Ajker Patrika

রংপুর মেডিকেলের জনবল-অবকাঠামো সমস্যা শিগগিরই সমাধান হবে: মন্ত্রী দুলু

রংপুর প্রতিনিধি
রংপুর মেডিকেলের জনবল-অবকাঠামো সমস্যা শিগগিরই সমাধান হবে: মন্ত্রী দুলু
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: আজকের পত্রিকা

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রমেক) জনবল ও অবকাঠামোর সংকট শিগগিরই সমাধান হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেছেন, এবার স্বাস্থ্য খাতে বেশি বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। জনবল কাঠামোর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এটা হয়তো শিগগিরই আমরা সমাধান করতে পারব।

আজ রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬তলা বিশিষ্ট নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আমি কথা দিয়ে গিয়েছি, যাওয়ার পথে ও আসার পথে মাসে অন্তত এক থেকে দুইবার এই হাসপাতাল পরিদর্শন করব। যে কাজগুলো আমরা দায়িত্ব নিয়েছি, সেগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করব। আমার মনে হয়, ১৬ দিন খুব বেশি সময় যায়নি।’

হাসপাতালের জনবল সংকটের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জনবলের সংকট রয়েছে। ইতিমধ্যে এখান থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এবার স্বাস্থ্য খাতে আমাদের বাজেটে বরাদ্দ বেশি। আশা করি, এই জনসংকট শিগগিরই সমাধান করতে পারব।’

হাসপাতালের অবকাঠামোগত সংকটের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে অবকাঠামোরও অনেক সমস্যা রয়েছে। নতুন একটি ভবনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। আমি চেষ্টা করছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ করে রোগীদের যে সংকট, রোগীদের যে চাহিদা সেটা যাতে সমাধান করতে পারি।’

আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া জনবলের সংখ্যাও অপ্রতুল বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই হাসপাতালের আউটসোর্সিংয়ে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেটাও খুবই অপ্রতুল ছিল। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গিয়ে মিটিং করেছি।’

হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিজের নজরদারিতে রাখার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটু সময় দেন। আমি এটাকে সামগ্রিকভাবে আমার নজরদারিতে রাখছি। ইতিমধ্যে আমি ডাইরেক্টরের সঙ্গে কথা বলেছি, এখানকার পিডব্লিউডি ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে করে পরিচ্ছন্নতা ও রোগী সেবার মান বাড়ানো যায়।’

হাসপাতালের নিরাপত্তা ও আলোকসজ্জার বিষয়ে অগ্রগতির কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘লাইটিং, সিসি ক্যামেরার কিছুটা অগ্রগতি হয়েছে। আপনারা একটু অপেক্ষা করেন, আমি চেষ্টা করব যাতে করে হাসপাতালটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।’

এ সময় তিস্তা নদী নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘শুকনো মৌসুমে তিস্তায় তো পানির খুবই সংকট। আমরা যদি উজান থেকে পানি না পাই, পার্শ্ববর্তী দেশ যদি আমাদের পানি না দেয়, তাহলে আমাদের পানি ধরে রাখতে হবে। সে জন্য বলা হয়েছে, বর্ষকালে যে সারফেস ওয়াটার আসবে, সেই পানিটাকে ধরে রাখব এবং তিস্তার সঙ্গে যে ১৪টা শাখা নদী রয়েছে সেখানে গভীরতা বাড়িয়ে পানি ধরে রাখতে হবে। আমরা চাই বর্ষার পরে শুকনো মৌসুমে যাতে তিস্তা মহাপরিকল্পনা কার্যকর হয়।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রেবেকা সুলতানা ফেন্সি, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান সামু, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান, জাতীয়তাবাদী চিকিৎসক নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত