দিনাজপুর প্রতিনিধি

জমি নিয়ে বিরোধে দিনাজপুরে আপন ছোট ভাইকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার দিনাজপুর পৌরসভার পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল রেজা বাবু শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা এলাকার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাসান আলীর ছেলে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি।’ তবে নিহতের বাবা বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান পুলিশ এই কর্মকর্তা।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আজ (বুধবার) সকালে নিহত রাসেল রেজা বাবুর (২৪) সঙ্গে তার বড় ভাই মো. মাসুদ রানার জায়গা-জমি নিয়ে ঝগড়া হয়। এর একপর্যায়ে বড় ভাই, তার স্ত্রী মোছা রিমা বেগম ও ছেলে মো. ফারহান আলী রনক কুড়াল দিয়ে রাসেল রেজার মাথায় ও পায়ে আঘাত করে জখম করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) এ ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলের দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের খালা আখতারা জানান, মাসুদ রানা সব সময় তার বাবা-মাকে টাকা-পয়সার জন্য চাপ দিত। স্ত্রীও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হতো। ঘটনার দিন (বুধবার) সকালে ঝগড়ার একপর্যায়ে তার ছোট ভাই রাসেল রেজাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
নিহতের মামা আল আমিন জানান, তার বড় ভাগনে মাসুদ রানা নেশা করত। সব সময় টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা করত। টাকা না দিলে ছোট ভাইকে হত্যার হুমকিও দিতেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ছোট ভাইকে মেরেই ফেলেন। এ ঘটনায় দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।

জমি নিয়ে বিরোধে দিনাজপুরে আপন ছোট ভাইকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার দিনাজপুর পৌরসভার পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল রেজা বাবু শহরের পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা এলাকার অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাসান আলীর ছেলে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়নি।’ তবে নিহতের বাবা বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান পুলিশ এই কর্মকর্তা।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, আজ (বুধবার) সকালে নিহত রাসেল রেজা বাবুর (২৪) সঙ্গে তার বড় ভাই মো. মাসুদ রানার জায়গা-জমি নিয়ে ঝগড়া হয়। এর একপর্যায়ে বড় ভাই, তার স্ত্রী মোছা রিমা বেগম ও ছেলে মো. ফারহান আলী রনক কুড়াল দিয়ে রাসেল রেজার মাথায় ও পায়ে আঘাত করে জখম করেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আইসিইউ (ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট) এ ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলের দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের খালা আখতারা জানান, মাসুদ রানা সব সময় তার বাবা-মাকে টাকা-পয়সার জন্য চাপ দিত। স্ত্রীও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হতো। ঘটনার দিন (বুধবার) সকালে ঝগড়ার একপর্যায়ে তার ছোট ভাই রাসেল রেজাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
নিহতের মামা আল আমিন জানান, তার বড় ভাগনে মাসুদ রানা নেশা করত। সব সময় টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলা করত। টাকা না দিলে ছোট ভাইকে হত্যার হুমকিও দিতেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ছোট ভাইকে মেরেই ফেলেন। এ ঘটনায় দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
২১ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে