প্রতিনিধি

সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় গতকাল মঙ্গলবারের রেকর্ড ভেঙে আজ বুধবার ১০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শতকরা হার ৫৯ শতাংশ। এর আগের দিন করোনা সংক্রমণের হার ছিল ৫৫ শতাংশ। আজ বুধবার পর্যন্ত সাতক্ষীরায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯৭ জন।
এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও চারজন মারা গেছেন। এ নিয়ে জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২৩৬ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জেলায় মোট ৪৮ জন। জেলায় করোনা পরিস্থিতি রীতিমতো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে।
গত ১ জুন থেকে ৭ দিনে সাতক্ষীরায় মোট ৯৩২ জনের পরীক্ষা করে ৪৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা শতকরা হিসাবে ৫১ দশমিক ৩৯ ভাগ। এর পূর্বে মে মাসের ৩১ দিনে সাতক্ষীরা পিসিআর ল্যাবে ১৩৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩০৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শতকরা হিসাবে ২২ দশমিক ৫১ ভাগ। এর পূর্বে ২০২০ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এক বছরে সাতক্ষীরা জেলায় করোনা শনাক্ত হয় ১৩১৩ জন।
এদিকে গত ১ জুন সাতক্ষীরা পিসিআর ল্যাবে ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। ২ জুন ৯৪ জনে পাওয়া যায় ৫০ জন, ৩ জুন ৯৩ জনে পাওয়া যায় ৫০ জন, ৪ জুন ১৮৮ জনে করোনা পজিটিভ হয় ৮৯ জন। ৪ জুন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ৫ জুন কোন নমুনা পরীক্ষা হয়নি। ৬ জুন ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫০ জনের পজিটিভ পাওয়া যায়। ৭ জুন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৮৭ জনের। পজিটিভ পাওয়া যায় ১০৩ জন। সর্বশেষ ৮ জুনের নমুনা পরীক্ষা করে ১০৮ জনের পজিটিভ পাওয়া যায়। অর্থাৎ জুন মাসের ১ তারিখ ছাড়া প্রতিদিনই শনাক্তের হার ছিল ৫০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে বর্তমানে ৫১৮জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন আছেন।
অন্যদিকে লকডাউন সফল করতে জেলাব্যাপী ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন। মোড়ে মোড়ে বাঁশ দিয়ে অথবা চেকপোস্ট বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের জরিমানা করা হচ্ছে। তবে সকাল ১০টা পর্যন্ত পুলিশি তৎপরতা না থাকায় লোকসমাগম বেশি দেখা গেছে। গ্রামাঞ্চলেও ঢিলে-ঢালাভাবে লকডাউন চলছে। পুলিশি তৎপরতা বা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে তেমন একটা দেখা যায়নি।

সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় গতকাল মঙ্গলবারের রেকর্ড ভেঙে আজ বুধবার ১০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শতকরা হার ৫৯ শতাংশ। এর আগের দিন করোনা সংক্রমণের হার ছিল ৫৫ শতাংশ। আজ বুধবার পর্যন্ত সাতক্ষীরায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৯৭ জন।
এ ছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও চারজন মারা গেছেন। এ নিয়ে জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২৩৬ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জেলায় মোট ৪৮ জন। জেলায় করোনা পরিস্থিতি রীতিমতো ভয়ংকর হয়ে উঠেছে।
গত ১ জুন থেকে ৭ দিনে সাতক্ষীরায় মোট ৯৩২ জনের পরীক্ষা করে ৪৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। যা শতকরা হিসাবে ৫১ দশমিক ৩৯ ভাগ। এর পূর্বে মে মাসের ৩১ দিনে সাতক্ষীরা পিসিআর ল্যাবে ১৩৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩০৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শতকরা হিসাবে ২২ দশমিক ৫১ ভাগ। এর পূর্বে ২০২০ সালের ২৬ এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত এক বছরে সাতক্ষীরা জেলায় করোনা শনাক্ত হয় ১৩১৩ জন।
এদিকে গত ১ জুন সাতক্ষীরা পিসিআর ল্যাবে ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৯ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। ২ জুন ৯৪ জনে পাওয়া যায় ৫০ জন, ৩ জুন ৯৩ জনে পাওয়া যায় ৫০ জন, ৪ জুন ১৮৮ জনে করোনা পজিটিভ হয় ৮৯ জন। ৪ জুন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ৫ জুন কোন নমুনা পরীক্ষা হয়নি। ৬ জুন ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৫০ জনের পজিটিভ পাওয়া যায়। ৭ জুন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৮৭ জনের। পজিটিভ পাওয়া যায় ১০৩ জন। সর্বশেষ ৮ জুনের নমুনা পরীক্ষা করে ১০৮ জনের পজিটিভ পাওয়া যায়। অর্থাৎ জুন মাসের ১ তারিখ ছাড়া প্রতিদিনই শনাক্তের হার ছিল ৫০ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে বর্তমানে ৫১৮জন করোনা আক্রান্ত চিকিৎসাধীন আছেন।
অন্যদিকে লকডাউন সফল করতে জেলাব্যাপী ব্যাপক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন। মোড়ে মোড়ে বাঁশ দিয়ে অথবা চেকপোস্ট বসিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে পুলিশ। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন অমান্যকারীদের জরিমানা করা হচ্ছে। তবে সকাল ১০টা পর্যন্ত পুলিশি তৎপরতা না থাকায় লোকসমাগম বেশি দেখা গেছে। গ্রামাঞ্চলেও ঢিলে-ঢালাভাবে লকডাউন চলছে। পুলিশি তৎপরতা বা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা আদায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে তেমন একটা দেখা যায়নি।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে