্রেনের ইঞ্জিনে অভিযান চালিয়ে বস্তাভর্তি গাঁজা উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। এ ঘটনায় ট্রেনের লোকোমাস্টার শাহজাহানকে আটক করা হয়েছে। তবে সহকারী লোকোমাস্টার পালিয়ে গেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়ক তিন মাসের মাথায় ধসে পড়েছে। ইতিমধ্যে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ পাশের নদীতে দেবে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণ ও অপরিকল্পিতভাবে নদীতীর ভরাট করায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
দিনাজপুরের বিরামপুর ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (এনেস্থেসিয়া, গাইনি কনসালট্যান্ট ও সার্জারি) না থাকায় ৩ বছর ধরে অস্ত্রোপচার কর্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অর্থোপেডিক, নাক, কান, গলা, চক্ষু, হৃদ্রোগের রোগীরা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
৭ ঘণ্টা আগে