
দীর্ঘ ২৩ বছর পর বাল্যকালের বন্ধুর সঙ্গে দেখা, কে কী করছে, ব্যক্তিজীবনে কেমন আছে—এসব প্রশ্ন-উত্তরের মধ্য দিয়ে জমে উঠেছিল দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ সরকারি বহুমুখী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০০২ এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী।
গতকাল মঙ্গলবার দিনব্যাপী উপজেলার জাতীয় উদ্যান আশুরার বিলে এই পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন পর একে অপরের সঙ্গে দেখা হওয়ায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এই ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. সাজ্জাদ আল মামুন বলেন, ‘বহুদিন পর স্কুলবন্ধুদের একত্রিত করতে পারলাম। নানা ব্যস্ততায় অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ ছিল না। ঈদকে উপলক্ষ করে বন্ধুদের একত্রিত করার উদ্যোগ নিই, আর সেই ভাবনা বাস্তবায়ন করতেই এই মিলনমেলা। সত্যিই দুর্দান্ত একটা দিন কাটিয়েছি।’
নারী শিক্ষার্থী মিথিলা আক্তার বলেন, ‘২০০২ সালে এসএসসি পরীক্ষার পর অনেকের সঙ্গে আর দেখা হয়নি। বন্ধু আবু রায়হানের প্রচেষ্টায় সবাই এক ছাদের নিচে আসতে পেরেছি। যেন কয়েক ঘণ্টার জন্য স্কুলজীবনে ফিরে গিয়েছিলাম।’
আরেক শিক্ষার্থী মো. আবু রায়হান বলেন, ‘৭৫ জন বন্ধু একত্র হয়ে ঈদ পুনর্মিলনী করতে পেরে আনন্দিত। শুধু এই অনুষ্ঠানেই থেমে থাকব না, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পুনর্মিলনী করব এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করব।’
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাবেক শিক্ষার্থী ও নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. সাজ্জাদ আল মামুন। বক্তব্য দেন একই ব্যাচের শিক্ষার্থী ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন, প্রকৌশলী মো. শাজাহান কিবরিয়া, সাংবাদিক আতিকুল ইসলাম চৌধুরী, ব্যবসায়ী মো. রফিকসহ আরও অনেকে। তাঁরা বিদ্যালয়ের উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুনর্মিলনীতে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মো. মুক্তি মাহফুজ, মো. রনি, আরজিনা খাতুন, খাতিজা বানু, তমসেল, তৌফিক, নূরনবী, রিপন সবুজ, জাকারিয়া, শাওন, সানোয়ার, মমিনুরসহ ৭৫ জন শিক্ষার্থী।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩৪ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৪০ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে